চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

২২ বছরে চ্যানেল আই: ইমপ্রেসের প্রশংসিত ২২ ছবি

হৃদয়ে বাংলাদেশ’কে ধারণ করে ২২ বছরে পা রাখছে দেশের প্রথম ডিজিটাল বাংলা টেলিভিশন চ্যানেল আই। ১ অক্টোবর চ্যানেল আইয়ের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী। দীর্ঘ এই পথচলায় দর্শকদেরকে অসংখ্য জনপ্রিয় অনুষ্ঠান উপহার দিয়েছে চ্যানেল আই। ইমপ্রেস টেলিফিল্মও নির্মাণ করেছে একের পর এক ভিন্ন ধারার চলচ্চিত্র।

১৯৯৯ সালের ১ অক্টোবর যাত্রা শুরু করে চ্যানেল আই। আর ইমপ্রেস টেলিফিল্ম এককভাবে চলচ্চিত্র প্রযোজনায় আসে ২০০৩ সালে। এরপর ইমপ্রেসের ব্যানারে তৈরি হয়েছে বহু আলোচিত এবং প্রশংসিত ছবি। দেশের সাংস্কৃতিক বিকাশ ও নতুন প্রজন্মের কাছে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা পৌঁছে দেয়ার লক্ষ্যে ইমপ্রেস কাজ করে যাচ্ছে। চলচ্চিত্রের উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় ইমপ্রেস টেলিফিল্ম অভূতপূর্ব অবদান রেখেছে।

চ্যানেল আইয়ের ২২ বছরে ইমপ্রেস টেলিফিল্মের ২২টি আলোচিত ও প্রশংসিত চলচ্চিত্র নিয়ে সাজানো হয়েছে এই ফিচার:

ইতি, তোমারই ঢাকা: বাংলাদেশের প্রথম অমনিবাস চলচ্চিত্র ‘ইতি, তোমারই ঢাকা’। ইমপ্রেস টেলিফিল্ম-এর প্রযোজনায় নির্মিত ১১ জন তরুণ নির্মাতা ঢাকা শহরের ১১টি গল্প নিয়ে বানিয়েছেন ছবিটি। ঢাকার নিম্নবিত্ত মানুষের জীবন যাপন, তাদের সংগ্রাম ও বেঁচে থাকার নিরন্তর যুদ্ধ এবং সেই সাথে ঢাকার নিজস্ব এক সংস্কৃতিও ফুটে উঠে ‘ইতি, তোমারই ঢাকা’ চলচ্চিত্রটিতে। দেশের প্রেক্ষাগৃহে প্রশংসার পাশাপাশি বিশ্বের বহু চলচ্চিত্র উৎসবে ব্যাপক প্রশংসিত হয়েছে ছবিটি। বর্তমানে বিশ্বের অন্যতম স্ট্রিমিং প্লাটফর্ম  নেটফ্লিক্সে দেখা যাচ্ছে ছবিটি।

বিজ্ঞাপন

কমলা রকেট: ইমপ্রেস টেলিফিল্ম নির্মিত সাম্প্রতিক সময়ের বাংলা চলচ্চিত্রে অন্যতম আলোচিত সিনেমা ‘কমলা রকেট’। ২০১৮ সালে দেশব্যাপী মুক্তিপ্রাপ্ত চলচ্চিত্রটির নির্মাতা নূর ইমরান মিঠু। সমালোচকদের দৃষ্টিতে সবচেয়ে আলোচিত ছবি হিসেবে বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য ‘কমলা রকেট’।  এ পর্যন্ত বেশকিছু আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে প্রদর্শিত হয়েছে ছবিটি। কথাসাহিত্যিক শাহাদুজ্জামানের ‘মৌলিক’ ও ‘সাইপ্রাস’ নামের দুটি গল্প অবলম্বনে ‘কমলা রকেট’-এর চিত্রনাট্য করেছেন শাহাদুজ্জামান ও মিঠু। ছবির গল্পে ‘কমলা রকেট’ মূলত একটি স্টিমারের নাম। এই স্টিমারটিই পুরো বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করে। ছবির কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করেছেন তৌকীর আহমেদ। ছবিতে দালাল চরিত্রে অভিনয় করেছেন মোশাররফ করিম। এছাড়াও গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে আছেন জয়রাজ, সামিয়া সাঈদ, সেওতি, ডমিনিক গোমেজ, বাপ্পা শান্তনু, সুজাত শিমুল, শহীদুল্লাহ সবুজ, আবু রায়হান রাসেল।

