২০১৭ সালের ঘটনা। মায়ের প্রিয় ক্লাব লিভারপুলে খেলতে চেয়েছিলেন ফরাসি তারকা কাইলিয়ানে এমবাপে। লিভারপুল খুব একটা আগ্রহ না দেখালে প্রথমে ধারে পরের বছর ১৫০ মিলিয়নে পিএসজির সাথে চুক্তিতে যায় এমবাপে। এরপর কেবলই এমবাপের উত্থান দেখেছে ফুটবল বিশ্ব।
বর্তমান সময়ের আলোড়ন তোলা ফুটবলার এমবাপে। তাকে দলে টানতে আগ্রহের কমতি ছিল না জায়ান্ট ক্লাব গুলোর। দৌড়ে সবার থেকে এগিয়ে থেকেও হোঁচট খেয়ে এমবাপেকে হারিয়েছে রিয়াল। অনেকের দাবি পিএসজির টাকার কাছে নতি স্বীকার করেছেন ২৩ বছর বয়সি এই খোলোয়াড়। তবে এমবাপে বলছেন ভিন্ন কথা। টাকার ব্যাপারে কোনো কথায় বলেননি রিয়াল ও পিএসজি সভাপতি ফ্লোরিন্তিনো পেরেজ ও নাসের আল-খেলাইফির সাথে।
‘আমি সবসময় ফুটবল, শিরোপা, গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ নিয়ে কথা বলেছি, টাকা নিয়ে কখনও কথা বলিনি। মানুষ যা খুশি বলতে পারে। আমি রিয়াল মাদ্রিদের সবার সাথে কথা বলেছি, পিএসজির সাথেও কথা বলেছি। কখনোই ফ্লোরেন্তিনো পেরেজের বা নাসের আল-খেলাইফির সাথে অর্থ নিয়ে কথা বলিনি। আমার উকিল টাকা নিয়ে একটু কথা বলেছিল। আমি ফুটবল নিয়ে কথা বলি কারণ আমাকে মাঠে খেলতে হবে। টাকা আমার অ্যাকাউন্টে যায়, আমি একটু তাকাই কিন্তু আমি পাত্তা দিই না। আমি এখানে খেতাব জিততে এসেছি।’
গত মৌসুমেও এমবাপেকে লস ব্লাঙ্কোসে যুক্ত করতে চেয়েছিল রিয়াল। চড়া মূলে এমবাপেকে না কিনে বরং পিএসজির সাথে চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ার অপেক্ষায় ছিল রিয়াল। ভেবেছিলেন ফ্রি এজেন্ট হলে রিয়ালের ইতিহাস ও শিরোপায় ভুলিয়ে তরুণ এমবাপেকে দলে টানবে স্প্যানিশ জায়ান্ট ক্লাবটি। তবে এ মৌসুমে তাকে প্যারিসে রাখতে কোথাও ঘাটতি রাখেনি খেলাইফি। এমবাপের সাথে কথা চালাচালি করেছিল লিভারপুলও।
‘আমরা একটু কথা বলেছি, কিন্তু খুব বেশি না। লিভারপুলের সাথে কথা বলেছি কারণ এটি আমার মায়ের প্রিয় ক্লাব, আমার মা লিভারপুলকে ভালবাসেন। কেন ভালোবাসেন তা জানি না। পাঁচ বছর আগে মোনাকো থেকে পিএসজিতে যোগ দেওয়ার পূর্বে তাদের সাথে দেখা করেছি। তবে শেষ পর্যন্ত রিয়াল মাদ্রিদ এবং পিএসজির মধ্যে ছিল। সবাই জানে আমি গত বছর রিয়াল মাদ্রিদে চলে যেতে চেয়েছিলাম। পিএসজিতে আমার জন্য কিছু শেষ হয়ে যায়নি।’







