সন্ত্রাসবাদ দমন এবং যুদ্ধাপরাধীদের বিচার প্রশ্নে অতীতের মতো ভবিষ্যতেও চীন সরকার এবং চীনা কমিউনিস্ট পার্টি বাংলাদেশ এবং আওয়ামী লীগের পক্ষে থাকবে বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম।
বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ এবং চীন কমিউনিস্ট পার্টির দ্বিপক্ষীয় স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয় নিয়ে রাজধানীতে চীনা কমিউনিস্ট পার্টির প্রতিনিধি দলের সঙ্গে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকের বৈঠক।
১৯৫৬ সালে সে সময়ের আওয়ামী লীগ সভাপতি মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী এবং সাধারণ সম্পাদক শেখ মুজিবুর রহমানের চীন সফরের মধ্য দিয়ে চীনা কমিউনিস্ট পার্টির সঙ্গে আওয়ামী লীগের সম্পর্কের শুরু। সে সম্পর্ক আরো সুদৃঢ় হবে বলে আশা প্রকাশ করা হয় বৈঠকে।
সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম বলেন, আজকেও আমরা আলোচনা করেছি, চীনের সঙ্গে আমাদের সকল ক্ষেত্রেই সম্পর্ক আরো দৃঢ় হবে। সন্ত্রাসবাদ দমন যুদ্ধাপরাধীর বিচারের ইস্যুতে চীন সবসময় পাশে ছিলো, এখনও আছে।
বাণিজ্য সম্প্রসারণ, সাংস্কৃতিক বিনিময় এবং দু’দেশের স্বার্থসংশ্লিষ্ট নানা বিষয়ে নিয়ে বাংলাদেশ সরকারের আমন্ত্রণে চীনা প্রেসিডেন্ট বাংলাদেশ সফরে আসবেন বলে জানান আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক।






