সম্মিলিত সামাজিক আন্দোলনের সভাপতি এবং সাম্প্রদায়িকতা ও জঙ্গিবাদবিরোধী মঞ্চের সমন্বয়ক কমরেড অজয় রায়কে শেষ শ্রদ্ধা জানিয়েছেন রাজনীতিবিদ, সাংস্কৃতিক অঙ্গনের বিশিষ্টজনসহ সর্বস্তরে মানুষ।
তার শেষ ইচ্ছা অনুযায়ী কিশোরগঞ্জের কটিয়াদিতে নিজ গ্রামে সমাহিত হবেন বর্ষীয়ান এই রাজনীতিবিদ।
এদেশের মুক্তিকামী শোষিত মানুষের আদর্শের বাতিঘর, কমরেড অজয় রায়। বুধবার সকাল ১০টায় বারডেমের হিমঘর থেকে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে সর্বস্তরের মানুষের শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য নিয়ে আসা হয় গণতান্ত্রিক আন্দোলনের এই পুরোধাব্যক্তিত্বকে।
গত শতক থেকেই ব্রিটিশবিরোধী, স্বাধীকার আন্দোলন ছাড়াও মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক অজয় রায় আমৃত্যু লড়ে গেছেন সাম্প্রদায়িকতা ও জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে-তার স্বরণে এমনটাই বলেন বিশিষ্টজনরা।
তাকে শ্রদ্ধা জানাতে শহীদ মিনারে আসেন তার ছেলে অমিতাভ রায় এবং মেয়ে অনিন্দিতা রায়। এসেছিলেন সংস্কৃতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর, রাজনীতিবিদ পঙ্কজ ভট্টাচার্য, শিক্ষাবিদ ডক্টর সৈয়দ আনোয়ার হোসেন, মানবাধিকারকর্মী এ্যাডভোকেট সুলতানা কামাল প্রমূখ।
দাহ নয়, শেষ ইচ্ছা অনুযাযী চিরনিদ্রায় শায়িত হতে সর্বশেষ শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সকাল ১১টায় কিশোরগঞ্জের কটিয়াদীর পথে পাড়ি জমান ৮৮বছর বয়সী প্রবীণ এ রাজনীতিক।







