২০২১ সালের মধ্যে ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত ডিজিটাল বাংলাদেশ গঠনের লক্ষ্যে পল্লী দারিদ্র্য বিমোচন ফাউন্ডেশন (পিডিবিএফ) এ প্রকল্পের আওতায় ১৫৫ জন কর্মকর্তা ও কর্মচারীর মধ্যে ট্যাব বিবরণ করেন রংপুর বিভাগের বিভাগীয় কমিশনার জনাব কাজী হাসান আহমেদ।
অনলাইনে প্রকল্পের সুফলভোগী সদস্যদের সেবা নিশ্চিত করার জন্য প্রকল্পের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের মধ্যে সক্ষমতা ও দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য মঙ্গলবার এ ট্যাব বিতরণ করা হয়।
বিভাগীয় কমিশনার বলেন, ট্যাব গ্রহণের ফলে কর্মকর্তা ও কর্মচারীর দায়িত্ববোধ আজ থেকে আরো বৃদ্ধি পাবে এবং তাদের কাজের গতিশীলতা ও স্বচ্ছতা বৃদ্ধি পাবে। এসডিজি এর সফল বাস্তবায়নের জন্য সকল জনগণকে একযোগে কাজ করতে হবে বলে সভায় জানান। প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে বলেন বাংলাদেশের সবচেয়ে ১০টি দারিদ্র্য প্রবন জেলার মধ্যে রংপুর বিভাগের ০৫টি জেলা। তাদের জীবনমানের উন্নয়নের জন্য কাজ করছে পিডিবিএফ সম্প্রসারণ প্রকল্প।
বিশেষ অতিথি জনাব মোঃ আমিনুল হক বলেন গ্রামীণ জনগোষ্ঠির দারিদ্র্য বিমোচন, আত্মকর্মস্থান সৃষ্টি, আয়বর্ধনমূলক কর্মকান্ড ও আর্থ-সামাজিক অবস্থার উন্নয়নে পিডিবিএফ নিরলস ভাবে কাজ করছে। এই ধারাবাহিকতা অবহিত রাখতে এবং ডিজিটাল পিডিবিফ গড়তে এই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে।
প্রকল্প পরিচালক ড. মোঃ মনারুল ইসলাম বলেন, ২০১৮ সালের মধ্যে বাংলাদেশের গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর জন্য নিয়মিতভাবে সঞ্চয় সংগ্রহ এবং ঋণ বিতরণের মাধ্যমে সুফলভোগীদের অর্থনৈতিক কর্মকান্ডের সুযোগ সৃষ্টি, প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষতা বৃদ্ধি, ক্ষুদ্র ঋণ ও ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা ঋণ সহায়তার মাধ্যমে উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি, বিভিন্ন আয় বৃদ্ধিমূলক প্রশিক্ষণের দ্বারা সুফলভোগীদের দক্ষতা উন্নয়ন ও সক্ষমতা বৃদ্ধির মাধ্যমে আত্ম-কর্মসংস্থান সৃষ্টি, সামাজিক উন্নয়নমূলক প্রশিক্ষণের দ্বারা সুফলভোগীদের সচেতনতা বৃদ্ধি এবং নারীর ক্ষমতায়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টির জন্য বাংলাদেশের ২০টি জেলার ১০০টি উপজেলায় প্রায় ১০ লক্ষ জনগোষ্ঠীর চরম দারিদ্র নিরসন, জীবনযাত্রার মানোন্নয়ন, আয় বৃদ্ধি এবং খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরনের লক্ষ্যে প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হচেছ।
উপ-পরিচালক মিসেস জুলিয়াত আরা তার বক্তব্যে জানান, রংপুর, নীলফামরী, লালমনিরহাট, কুড়িগ্রাম ও গাইবান্ধা জেলার মোট ২২ টি উপজেলায় প্রান্তিক পর্যায়ে মোট ১ হাজার ২ শত ৬৬ টি সমিতি মাধ্যমে ৩৬ হাজার ১শত ৩২ জন সদস্যের মাঝে ১২৩ কোটি ৩৬ লক্ষ ৪০ হাজার টাকা এবং ৩ হাজার ৭৭৪ জন ক্ষুদ্র উদ্যোক্তার মাঝে ৪০ কোটি ৯১ লক্ষ টাকা ঋণ বিতরণ করা হয়েছে।
এছাড়াও তারা স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় এর অধীনে সহায়ক প্রতিষ্ঠান হিসেবে গ্রামীণ জনগোষ্ঠির দারিদ্র্য বিমোচন, আত্মকর্মস্থান সৃষ্টি, আয়বর্ধনমূলক কর্মকান্ড ও আর্থ-সামাজিক অবস্থার উন্নয়নে কাজ করছে। ঋণ সহায়তা ও পুঁজি গঠন ছাড়াও নারী উন্নয়ন এবং সুফলভোগী সদস্যদের দক্ষতা উন্নয়ন ও আয় বৃদ্ধিমূলক এবং সামাজিক উন্নয়ন ও সচেতনতা বৃদ্ধিমূলক প্রশিক্ষণ প্রদান করে আসছে।







