৫৫০ রানের অসম্ভব জয়ের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়েছে বাংলাদেশ।দ্বিতীয় ইনিংসে মধ্যাহ্নের বিরতির আগ পর্যন্ত বাংলাদেশের সংগ্রহ ৫ উইকেট হারিয়ে ১৩৪ রান।
মুমিনুল ৫৯ ও সৌম্য ১ রানে অপরাজিত আছেন।
এর আগে, তৃতীয় দিনের ১ উইকেটে ৬৩ রানের পর চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য ৪৮৭ লক্ষে ব্যাট করতে নামে বাংলাদেশ। ওপেনার তামিম ইকবাল ও মুমিনুল হক দুজনে স্কোর বোর্ডে ২৩ রান যোগ হতেই প্যাভিলিয়নের পথ ধরেন তামিম ইকবাল।
ইমরান খানের বলে উইকেটের পেছনে দাঁড়িয়ে থাকা সরফরাজ আহমেদের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন খুলনা টেস্টের এ ডাবল সেঞ্চুরিয়ান।
তামিমের বিদায়ে মাহামুদুল্লাহ ক্রিজে এলেও তিনি মুমিনুলকে বেশিক্ষণ সঙ্গ দিতে পারেননি। স্কোর বোর্ডে ৯ রান যোগ হতেই তাকেও ফেরান ইমরান খান। ইউনিস খানের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন তিনি।
ক্রিজে আসেন সাকিব আল হাসান। প্রথম ইনিংসে বুক চিতিয়ে লড়ে যাওয়া সাকিবও বেশিক্ষণ দাঁড়াতে পারেননি। ব্যাক্তিগত ১৩ রানে তিনিও প্যাভিলিয়নের পথ ধরেন। মোহাম্মদ হাফিজের বলে ওহাব রিয়াজের শিকারে পরিনত হন তিনি।
ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে বাংলাদেশ। বিপর্যয় সামাল দিতে মুমিনুলের সঙ্গী হন টাইগার দলপতি মুশফিকুর রহিম। তবে স্কোর বোর্ডে ৫ যোগ হতেই ইয়াসির শাহের বলে বোল্ড হয়ে ফেরেন মুশফিক।
মধ্যাহ্নের বিরতির আগ পর্যন্ত ব্যাট করছেন মুমিনুল হক ও সৌম্য সরকার।
পাকিস্তানের প্রথম ইনিংসে আজাহার আলির ডাবল সেঞ্চুরি ও ইউনিস খান এবং আসাদ শফিকের সেঞ্চুরিতে ৫৫৭ রান।
বাংলাদেশের পক্ষে সর্বোচ্চ উইকেট নেন তাইজুল ইসলাম।
বাংলাদেশ তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট শুরুতেই ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। তবে সাকিব আল হাসানের অপরাজিত ৮৯ রানের উপর ভর করে ২০০ রানের কোটা ডিঙ্গায়। সাকিব শেষ পর্যন্ত ৮৯ রানে অপরাজিত থাকেন।বাংলাদেশের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২০৩ রান।
পাকিস্তানের পক্ষে ৩টি করে উইকেট নেন ওহাব রিয়াজ ও ইয়াসির শাহ।
৩৫৪ রানের লিড পায় সফরকারীরা। দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ৬ উইকেট হারিয়ে পাকিস্তান সংগ্রহ করে ১৯৫ রান। সর্বোচ্চ ৮২ রান আসে মিজবাহ উল হকের ব্যাট থেকে।
স্বাগতিকদের হয়ে দুইটি উইকেট নেন মোহাম্মদ শহীদ। ৫৫০ রানের জয়ের লক্ষ্য দাঁড়ায় টিম টাইাগার্সের সামনে।






