রাজধানীসহ সারা দেশে শ্রীকৃষ্ণের জন্মতিথি, সনাতন ধর্মাবলম্বীদের শুভ জন্মাষ্টমী পালন হয়েছে। মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশকে সমৃদ্ধির দিকে এগিয়ে নেয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে শোভাযাত্রায়। জন্মাষ্টমী উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ আব্দুল হামিদ এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাণী দিয়েছেন।
সনাতন ধর্মাবলম্বীদের বিশ্বাস, পৃথিবী থেকে দুষ্টের দমন আর সজ্জনদের রক্ষার জন্যই ভাদ্র মাসের এই দিনে আবির্ভূত হয়েছিলেন মহা অবতার শ্রীকৃষ্ণ । শ্রীকৃষ্ণের সেই বাণীকে ছড়িয়ে দিতে ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দিরে গীতাযজ্ঞ আর নাম কীর্তন ।
গীতাযজ্ঞের পরিচালক স্বামী তপনানন্দ গিরি বলেন শ্রীমত ভগবত গীতায় শ্রীকৃষ্ণ আমাদের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন যে যখনই ধর্মের গ্লানি হবে, অধর্মের উত্থান হবে, তখনই আমি আর্বিভূত হব এবং দুষ্কৃতিকারীদের বিনাশ করব।
ঢাকা মহানগর সার্বজনীন পূজা কমিটির সভাপতি ডি এন চ্যাটার্জি বলেন যারা এই সমাজকে, এই রাষ্ট্রকে, এই বিশ্বকে ক্ষতি করছে তাদের মুখোমুখি দাঁড়াও আমি তোমাদের রক্ষা করব।
বৃহস্পতিবার সকালে মিরপুর কেন্দ্রীয় মন্দির থেকে শুরু জন্মাষ্টমীর শোভাযাত্রা। বিকেলে পলাশী মোড়ে প্রধান শোভাযাত্রা পূর্ব আলোচনায় যোগ দেন শিল্প মন্ত্রী আমির হোমেন আমু, দক্ষিণ সিটি মেয়র সাঈদ খোকন, পুলিশ প্রধান এ কে এম শহীদুল হক ও স্থানীয় সাংসদ । 
পুলিশ মহাপরিদর্শক এ কে এম শহীদুল হক বলেন, এই সম্প্রীতি ধ্বংস করার পাঁয়তারা চালানো হয়েছিল তা বিফল হয়েছে।
ঢাকা দক্ষিণ সিটি মেয়র সাঈদ খোকন বলেন, মৃত্যুভয় কখনো জীবনের আনন্দকে থামিয়ে দিতে পারে না আজকের এ জন্মাষ্টমীর অনুষ্ঠান তা আবার প্রমাণ করল।
তারা আরো আশা করেন, জঙ্গিবাদ মোকাবেলা করে ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে সবাই মিলে এগিয়ে নেবে দেশকে ।
শিল্পমন্ত্রী আমীর হোমেন আমু বলেন, যুগে যুগে বিভিন্ন জাতিতে বিভিন্ন ধর্মে শ্রীকৃষ্ণের মতো মহাপুরুষের আবির্ভাব হয়। তারা সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়ায়, অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ায় এবং দুষ্টকে দমন করে।
ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দির থেকে রাজধানীর বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে জন্মাষ্টমীর এই শোভাযাত্রা ।








