অবৈধভাবে বাংলাদেশে থেকে মালয়েশিয়া যাওয়ার পথে কক্সবাজারের টেকনাফ ও সেন্টমার্টিন থেকে ১৩ জনকে উদ্ধার করেছে বিজিবি এবং কোষ্টর্গাড। এরমধে টেকনাফের শাহ পরীর দ্বীপ জেটিঘাট এলাকা থেকে বিজিবি’র অভিযানে ৬ জন এবং সেন্টমার্টিনের ছেড়া দ্বীপ এলাকা থেকে ৭ জনকে উদ্ধার করা হয়।
বিজিবির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, রোববার রাত ১১ টায় এ অভিযান চালানো হয়। ৪২ বর্ডার গার্ড ব্যাটিলিয়ন এর অধিনায়ক মো. আবুজার আল জাহিদ জানান, বাংলাদেশী গরু ব্যবসায়ীদের একটি নৌকা মিয়ানমারের আকিয়াব বন্দর থেকে আসা ট্রলার থেকে ওই ৬ জন বাংলাদেশী নাগরিককে উদ্ধার করা হয়।
তিনি বলেন, কয়েকদিন আগে কক্সবাজার মহেশখালী এলাকা থেকে সাগরপথে মালয়েশিয়া পাচারের উদ্দেশ্যে দালাল চক্রের সদস্যরা তাদেরকে ফিশিং বোটে করে সাগরে নিয়ে যায়।এরপর দালালরা মিয়ানমার সীমান্তে মেরুল্লার চরে ফেলে রেখে যায়।
উদ্ধারকৃতরা হলেন, নরসিংদীর মো. শাহীন মিয়া (৪২), মো. জাহিদুর ইসলাম (৩০), জয়পুরহাটের মো. জসিম উদ্দিন (১৯), পাবনার মো. শহিদুল ইসলাম (২০), চট্টগ্রামের মো. ফারুক হোসেন (২৭) ও মো. মোছা (১৯)। তাদেরকে টেকনাফ থানায় রাখা হয়েছে।
সোমবার কোষ্টগার্ডের টেকনাফ ষ্টেশন ইনর্চাজ লেঃ কমান্ডার সাঈদ হোসেন চৌধুরী জানান, রোববার দিবাগত রাতে মিয়ানমারের একটি জেলে নৌকা থেকে কোষ্টগার্ডের সেন্টমার্টিন ক্যাম্পের একটি টিম ৭ জন বাংলাদেশীকে উদ্ধার করে।
এরা হলেন, জয়পুরহাটের শাহাদত সরকার (৩৫), ঝিনাইদহের আলা উদ্দিন শেখ (২৮), মামুন মোল্লা (১৯), জসিম মুন্সি (৩৫), সিরাজগঞ্জের ইদ্রিস আলী (২০), ইসমাঈল (২২) ও ইমরান আলী (২২)।
উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিরা কোষ্টগার্ডকে জানিয়েছেন, সাগরে থাকা মালয়েশিয়াগামী ট্রলার থেকে দালালরা তাদের ৭ জনকে সাগরে ফেলে দেয়। এরপর মিয়ানমারের জেলেরা তাদের উদ্ধার করে বাংলাদেশর জলসীমায় এসে কোষ্টর্গাড এর কাছে তুলে দেন।