ফাগুন হাওয়ায়: আলোচিত বাংলা সিনেমাগুলোর একটি ‘ফাগুন হাওয়ায়’। ইমপ্রেস টেলিফিল্ম প্রযোজিত ও তৌকীর আহমেদের পরিচালনায় ছবিটি নির্মিত হয়েছে ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে। টিটো রহমানের ‘বউ কথা কও’ গল্পের অনুপ্রেরণায় নির্মিত এই ছবির কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করেছেন সিয়াম আহমেদ ও নুসরাত ইমরোজ তিশা। এছাড়াও ছবিতে দেখা গেছে শহীদুল আলম সাচ্চু, আবুল হায়াত, আফরোজা বানু, ফারুক হোসেন, সাজু খাদেম, আজাদ সেতু, হাসান আহমেদ ও নুসরাত জেরীসহ অনেককে।

আলফা: নাসির উদ্দিন ইউসুফের ছবি ‘আলফা’। ইমপ্রেস টেলিফিল্ম-এর প্রযোজনায় নির্মিত এই ছবিটিও দেশ-বিদেশের বিভিন্ন চলচ্চিত্র উৎসবে দেখানো হয়েছে। মুক্তির বছরে অস্কারে ‘ইন্টারন্যাশনাল ফিচার ফিল্ম’ ক্যাটাগরিতে বাংলাদেশ থেকে পাঠানো হয় ছবিটি। তৃতীয় বিশ্বের একজন শহুরে নাগরিককে কেন্দ্র করেই গড়ে উঠেছে ‘আলফা’ চলচ্চিত্রের কাহিনী। এখানে ফুটে উঠে যান্ত্রিক শহরের বাস্তবতার সঙ্গে মানিয়ে নেয়া ও অন্তর্দ্বন্দ্ব নিয়ে বেঁচে থাকা এক চিত্রশিল্পীর জীবন। ছবির মূল চরিত্রে অভিনয় করেছেন নবীন অভিনয়শিল্পী আলমগীর কবির। এ ছাড়াও পরিচিত মুখ হিসেবে দেখা যাবে প্রবীণ অভিনেতা এটিএম শামসুজ্জামান ও দোয়েল ম্যাশকে। ছবিতে আরো অভিনয় করেছেন হীরা চৌধুরী, ইশরাত নিশাত, মোস্তাফিজ নূর ইমরান ও ভাস্কর রাসা।

খাঁচা: ১৯৪৭-এর দেশভাগের পটভূমিতে নির্মিত আকরাম খানের চলচ্চিত্র ‘খাঁচা’। বারবার দেশত্যাগের চেষ্টা করছে একটি পরিবার। কিন্তু বারবারই কোনো না কোনো বাধার সম্মুখীন হয় তারা। আর এই টানাপড়েন নিয়েই ‘খাঁচা’র গল্প। জাতীয় ও আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবেও দেখানো হয়েছে ইমপ্রেস টেলিফিল্মের এই ছবিটি। কথাসাহিত্যিক হাসান আজিজুল হকের ছোটগল্প ‘খাঁচা’ অবলম্বনে তৈরি হয়েছে ছবিটি। যৌথভাবে এর চিত্রনাট্য লিখেছেন অভিনেতা আজাদ আবুল কালাম ও পরিচালক আকরাম খান। দেশভাগের কাহিনী নিয়েই সাজানো এই ছবিতে জয়া আহসান ছাড়াও অভিনয় করেছেন আজাদ আবুল কালাম,মামুনুর রশীদ, চাঁদনী, শাহেদ আলী, কায়েস চৌধুরী, পিদিম অনেকে।

