প্রথমবারের মতো বাংলাদেশ সফর করছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তাঁর ৩৬ ঘন্টার এই উপলক্ষে রঙিন সাজে সেজেছে রাজধানী ঢাকা। নগরীর বিভিন্ন পয়েন্টে-পয়েন্টে শোভা পেয়েছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ছবি।
মোদির বাংলাদেশ সফর নিয়ে বেশ হুঁশিয়ার বাংলাদেশ ও ভারতের গণমাধ্যমগুলো। বাংলাদেশ সফরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির খাবারের তালিকা নিয়ে কলকতার একটি প্রত্রিকা সংবাদ প্রকাশ করেছে। সেখানে বলা হয়েছে, “মোদি’র নিরাপত্তাসহ খাওয়া-দাওয়া সবকিছুতে প্রস্তুত বাংলাদেশ।”
বাঙালি ‘মাছ-ভাতে’ অভ্যস্ত হলেও এই সফরে মাছ ছোঁবেন না ভারতের প্রধানমন্ত্রী। এমনকি ঢাকার বিখ্যাত কাচ্চি বিরিয়ানি কিংবা মাংসের কোনো খাবারই তিনি খাবেন না বলে জানা গেছে। তবে নিরামিষভোজী নরেন্দ্র মোদির কথা চিন্তা করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গণভবনে চলছে এলাহি সব নিরামিষ খাবারের আইটেম। একশো রকমের নিরামিষ দিয়ে সাজানো হয়েছে মোদি’র খাবার মেনু।
শেখ হাসিনা সরকারের বিশেষ অতিথির জন্য খাবারের তালিকায় রয়েছে অতিথির প্রিয় খাবার খিচুড়ি। যেটি রান্না করা হবে মসুরের ডাল ও নানা সবজি দিয়ে। এর সঙ্গে থাকবে নানা স্বাদের ডালনা। সর্ষে বাটা দিয়ে সজনে ডাটা, আমের চাটনিও থাকবে নানান পদের ও স্বাদের। থাকবে মোদির প্রিয় খাবার ভিন্ডি কড়ি অর্থাৎ ঢেড়শ আর দুধ দিয়ে তৈরি একটি পদ।
মোদি জন্য তাঁর এলাকা গুজরাটের খাবার থাকবে না তা কি হয় । মোদি’র গুজরাটের পছন্দের খাবার সাদা খাট্টা, ধোকলাও থাকছে মেনুতে। এসবের সঙ্গে থাকছে মৌসুমী রসালো সব ফল। আর অবশ্যই থাকছে বাংলাদেশের বিখ্যাত সব পিঠা, ক্ষীর, পায়েস এবং বিভিন্ন প্রকার সন্দেশ।
এর আগে সার্ক শীর্ষ সম্মেলনে সাংবাদিকরা মোদিকে খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে প্রশ্ন করেছিলেন, তিনি কি খেতে পছন্দ করেন। নরেন্দ্র মোদি বলেছিলেন, খিচুড়ি তার সবচেয়ে প্রিয় খাবার এছাড়া যেকোনো সবজি খেতে তার ভালো লাগে।






