চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

৮ গোলের বুনো-রোমাঞ্চের শেষে সেমিতে বার্সা

ক্ষণে ক্ষণে রং বদলাল ম্যাচের ভাগ্য। দুলতে থাকল উল্লাস-হতাশার মাঝখানে। খেলা গড়াল অতিরিক্ত সময়ে। হারের মুখ থেকে শেষে বাজি জিতল বার্সেলোনাই। ৮ গোলের বুনো-রোমাঞ্চের শেষে গ্রানাডাকে হারিয়ে কোপা ডেল রের সেমিফাইনালের টিকিট কেটেছে রোনাল্ড কোম্যানের শিষ্যরা।

দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তনের ম্যাচে কোপা ডেল রের কোয়ার্টারে গ্রানাডাকে ৩-৫ গোলে হারিয়ে সেমিতে পা রেখেছে বার্সেলোনা। শেষ আটে নির্ধারিত সময়ের খেলা ২-২ থাকার পর অতিরিক্ত সময়ে ৫-৩ করে মাঠ ছাড়ে কাতালানরা।

বুধবার রাতে মেসি গোল পাননি। ম্যাচের ২৫ মিনিটে হলুদ কার্ড দেখেছেন বার্সা অধিনায়ক। তার এক মিনিট আগে দারুণ এক ফ্রি-কিক নিয়েছিলেন। সাফল্য আসতে আসতে পিছলে যায়। তার শট পোস্টে লাগে। নিজে গোল না পেলেও অবশ্য সতীর্থদের দিয়ে দারুণ সব গোল করিয়েছেন।

ম্যাচের ৩৩ মিনিটে লিড নেয় গ্রানাডা। মিডফিল্ডার কেনেডি স্বাগতিকদের আনন্দের সুযোগ করে দেন। তাতে প্রথমার্ধে এগিয়ে থেকেই মাঠ ছাড়ে উজ্জীবিত দলটি।

মধ্যবিরতির পর ফিরেই ব্যবধান দ্বিগুণ করে গ্রানাডা। ৪৭ মিনিটে গোলটি আনেন রবের্ত সলডাডো।

বিজ্ঞাপন

ম্যাচে ফিরতে মরিয়া বার্সার একের পর এক প্রচেষ্টা সাফল্যের খুব কাছে থেকে ব্যর্থ হতে থাকে। হার যখন চোখ রাঙাচ্ছে, তখন ৮৮ মিনিটে অ্যান্টনিও গ্রিজম্যান এক গোল শোধ করে দেন। বলের যোগানদাতা ছিলেন মেসি।

দু-মিনিট পর মেসির শট পোস্টে লাগলে হার বুঝি এলো এলো সময় সামনে। তার দু-মিনিট পর চমক। যোগ করা সময়ে সমতা ফেরান জর্ডি আলবা। মেসির বানিয়ে দেয়া বল গ্রিজম্যানের মাথা ঘুরে আলবার কাছে গেলে খেলা গড়ায় অতিরিক্ত সময়ে।

ম্যাচে তখন মরো নয় মারো রোমাঞ্চ। সেটিতে প্রথম সাফল্য বার্সার। ১০০ মিনিটের সময় বার্সাকে লিড এনে দেন গ্রিজম্যান, এবার বলের যোগান দিয়েছিলেন আলবা।

কিন্তু তিন মিনিট পর গ্রানাডার ফেডে ভিকো পেনাল্টিতে সেই গোলও শোষ করে দেন। ডেস্তের একটি বাজে ফাউল সুযোগ করে দেয় স্বাগতিকদের।

ম্যাচের ১০৮ মিনিটে দুর্দান্ত ফর্মে থাকা ফ্রেঙ্কি ডি ইয়ং ফের লিড এনে দেন বার্সাকে। মেসির শট গোলরক্ষক ফিরিয়ে দিলেও বিপদমুক্ত করতে পারেননি। সুযোগ কাজে লাগান ডি ইয়ং।

তখন জয়ের সুবাস পেতে শুরু করেছে বার্সা। কিন্তু ম্যাচের রং ক্ষণে ক্ষণে যেভাবে বদলাচ্ছিল, নিশ্চিত হওয়া যাচ্ছিল না কী আছে সামনের মিনিটে! ১১৩ মিনিটে গ্রিজম্যানের এগিয়ে দেয়া বলে আলবা আরেকটি গোল করে সেই অনিশ্চয়তাই দূর করে দেন।

বিজ্ঞাপন