শঙ্খচিল: গৌতম ঘোষের বহুল আলোচিত ‘মনের মানুষ’-এর মতো শঙ্খচিল ছবিটিও বাংলাদেশ ও ভারতের যৌথ নির্মাণ। এটিও প্রযোজনা করেছে ইমপ্রেস টেলিফিল্ম। দেশ ভাগ নিয়ে অসাধারণ গল্পের ছবি ‘শঙ্খচিল’। ছবিটির মূল চরিত্রে অভিনয় করেছেন দুই বাংলার দুই জনপ্রিয়মুখ প্রসেনজিত চট্টোপাধ্যায় ও কুসুম শিকদার। তাদের মেয়ের ভূমিকায় অভিনয় করেছেন নবাগত অভিনেত্রী সাঁজবাতি। এছাড়া অভিনয় করেছেন মামুনুর রশিদ, প্রবীর মিত্র, রোজী সিদ্দিকী, রিয়াজ মাহমুদ জুয়েল, শাকিল আহমেদ, শাহেদ আলী, দীপঙ্কর দে, অরিন্দম শীল, ঊষসী চক্রবর্তী প্রমুখ।

অজ্ঞাতনামা: তৌকীর আহমেদ পরিচালিত ‘অজ্ঞাতনামা’ মুক্তি পায় ২০১৬ সালের ১৯ আগস্ট। ইমপ্রেস টেলিফিল্ম প্রযোজিত এ ছবিতে অভিনয় করেন ফজলুর রহমান বাবু, মোশাররফ করিম, নিপুণ, আবুল হায়াত, শতাব্দী ওয়াদুদ, শহীদুজ্জামান সেলিমসহ আরও অনেকে। বেওয়ারিশ এক লাশের গল্প নিয়ে নির্মিত ‘অজ্ঞাতনামা’ দর্শকমহলে নন্দিত হয়।

জালালের গল্প: ২০১৩ সালে ইমপ্রেস টেলিফিল্ম তাদের প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান বুটিক সিনেমার কার্যক্রম শুরু করে। এই প্রকল্পের প্রথম সিনেমা ‘জালালের গল্প’। আবু শাহেদ ইমন পরিচালিত ‘জালালের গল্প’ মুক্তি পায় ২০১৫ সালে। ছবিতে মূলত ফুটে উঠেছে অবহেলা আর নির্মম বাস্তবতার যাঁতাকলে পিষ্ট হয়ে বেড়ে ওঠা জালাল নামে একটি ছেলের গল্প। এতে অভিনয় করেছেন মোশাররফ করিম, তৌকীর আহমেদ, নূরে আলম নয়ন, মৌসুমী হামিদ, আরাফাত রহমান, মোহাম্মদ ইমন ও শর্মীমালা।

পিঁপড়াবিদ্যা: ২০১৪ সালে মুক্তি পায় মোস্তফা সরয়ার ফারুকী পরিচালিত ‘পিপড়াবিদ্যা’। ইমপ্রেস টেলিফিল্ম লিমিটেড প্রযোজিত ছবিটির পরিবেশক হিসেবে দায়িত্ব পালন করে জাজ মাল্টিমিডিয়া। এতে অভিনয় করেন শিনা চৌহান, নূর ইমরান মিঠু, মুকিত জাকারিয়া, সাব্বির হাসান লিখনসহ আরও অনেকে।

মৃত্তিকা মায়া: ২০১৩ সালে মুক্তি পায় গাজী রাকায়েত পরিচালিত ‘মৃত্তিকা মায়া’। এতে অভিনয় করেন রাইসুল ইসলাম আসাদ, পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়, মামুনুর রশীদ, শর্মীমালা, তিতাস জিয়াসহ আরও অনেকে। ছবিটি সে বছর ১৭টি ক্যাটাগরিতে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করে।

গেরিলা: গেরিলা চলচ্চিত্রটি নির্মিত হয়েছে লেখক সৈয়দ শামসুল হকের উপন্যাস ‘নিষিদ্ধ লোবান’ অবলম্বনে। ইমপ্রেস টেলিফিল্ম প্রযোজিত এই সিনেমা পরিচালনা করেছেন নাসির উদ্দীন ইউসুফ। ছবিতে অভিনয় করেছে এটিএম শামসুজ্জামান, জয়া আহসান, ফেরদৌস, শতাব্দী ওয়াদুদ, শম্পা রেজা সহ আরও অনেকে। ২০১১ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত গেরিলা ছবিটি বাণিজ্যিক ভাবেও দারুণ সফল হয়েছিল। ছবিটি ২০১১ সালে বেশ কয়েকটি আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব অংশগ্রহণ করে এবং ১৭তম কলকাতা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব ২০১১-এ নেটপ্যাক পুরস্কার জিতে নেয়।

কৃষ্ণপক্ষ: জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদ-এর ‘কৃষ্ণপক্ষ’ উপন্যাস অবলম্বনে মেহের আফরোজ শাওন পরিচালিত ছবিটির প্রিমিয়ার হয় ২০১৬ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারি। তবে সারা দেশে মুক্তি পায় ২৬ ফেব্রুয়ারি। এই চলচ্চিত্রের মাধ্যমে মেহের আফরোজ শাওন চলচ্চিত্র পরিচালনায় আত্মপ্রকাশ করেন। এতে অভিনয় করেন রিয়াজ, মাহিয়া মাহিসহ আরও অনেকে।

জয়যাত্রা: ২০০৪ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত এই ছবিটি বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধকালীন একদল মানুষের হাসি-কান্না, সুখ-দুঃখ, মৃত্যু ও বেঁচে থাকার সংগ্রামের গল্প নিয়ে তৈরি। ছবিটি পরিচালনা করেছেন তৌকীর আহমেদ। আমজাদ হোসেন এর কাহিনী নিয়ে নির্মিত এই ছবিতে অভিনয় করেছে মাহফুজ আহমেদ, বিপাশা হায়াত, রোমানা, তারিক আনাম খান,আজিজুল হাকিম, চাঁদনী, শাহেদ সহ আরও অনেকে। ছবিটি ২৯তম জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র, শ্রেষ্ঠ পরিচালক, শ্রেষ্ঠ চিত্রনাট্যকার, শ্রেষ্ঠ কাহিনীকার, শ্রেষ্ঠ সঙ্গীত পরিচালক, শ্রেষ্ঠ পার্শ্বচরিত্রে অভিনেত্রী ও শ্রেষ্ঠ চিত্রগ্রাহক বিভাগে পুরস্কার লাভ করে।

শ্যামল ছায়া: ২০০৪ সালে মুক্তি প্রাপ্ত ‘শ্যামল ছায়া’ ছবিটি পরিচালনা করেছিলেন হুমায়ূন আহমেদ। বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ নিয়ে তৈরি এই ছবিতে সরাসরি যুদ্ধের দৃশ্য না দেখিয়েও যুদ্ধের আবহ ফুটিয়ে তোলা হয়েছে সুনিপুণ ভাবে। ছবিটি ২০০৬ সালে ‘সেরা বিদেশী ভাষার চলচ্চিত্র’ বিভাগে একাডেমি পুরস্কার এর জন্য বাংলাদেশ থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিল। ছবিতে অভিনয় করেছেন হুমায়ুন ফরীদি, শাওন, শিমুল, রিয়াজ, স্বাধীন খসরু, সৈয়দ আখতার আলী, তানিয়া আহমেদ, রাত্রি, আহমেদ রুবেল, এজাজুল ইসলাম, ফারুক আহমেদ, শামীমা নাজনীন, জেসমিন পারভেজসহ আরও অনেকে।

ব্যাচেলর: মোস্তফা সরয়ার ফারুকীর ব্যাচেলর ছবিটি মুক্তি পায় ২০০৪ সালে। এর কাহিনী রচনা করেছেন জনপ্রিয় সাহিত্যিক এবং সাংবাদিক আনিসুল হক। ব্যাপক প্রশংসিত এ ছবিতে অভিনয় করেন ফেরদৌস, শাবনূর, অপি করিম, হুমায়ুন ফরীদি, মারজুক রাসেল, আহমেদ রুবেল, আরমান পারভেজ মুরাদ, জয়া আহসানসহ আরও অনেকে। এই ছবিতে অভিনয় করেই ২০০৪ সালে শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী হিসেবে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পান অপি করিম।

রং নাম্বার: ২০০৪ সালে মুক্তি পায় মতিন রহমান পরিচালিত ‘রং নাম্বার’। ইমপ্রেস টেলিফিল্ম প্রযোজিত এই ছবিতে বাংলাদেশ ও ভারত এর জনপ্রিয় সংগীত শিল্পীদের কণ্ঠে রয়েছে কিছু শ্রুতিমধুর গান। ‘রং নাম্বার’ মূলত একটি প্রেমের ছবি। বর্তমান প্রজন্মের তরুণ তরুণীর উচ্ছলতা এবং তারুণ্য এই ছবির মূল উপজীব্য। এই ছবির মাধ্যমেই টিভি অভিনেত্রী শ্রাবন্তী প্রথমবারের মতো চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন। এছাড়াও অভিনয় করেছেন রিয়াজ, আব্দুল কাদের, ডলি জহুর, তুষার খান ও অমল বোস।

