নেপালে দুর্ঘটনায় পতিত ইউএস বাংলা এয়ারলাইন্সের উড়োজাহাজ থেকে বেঁচে ফেরাদের একজন নেপালী নাগরিক বসন্ত বহরা। অবতরণের আগে উড়োজাহাজটি অস্বাভাবিক আচরণ করছিল বলে জানিয়েছেন তিনি।
রাসিতা ইন্টারন্যাশনাল ট্রাভেলস এন্ড ট্যুরসের একজন কর্মী তিনি। উড়োজাহাজের জানালা ভেঙ্গে বেরিয়ে আসা বহরা ‘ভাগ্যবান’ ভাবছেন নিজেকে।
দুর্ঘটনায় অন্তত ৪২ জন যাত্রী মারা গেছেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। আহত অবস্থায় ২৫ জনকে উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন নেপালের পর্যটন মন্ত্রণালয়ের জয়েন্ট সেক্রেটারি সুরেশ আচার্য।
সোমবার দুপুর তিনটার দিকে উড়োজাহাজটি নেপালের কাঠমান্ডুর ত্রিভূবন এয়ারপোর্টের কাছাকাছি এ দুর্ঘটনা ঘটে। বিমানটি ঢাকা থেকে ছেড়ে গিয়ে দুপুর ২টা ২০ মিনিটে নেপালে অবতরণ করার সময়েই দুর্ঘটনার শিকার হয়।
বহরা বলেন, উড়োজাহাজে বিভিন্ন ট্রাভেল অ্যাজেন্সির ১৬ জন নেপালি ছিলেন। আমরা প্রশিক্ষণের জন্য বাংলাদেশে গিয়েছিলাম।
বহরা বলেন, ঢাকা থেকে উড্ডয়নটা স্বাভাবিক ছিলো। কিন্তু অবতরণের জন্য কাঠমুন্ডুতে ত্রিভূবন এয়ারপোর্টে পৌঁছালে তা অস্বাভাবিক আচরণ করছিলো।
“হঠাৎ করেই বিমানটি ভয়ানকভাবে কাঁপছিলো এবং এর কিছুক্ষণ পরেই বিকট সংঘর্ষ হয়। আমি জানালার কাছে বসেছিলাম। জানালা ভেঙ্গে বাইরে বেরিয়ে আসতে সক্ষম হই।”
থিপাথালি ভিত্তিক নর্ভিক হাসপাতালে এখন চিকিৎসাধীন রয়েছেন বসন্ত বহরা। তিনি আরও বলেন, উড়োজাহাজ থেকে বেরিয়ে আসার পর আমার জ্ঞান ছিলো না। কেউ একজন আমাকে সিনামঙ্গল হাসপাতালে নিয়ে যায়। পরে আমার বন্ধুরা আমাকে নর্ভিকে নিয়ে আসে।
“মাথায় ও পায়ে আঘাত পেয়েছি আমি। আমি ভাগ্যবান যে এই ভয়াবহ পরিস্থিতি থেকে বেঁচে ফিরতে পেরেছি।”








