আর্জেন্টিনার আন্দেজের প্রান্তীয় অঞ্চলে চিলির নিকটবর্তী সীমান্তে যাত্রীবাহী বাস উল্টে তিন শিশুসহ কমপক্ষে ১৯ জন নিহত হয়েছে। উদ্ধারকৃত এক বাসযাত্রী জানান, যাত্রীদের নিষেধ না শুনে বাসচালক দ্রুতগতিতে বাস চালানোর কারণে এ দুর্ঘটনা ঘটেছে।
দুর্ঘটনাটি এশিয়ার সর্বোচ্চ পর্বত এ্যাকঙ্কাগুয়ার কাছাকাছি একটি এলাকায় ঘটে। মৃতদের পরিচয় উদ্ধার করা বেশ কঠিন হয়ে পড়েছে বলে জানিয়েছে চিলির বাস পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান। মেনদোজার প্রাদেশিক গভর্নর আলেজান্দ্রো গুলে বার্তা সংস্থা এএফপি’কে বলেন, দুর্ঘটনায় বেঁচে যাওয়া দুই গাড়ি চালকদের মেগাটন এ্যাকাঙ্কাগুয়ায় একটি পর্যটন কেন্দ্রে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।
দুর্ঘটনায় নিহতদের বেশিরভাগই আর্জেন্টিনার। এছাড়াও চিলি, কলম্বিয়া এবং হাইতির নাগরিকও রয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, আবহাওয়া ভালো থাকলেও রাস্তার একটি বিপজ্জনক বাঁকে গিয়ে দুর্ঘটনাটি ঘটে।
আর্জেন্টিনার এক কিশোরী আর্জেন্টিনার টিভি চ্যানেল ১৩ কে বলেন, ‘দুর্ঘটনার সময় আমি ঘুমিয়ে ছিলাম। হঠাৎ বাসটি উল্টে যায়। যখন ঘুম ভাঙ্গে দেখি আমি পড়ে যাচ্ছি।’ তিনি অারও বলেন, বাসটি খুব দ্রুত গতিতে চলছিল, প্রথমে এটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার পাশে থাকা একটি বিটে আঘাত করে এবং তারপর আবারও আরও বেশি দ্রুত গতিতে এগিয়ে যেতে থাকে।
যাত্রীরা অভিযোগ করে বলেন, তারা নিষেধ করা সত্ত্বেও চালক দ্রুত গতিতে বাস চালানোয় দুর্ঘটনাটি ঘটে।
এর আগে ২০১৫ সালে আর্জেন্টিনায় ব্রিজ ভেঙ্গে বাস খাদে পড়ে ৪১ জন নিহত হন। তাদের বেশিরভাগই ছিলেন পুলিশের কর্মকর্তা।







