বাদ যোহর নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁওয়ে নামাজে জানাযা শেষে দাফন করা হয় পারভীন সুলতানা দিতির লাশ। এর আগে এফডিসিতে তার নামাজে জানাযা অনুষ্ঠিত হয়।
ব্রেইন টিউমারে আক্রান্ত দিতিকে গত বছরের ৮ জানুয়ারি ভারতের চেন্নাইয়ে চিকিৎসার পর আর কোনো উন্নতি না হওয়ায় দেশে ফিরিয়ে এনে রাজধানীর ইউনাটেড হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। রোববার সকালে দিতির শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে নেয়া হয় জরুরি বিভাগে।
বিকেল ৪টা ৫ মিনিটে দিতিকে মৃত ঘোষণা করেন কর্তব্যরত চিকিৎসকরা। গুলশান আজাদ মসজিদে দিতির প্রথম নামাজে জানাযা অনুষ্ঠিত হয়। শুক্রবার বাদ জুম্মা নারায়ণগঞ্জে তার কুলখানি হবে।
দীর্ঘদিন ভারতের চেন্নাইয়ের এমআইওটি হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়ে দেশে ফিরেন দিতি। এরই মধ্যে একাধিবার তার মৃত্যুর গুজব ছড়িয়ে পড়ে।
পারভীন সুলতানা দিতি ১৯৬৫ সালের ৩১ মার্চ জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৮৪ সালে নতুন মুখের সন্ধানের মাধ্যমে দেশীয় চলচ্চিত্রে দিতির সম্পৃক্ততা ঘটে। তার অভিনীত প্রথম চলচ্চিত্র উদয়ন চৌধুরী পরিচালিত ‘ডাক দিয়ে যাই’। কিন্তু ছবিটি শেষ পর্যন্ত মুক্তি পায়নি। দিতি অভিনীত মুক্তিপ্রাপ্ত প্রথম চলচ্চিত্র ছিল ‘আমিই ওস্তাদ’। ছবিটি পরিচালনা করেছিলেন আজমল হুদা মিঠু।
এরপর দিতি প্রায় দুই শতাধিক ছবিতে কাজ করেছেন। সুভাষ দত্ত পরিচালিত ‘স্বামী স্ত্রী’ছবিতে দিতি আলমগীরের স্ত্রীর চরিত্রে অভিনয় করেন। এই ছবিতেই অভিনয় করে দিতি প্রথমবারের মতো জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার অর্জন করেন।
শতাধিক ছবির মধ্যে দিতির উল্লেখযোগ্য সিনেমা হীরামতি, দুই জীবন, ভাই বন্ধু, স্নেহের প্রতিদান, শেষ উপহার, অপরাধী, কাল সকালে, মেঘের কোলে রোদ, আকাশ ছোঁয়া ভালোবাসা পূর্ণদৈর্ঘ্য প্রেম কাহিনী, হৃদয় ভাঙ্গা ঢেউ, নয় নম্বর বিপদ সংকেত ইত্যাদি।
দিতির সর্বশেষ ছবি সুইট হার্ট মুক্তি পায় এ বছরের ফেব্রুয়ারিতে।







