চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

৯৯ দিনের মাথায় শুটিংয়ে ফিরে ‘নার্ভাস’ নাবিলা

ঠিক ৯৯ দিনের মাথায় শুটিংয়ে ফিরলেন অভিনেত্রী নাবিলা ইসলাম। শরাফ আহমেদ জীবনের পরিচালনায় বাংলালিংকের বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে তিনি কাজে ফিরেছেন।

চ্যানেল আই অনলাইনের সঙ্গে আলাপে নাবিলা বলেন, করোনায় লকডাউনের কারণে ৯৮ দিন ঘরবন্দি ছিলাম। ৯৯ দিনের মাথায় শুটিংয়ে ফিরে খুব নার্ভাস ছিলাম। এর আগে একেবারে ঘর থেকে বের হইনি। রাস্তায় মানুষ, গাড়ি দেখে এবং শুটিংয়ে ক্যামেরার সামনে এসে সত্যি একটু নার্ভাস লাগছিল। বুঝলাম সবকিছু কাটিয়ে উঠতে আমার আরও সময় লাগবে।

নাটকে নিয়মিত নাবিলাকে বিজ্ঞাপনে দেখা  যায় কম। এর আগে শরাফ আহমেদ জীবনের নির্দেশনায় আরও তিনটি বিজ্ঞাপনে কাজ করেছেন এ অভিনেত্রী। নতুন করে এবার মুঠোফোন সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের কাজ করলেন নাবিলা। টিভিসি’র শুটিং হয় বড় আয়োজনে। শুটিংয়ে মানুষ গিজগিজ করে।

তবে করোনার মধ্যে শুটিং প্রসঙ্গে নাবিলা বলেন, শুটিংয়ে মাস্ক, হ্যান্ড গ্লাভস বাধ্যতামূলক ছিল। অনেকে পিপিই পরে কাজ করেছেন। আমিও নিরাপদে শুটিং করেছি। এবারই প্রথম মুঠোফোন সেবাদানকারী কোম্পানির সঙ্গে কাজ করলাম। গল্পের ধারণা দিতে চাইনা। তাহলে মজাটাই চলে যাবে। শিগগির বিজ্ঞাপনটি প্রচারে আসবে।

জুনের শুরু থেকে অনেক শিল্পী নাটকের শুটিং শুরু করলেও নাবিলা কোনো নাটকে কাজ করেননি। জানালেন, তার ইচ্ছে আছে শিগগির কাজের মাধ্যমে তিনি নিয়মিত আবার শুটিং শুরু করবেন। নাবিলা বললেন, একটি সিরিয়ালসহ কয়েকটি এক ঘণ্টার নাটকের শিডিউল দিয়েছি। ওই কাজগুলো করবো। করোনার মধ্যে শুটিংয়ে বেশি ব্যস্ত থাকার ইচ্ছে নেই। যা করবো বুঝেশুনে।

লকডাউনে ঘরবন্দী থেকে নাবিলা জানান তার উপলব্ধির কথা। বলেন, যেকোনো রোগ এলে সাথে সাথে চলে যায় না। করোনা যেহেতু সবখানেই ছড়িয়ে পড়েছে এবং এর কোনো প্রতিষেধক নেই, এটা নিয়েই আমাদের সুরক্ষা মেনে চলতে হবে। এটাই ‘নিউ নরমাল লাইফ’।

নাবিলা আরও বলেন, আমাদের এতো ব্যস্ততা থমকে গেল শুধুমাত্র এক অদৃশ্য ভাইরাসের কারণে। ক্ষমতা, অর্থবিত্ত সবকিছুই আজ জীবনের কাছে তুচ্ছ। আগে যেকোনো কিছুতেই আমরা প্রেসার নিতাম।

দেশে প্রতিদিন এতো এতো ক্রাইম হতো করোনায় তা অনেকাংশে কমে গেছে, পরিবেশ দূষণ কমে গেছে। করোনা আমাদের বুঝালো জীবনে প্রতি মুহূর্ত এনজয় করা উচিত।

শেয়ার করুন: