বাংলাদেশকে বৃষ্টি আইনে ২৮ রানে হারিয়ে টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপের সুপার এইট মিশন শুরু করলো অস্ট্রেলিয়া। অস্ট্রেলিয়ার মতো শক্তিশালী দলের কাছে ১৪১ রানের লক্ষ্যটা সহজ হওয়ারই কথা। সে পথে অনায়াসেই আগাচ্ছিল তারা। ১১.২ ওভারে দুই উইকেট হারিয়ে ১০০ তোলার পর বৃষ্টি হলে পরে আর মাঠে খেলা গড়ায়নি। ডাক ওয়ার্থ ও লুইস মেথডে প্রত্যাশিত জয় পায় মিশেল মার্শের দল।
ডেভিড ওয়ার্নার ৩৫ বলে ৫৩ রানে ও গ্লেন ম্যাক্সওয়েল ৬ বলে ১৪ রানে অপরাজিত থাকেন। টাইগার লেগ স্পিনার রিশাদ হোসেন পর পর দুই ওভারে ট্রাভিস হেড (৩১) ও অধিনায়ক মার্শকে (১) সাজঘরে পাঠান।
পাওয়ার প্লে-তে ম্যাচ অনেকটা নিশ্চিত করে ফেলেন অস্ট্রেলিয়া। হেড ও ওয়ার্নার ৬.২ ওভারে ৬৪ রান তোলার পর বৃষ্টিতে খেলা থামে। পরে খেলা শুরু হলে রিশাদ পান উইকেটের দেখা।
ব্যাটিংয়ে শক্তির পার্থক্য ম্যাচে গড়ে দেয় ব্যবধান। নাজমুল হোসেন শান্ত ও তাওহিদ হৃদয় ছাড়া বলার মতো রান করতে পারেননি কেউ। তাতে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সুপার এইটের লড়াইয়ে বড় সংগ্রহ পায়নি বাংলাদেশ।
দশ নম্বর বল মোকাবেলায় রানের খাতা খোলা বাংলাদেশ ওপেনার ২৫ বলে ১৬ রান করে সাজঘরে ফেরেন। অ্যাডাম জাম্পার গুগলির মুখে স্লগ সুইপ করতে গিয়ে বোল্ড হন। রিশাদ হোসেনকে প্রমোশন দিয়ে নামানো হয় চার নম্বরে। অফস্পিনার গ্লেন ম্যাক্সওয়েলকে এগিয়ে এসে মারতে গিয়ে ক্যাচ দেন উইকেটের পেছনে শর্ট থার্ডম্যানে। ৪ বলে ২ রান করে ফেরেন রিশাদ।
টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপে এটি হ্যাটট্রিকের সপ্তম ঘটনা। অস্ট্রেলিয়ার দ্বিতীয় বোলার হিসেবে বিশ্বকাপে হ্যাটট্রিকের স্বাদ পেলেন কামিন্স। প্রথমটি করেছিলেন সাবেক পেসার ব্রেট লি। কাকতালীয়ভাবে সেটি বাংলাদেশের বিপক্ষেই।
তাওহিদ আউট হওয়ার আগে ঝড় তোলেন স্যার ভিভিয়ান রিচার্ডস স্টেডিয়ামের ২২ গজে। তার ব্যাটেই দেড়শর কাছে যায় বাংলাদেশের ইনিংস। শেষ তাসকিন আহমেদ ৭ বলে ১৩ রান করে অবদান রাখেন।








