আদালত কর্তৃক অবৈধ ঘোষিত ২০১২ সালের সংশোধিত গঠনতন্ত্রে মাত্র একটি পরিবর্তন এনে ‘বিসিবি গঠনতন্ত্র (সংশোধিত-২০১৭)’ অনুমোদন দেওয়া হয়েছে বোর্ডের বিশেষ সাধারণ সভায় (ইজিএম)। ২০০৮ সাল থেকে বিসিবির যত এজিএম ও ইজিএম হয়েছে তার সবকিছুই অন্তর্ভুক্ত করায় বিসিবি মনে করছে গঠনতন্ত্রে আর ফাঁক-ফোঁকর খুঁজে পাবে না কোনও পক্ষই।
সোমবার রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত এজিএম ও ইজিএম শেষে বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন গঠাতন্ত্র অনুমোদ প্রসঙ্গে আলোকপাত করেন, ‘২০০৮ থেকে এ পর্যন্ত যা যা আছে, যতগুলো এজিএম, ইজিএম আছে, সবগুলোকেই আমরা এখানে অন্তর্ভুক্ত করে অনুমোদন দিয়েছি। সবশেষে যেটা করেছি, ২০১২তে (সংশোধিত গঠনতন্ত্র) যে পরিবর্তনগুলো ছিল ওটাই অনুমোদন দিয়েছি। ওখানে তেমন কোনও পরিবর্তন আমরা আনিনি। আনলে মাঝখানে একটা গ্যাপ খুঁজে পাবে কেউ না কেউ। তারা তো সবসময় ফাঁক-ফোঁকর খুঁজে বেড়াচ্ছে। তখন বলবে, ওগুলোর (২০০৮ সালের গঠনতন্ত্র) কী হল, ওগুলো তো অনুমোদন হয়নি এজিএম বা ইজিএমে।’
বিসিরিব কাউন্সিলরশিপে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের (এনএসসি) কোটা তিনটি থেকে দুটিতে নামিয়ে আনা হয়েছে, সংশোধিত গঠনতন্ত্রে পরিবর্তন কেবল এটিই। নাজমুল হাসান জানালেন, ভবিষ্যতে এনএসসির কোটা নাও থাকতে পারে।
‘পরিবর্তন তেমন কিছু আসেনি। পুরোপুরি একই, ২০১২তে যেটা ছিল। আদালত এনএসসির কর্তৃত্ব কমানোর কথা বলেছে। যদিও আমরা মনে করি এনএসসির সঙ্গে আমাদের কোনও দ্বন্দ্ব নেই বা সৃষ্টি হয়নি, যেখানে এনএসসির জন্য কাজ করতে সমস্যা আছে। এনএসসির তিনটি কোটা ছিল। কমিয়ে দিয়ে তিন থেকে দুই করা হয়েছে। ভবিষ্যতে সেটিও নাও থাকতে পারে।’
বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) ও বিশেষ সাধারণ সভায় (ইজিএম) অংশ নেননি বিসিবির সাবেক সভাপতি সাবের হোসেন চৌধুরীসহ ৩৭জন কাউন্সিলর। সারা দেশের ১৭০ কাউন্সিলরের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ১৩৩ জন।