নিরন্তর: ২০০৬ সালে মুক্তি পায় আবু সাইয়ীদ পরিচালিত ‘নিরন্তর’। ইমপ্রেস প্রযোজিত এ ছবিতে অভিনয় করেন শহিদুল আলম সাচ্চু, আমিরুল হক চৌধুরী, ডলি জহুর, জয়ন্ত চট্টোপাধ্যায়, ইলিয়াস কাঞ্চন, শাবনূর, তিথিসহ আরও অনেকে। হুমায়ূন আহমেদের জনম জনম উপন্যাসের কাহিনী নিয়ে নির্মিত হয় সিনেমাটি।

আহা!: ২০০৭ সালে মুক্তি পায় এনামুল করিম নির্ঝর পরিচালিত ‘আহা’। ইমপ্রেস প্রযোজিত এ ছবিতে অভিনয় করেন হুমায়ূন ফরীদি, তারিক আনাম খান, ফজলুর রহমান বাবু, শহিদুল আলম সাচ্চু, ফেরদৌস, প্রজ্ঞা লাবনী, সাথী ইয়াসমিন, খালেদ খান, গাজী রাকায়েতসহ আরও অনেকে।

স্বপ্নডানায়: ২০০৭ সালে মুক্তি পাওয়া ইমপ্রেস টেলিফিল্মের আলোচিত একটি চলচ্চিত্র। পরিচালনা করেছেন গোলাম রাব্বানী বিপ্লব। ২০০৮ সালে সেরা বিদেশী ভাষার চলচ্চিত্র হিসেবে একাডেমি পুরস্কারের জন্য বাংলাদেশ থেকে এই ছবিটি নিবেদন করা হয়েছিল

থার্ড পারসন সিঙ্গুলার নাম্বার: ২০০৯ সালের ১১ ডিসেম্বর মুক্তি পায় ইমপ্রেস টেলিফিল্ম এর ‘থার্ড পারসন সিঙ্গুলার নাম্বার’। মোস্তফা সরয়ার ফারুকী পরিচালিত এই ছবিতে প্রধান তিন চরিত্রে অভিনয় করেছেন নুসরাত ইমরোজ তিশা, মোশাররফ করিম ও তপু। এছাড়াও বিভিন্ন চরিত্র অভিনয় করেছেন আবুল হায়াত, এশা, শুভেচ্ছা, রানী সরকারসহ আরও অনেকে।

ডুবসাঁতার: ২০১০ সালের ১৭ নভেম্বর মুক্তি পায় নূরুল আলম আতিকের প্রথম ছবি ‘ডুব সাঁতার’। এ ছবিতে অভিনয় করেছেন জয়া আহসান, শেহজাদ চৌধুরী, অমোক ব্যাপরী, ওয়াহিদা মল্লিক জলি, শাহরিয়ার শুভ, বোংশু হোর, শ্রাবন্তী দত্ত তিন্নি, স্বাধীস খসরু, সুষমা সরকার, স্বাগতাসহ আরও অনেকে। ছবিটি দর্শক মহলে ব্যাপক আলোচিত হয়।

মনের মানুষ: গৌতম ঘোষ পরিচালিত ‘মনের মানুষ’ মুক্তি পায় ২০১০ সালে। যৌথ প্রযোজনার এ ছবিতে বাংলাদেশ ও ভারতের বিভিন্ন শিল্পীরা অভিনয় করেছেন। সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় এর মনের মানুষ উপন্যাস অবলম্বনে নির্মিত ছবিতে লালন ফকিরের জীবন ও কর্মের কিছু চিত্র ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ছবিটির বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছেন প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়, রাইসুল ইসলাম আসাদ, চঞ্চল চৌধুরী, শুভ্র কুন্ডু, পাওলি দাম, প্রিয়াংশু চ্যাটার্জী, তাথৈ, নাউফেল জিসান, চম্পা, হাসান ইমাম, শাহেদ আলী সহ আরও অনেকে।