মাঠে গড়ানোর আগেই অনেকগুলো কারণে ‘চ্যালেঞ্জ-ম্যাচ’-এর ‘তকমা’ লেগেছে বাংলাদেশ-সাউথ আফ্রিকার দ্বিতীয় টেস্ট ম্যাচে। বৃহস্পতিবার থেকে মিরপুরের শুরু হচ্ছে সিরিজ সমাপনী এ লড়াই।
বিশ্বের এক নম্বর দলের বিপক্ষে তাদের মতোই ‘অলআউট-ক্রিকেট’ খেলে চ্যালেঞ্জ জানাতে প্রস্তুত টিম-টাইগার্স। বিপরীতে প্রোটিয়াদের লক্ষ্য; যেকোন মূল্যে সিরিজটা নিজেদের দখলে নেওয়া।
শেষ টেস্টের ঠিক আগের দিন। শ্রাবণ মেঘের আনাগোনা কাটিয়ে ঝলমলে রোদ। মিরপুরের আকাশ চকচকে। পরিচিত ভেন্যু, টসটাও খুব বেশি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নয় বৃহস্পতিবার সকালে। যতটা জরুরী হোম অফ ক্রিকেটের উইকেটের আচরণ। বাউন্সি পিচই পাওয়ার কথা দুদলের শেষ টেস্টে।
অবশ্য উইকেটের আচরণের চেয়েও মহাগুরুত্বপূর্ণ প্রথম দিনের শুরুর সেশনটা। হোম অফ ক্রিকেটে প্রি-ম্যাচ প্রেস কনফারেন্সে ক্যাপ্টেন নিজেও জানিয়েছেন টেস্টের শুরুটা ভালো করাটা কতোটা চ্যালেঞ্জিং আর কি পরিমাণ সিরিয়াস তারা।
ছবি: রতন গোমেজ (বিসিবি)
মুশফিকের দলের সিরিয়াসনেসের কথা জানেন হাশিম আমলারাও। তবে শেষ সুযোগটা কাজে লাগাতে বাংরাদেশের চেয়েও কয়েকগুণ বেশি সিরিয়াস টিম প্রোটিয়া। বাউন্সি উইকেটের সুবিধা নিতে যেমন আছে স্টেইন-মরকেলদের প্রস্তুতি ব্যাট হাতে লড়াই ধরতে তৈরী কক, ডুমিনি, ডু প্লেসিসরা।
আমলার যেমন স্টেইন, মরকেলরা আছেন; মুশফিকের সেরা অস্ত্র মুস্তাফিজ এবং শহীদ। মুস্তাফিজের বিপদজনক কাটার, স্লোয়ারের সঙ্গে শহীদের সেরা ফর্ম। সিরিজ নিতে প্রোটিয়ারা যদি ‘অলআউট ক্রিকেটটা’ খেলে তবে সেটিকেই বাইশগজে চ্যালেঞ্জ জানাতে চান বাংলাদেশ ক্যাপ্টেন।
বৃষ্টিতে ড্র হওয়া চট্টগ্রাম টেস্টে বাংলাদেশের বেস্ট ইলেভেনই মিরপুরে থাকতে পারে অপরিবর্তিত। ওই ম্যাচের টাইগারদের ‘লড়াই করা পারফরমেন্স’ ধরে রাখাটাও আরেকটা চ্যালেঞ্জ।







