ঘনিয়ে আসছে অস্কারের দিন! চলচ্চিত্র জগতের সবচেয়ে সম্মানজনক পুরস্কারের চূড়ান্ত বিজয়ীদের নাম জানা যাবে ক’দিন পরই। ২৬ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের হলিউডের বিখ্যাত ডলবি থিয়েটারে বসছে অস্কারের ৮৯তম আসর। অস্কারের আসর মানেই ইংরেজি ভাষার সিনেমার দৌড়। কিন্তু এবার ৮৯তম আসর যেন অন্য আভাস দিচ্ছে। এবার ইংরেজি ছাড়াও বিদেশি ভাষার ছবিগুলো বেশ আলোচিত হবে বলে ধারণা করা যাচ্ছে।
‘ল্যান্ড অফ মাইন’

দেশ : ডেনমার্ক, ছবিটি জার্মান ভাষার। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শেষ হওয়ার কিছু দিন পরের গল্প উঠে এসেছে এই ছবিতে। ছবির প্রেক্ষাপট ডেনমার্কের এক সমুদ্র সৈকত। এখানে বিশ লাখ মাইন বোমা অপসারণের দায়িত্ব দেওয়া হয় একদল তরুণ জার্মান সৈনিককে। এর নেতৃত্ব দেয় একজন জার্মান সার্জেন্ট রাসমুসিন। এমন করে এগিয়ে যেতে থাকে ল্যান্ড অফ মাইনের গল্পটি। ছবিটি পরিচালনা করেছেন মার্টিন স্যান্ডভেত।
‘এ ম্যান কলড অভি’

দেশ : সুইডেন, সুইডিশ ভাষার এই ছবিতে দেখানো হয়েছে অভি নামের এক চরিত্রকে। অপূর্ব সুন্দরী সঞ্জার সাথে সুখের দাম্পত্য ছিল। তাকে হারিয়েছেন অনেক আগেই। এক সময় পাশের বাসায় আসা সুইডিস-ইরানী দম্পতিকে দেখে নিজের একাকী জীবন কিছুতেই মেনে নিতে পারেনি।
‘দ্যা সেলসম্যান’

দেশ : ইরান, বিশ্ব চলচ্চিত্র অঙ্গনে ইরানি চলচ্চিত্রের পোক্ত অবস্থান দাঁড়িয়ে গেছে বেশ আগেই। প্রতি বছর অস্কারের মনোনয়ন তালিকা দেখে সেটা স্পষ্ট। পার্সিয়ান ভাষার এ ছবিতে রয়েছে তেহরানের দুই মধ্যবিত্ত দম্পতির গল্প। তাদের নাম এমাড আর রানা। পেশা শিক্ষকতা হলেও তাদের মন জুড়ে আছে অভিনয়ের নেশা। একটা নতুন অ্যাপার্টমেন্টে আসার পর তাদের সুযোগ হয় আর্থার মিলারের ‘ডেথ অব এ সেলসম্যান’ নাটকে অভিনয়ের। কিন্তু ধীরে ধীরে ভাঁটা পড়তে থাকে তাদের দাম্পত্য সম্পর্কে। এবার আসরের শিরোপার অন্যতম দাবিদার ভাবা হচ্ছে আসগার ফরহাদীর এই ছবিকে।
‘তান্না’

দেশ : অস্ট্রেলিয়া, নিভাল ভাষার একেবারে ভিন্ন ধাঁচের মুভি তান্না। আধুনিক বিশ্বের সাথে সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন এক আদিম গ্রামের কাহিনি নিয়ে এই ছবি। সভ্যতার আলো খুব একটা পড়েনি সেখানে। প্যাসিফিক আইল্যান্ডের গহীন এ গ্রামে নেই প্রযুক্তির কোন ছোঁয়া। সেই গ্রামের দুইজন মানব-মানবী ডাইন ও ওয়াওয়া। বিয়ে দিয়ে গ্রামের বাহিরে পাঠিয়ে দেওয়া হবে ওয়াওয়াকে। কিন্তু সে থাকতে চায় ডাইনের কাছেই।
‘টনি এডম্যান’

দেশ : জার্মানি, কান চলচ্চিত্র উৎসবের আলোচিত ছবি। ব্যবহার করা হয়েছে জার্মান এবং ইংরেজি ভাষা। ছবির কাহিনি আবর্তিত হয়েছে এক বাবা আর তার কন্যার সম্পর্কের সংকটকে ঘিরে। বাবা উইনফ্রেড আর কন্যা ইনেস। এক পর্যায়ে জার্মানি ছাড়তে চায় উইনফ্রেড। ইনেসের ক্যারিয়ার তখন উর্ধ্বমুখী। সবার কাছে উইনফ্রেড নিজের পরিচয় দেন টনি নামে। আর সেটাই নাম হয়ে যায় পরিচালক ম্যারেন আডের এই ছবির।
বিবিসি।








