সিলেট থেকে: ডেলপোর্ট, লুইসদের একেকটি ছক্কা আছড়ে পড়ছে গ্যালারিতে, সমানতালে উৎসবের নাচন দর্শকদের মাঝে। বিপিএলে মারকাটারি ব্যাটিংয়ের বিজ্ঞাপন দেখিয়ে সিলেটের দর্শকদের মন জয় করে নিয়েছে ঢাকা ডায়নামাইটস। সেই সঙ্গে জিতেছে ম্যাচও। ব্যাটিংয়ের পর ঢাকার দুর্দান্ত বোলিংও উপভোগ করেছেন দর্শকরা। তাতে ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়নরা ম্যাচ একপেশে বানিয়ে খুলনা টাইটান্সকে হারিয়েছে ৬৫ রানে।
বিপিএলের পঞ্চম আসরে নিজেদের প্রথম ম্যাচেই বড় চ্যালেঞ্জের সামনে পড়েছে মাহমুদউল্লাহর খুলনা। ২০৩ রান তাড়া করতে নেমে ২ ওভার আগেই গুটিয়ে গেছে ১৩৭ রানে।
নতুন ভেন্যুতে ফ্লাডলাইটের আলোয় সাকিব আল হাসান, আবু হায়দার রনি, সুনিল নারিন, খালিদ আহমেদের বোলিংয়ের সামনে অসহায় হয়ে পড়ে খুলনার ব্যাটসম্যানরা। দারুণ বোলিং করেন ঢাকার বাঁহাতি পেসার আবু হায়দার রনি। ৩ ওভারে ১৩ রান দিয়ে নেন ৩ উইকেট।
কিছুটা লড়াই করেছেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের দুই ব্যাটসম্যান জফরা আর্চার (৩৬) ও চ্যাডউইক ওয়ালটন (৩০)।
শুরুতে আগের দিন সিলেটের বিপক্ষে বড় সংগ্রহ গড়তে না পারার মাশুল দেয়া ঢাকা একদিন বাদেই দেখা দেয় অন্য রূপে। এভিন লুইস ও ক্যামেরন ডেলপোর্টের ঝড়ো ফিফটিতে ৭ উইকেট হারিয়ে ২০২ রান তোলে দলটি।
কুমার সাঙ্গাকারাকে (২০, ২চার ও এক ছয়) নিয়ে ৪ ওভারেই ৩৬ রানের উদ্বোধনী শুরু এনেছিলেন লুইস। ডেলপোর্টকে সঙ্গী করে পরের জুটিটা ১১৬ রানে টেনে নেন এই ক্যারিবিয়ান। ১৩তম ওভারের শেষ বলে ফেরার সময় তার নামের পাশে ৬৬ রানের ইনিংস। ৭ চার ও ৩ ছয়ে ৪০ বলে সাজানো।
ডেলপোর্ট পরে বেশিক্ষণ টেকেননি। তবে কাজের কাজটা করে দিয়ে গেছেন। ৪ চার ও ৫ ছয়ে ৩১ বলে ৬৪ রানের ঝড় তুলে।
শেষদিকে কাইরন পোলার্ড ৫, সাকিব আল হাসান ১ ঝড় তুলতে ব্যর্থ হলেও সুনিল নারিনের ১১ বলে ১৬, মোসাদ্দেক হোসেনের অপরাজিত ১০ রানে দুইশ পেরিয়ে যায় ঢাকা।
আগে বিপিএলে দুইশর উপর আরও সাতটি সংগ্রহ দেখা গেছে। যার সর্বোচ্চটি ঢাকারই, ২১৭/৪; রংপুর রাইডার্সের বিপক্ষে ২০১৩ সালে। তখন অবশ্য দলটির নাম ছিল ঢাকা গ্ল্যাডিয়েটর্স। সেই দলটির আরও তিনটি সংগ্রহ আছে দুইশর উপর। তবে ঢাকা ডায়নামাইটস নাম নেয়ার পর এটাই প্রথম দুইশর স্কোর। আর দুই আসর পর দুইশ বা তার বেশি রানের সংগ্রহ দেখল বিপিএল।








