প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, দেশকে অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করতে সব শ্রেণি-পেশার মানুষের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন জরুরি। পাশাপাশি তাদের শিক্ষাও নিশ্চিত করতে হবে।
রোববার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের শাপলা হলে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর শিক্ষার্থীদের মধ্যে বৃত্তি প্রদান অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন তিনি।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে শেখ হাসিনা বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুর লক্ষ্য ছিলো সামগ্রিকভাবে দেশের উন্নয়ন করা। সেই লক্ষ্য পূরণের উদ্দেশ্যে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এসে ’৯৬-তে শান্তিচুক্তি করেছে। এর অধীনে অস্ত্রসমর্পণও হয়েছে।’
‘শান্তিচুক্তির ৮০ থেকে ৯০ শতাংশ ইতোমধ্যে বাস্তবায়ন করা হয়েছে। এছাড়াও পার্বত্য চট্টগ্রামের জন্য আলাদা মন্ত্রণালয়, আঞ্চলিক পরিষদ গঠন করা হয়েছে। বিভিন্ন ধরণের উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড ও অর্থনৈতিক কর্মসূচি হাতে নিয়েছে সরকার, যার বেশকিছু বাস্তবায়িত হয়েছে।’
তিনি বলেন, ‘আমরা ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী ও সব অবহেলিত জনগোষ্ঠীর উন্নয়ন করতে চাই। সবার উন্নয়ন সমানভাবে চাই।’
এ ব্যাপারে একদিকে তৃতীয় লিঙ্গের জনগোষ্ঠীকে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি দেয়ারও কথা উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী।
পার্বত্য চট্টগ্রাম এলাকায় মেডিকেল কলেজ, আবাসিক স্কুল স্থাপনের কথা জানিয়ে তিনি বলেন, ‘রাঙ্গামাটিতে একটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় এবং আরো বেশি স্কুল স্থাপনের পরিকল্পনাও রয়েছে।’
শেখ হাসিনা বলেন, গরীব মেধাবী শিক্ষার্থীদের শিক্ষার উন্নয়নে বর্তমান সরকার শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্ট ফান্ড গঠন করেছে, ব্যাচেলর ডিগ্রি পর্যন্ত শিক্ষাবৃত্তির ব্যবস্থা করেছে যা অন্য কোনো সরকার এর আগে করেনি।
শিক্ষার্থীদের মন দিয়ে পড়াশোনা করে নিজেকে উচ্চশিক্ষা এবং উপযুক্ত পেশার জন্য তৈরি করতে পরামর্শ দিয়ে তিনি বলেন, ‘নিজ নিজ পেশাকে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির ব্যবহারে আধুনিক করতে হবে। নিজস্ব ঐতিহ্য এবং স্বকীয়তাকে ধরে রেখে সময়ের সঙ্গে আধুনিক ও উন্নত করতে হবে।’
প্রধানমন্ত্রীর মূখ্য সচিব আবুল কালাম আজাদের সভাপতিত্বে ওই অনুষ্ঠানে বিভিন্ন নৃ-গোষ্ঠীর শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও অভিভাবক উপস্থিত ছিলেন।






