চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

১ মাসের মধ্যে সবচেয়ে কম শনাক্তের হার

করোনাভাইরাসে প্রাদুর্ভাবে গত এক মাসের মধ্যে সংক্রমণ শনাক্তের হার আজ সবচেয়ে কম হয়েছে। মৃত্যুর সংখ্যাও চলতি মাসের ১৯ তারিখের পর কম।

শনিবার শনাক্তের হার ১৩ দশমিক ১১ শতাংশ। গত ২৫ মার্চ শনাক্তের হার ১৩ দশমিক ২৬ শতাংশ।

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

তবে চলতি মাসের ১২ তারিখেও আজকের মতো ৮৩ জনের মৃত্যু হয়েছিল। দেশে সর্বোচ্চ মৃত্যুর রেকর্ড শনাক্ত হয় চলতি মাসের ১৯ তারিখে; সেদিন ১১২ জনের মৃত্যুর খবর দিয়েছিল স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) ডা. নাসিমা সুলতানার সই করা সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয় শনিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় (অ্যান্টিজেন টেস্টসহ) ২০ হাজার ৫৭১টি নমুনা পরীক্ষায় ২ হাজার ৬৯৭ জন এই ভাইরাসে আক্রান্ত শনাক্ত হয়েছেন। এই সময়ে পরীক্ষার বিপরীতে শনাক্তের হার ১৩ দশমিক ১১ শতাংশ।

গত ২৫ মার্চ স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানায়,  সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় (অ্যান্টিজেন টেস্টসহ) ২৭ হাজার ৪৫টি নমুনা পরীক্ষায় তিন হাজার ৫৮৭ জন এই ভাইরাসে আক্রান্ত শনাক্ত হয়েছেন। এই সময়ে পরীক্ষার বিপরীতে শনাক্তের হার ১৩ দশমিক ২৬ শতাংশ।

বিজ্ঞাপন

যদিও ২৪ মার্চ শনাক্তের হার ১২ দশমিক ৯৭ শতাংশ।

টানা পাঁচদিন মৃত্যু ১০০’এর নীচে
আজ সহ টানা পাঁচদিন মৃত্যু ১০০’র নীচে নামলো। গতকাল শুত্রুবার ৮৮ জনের মৃত্যু হয়। বৃহম্পতিবার ৯৮, বুধবার ৯৫ ও মঙ্গলবার ৯১ ও সোমবার সর্বোচ্চ ১১২ জনের মৃত্যু হয়। এর আগে চলতি মাসের ১৬ ও ১৭ এপ্রিল ১০১ জন, ১৮ তারিখ ১০২ জনের মৃত্যু হয়।

তরুণরাও ব্যাপক হারে আক্রান্ত হচ্ছে
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর বলছে, করোনায় যারা মারা যাচ্ছেন, তাদের অধিকাংশই বয়স্ক। আমরা প্রতিদিনের তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখতে পাচ্ছি, ষাটোর্ধ্বরাই বেশি মৃত্যুবরণ করছেন। তাদের মধ্যে ডায়াবেটিস ও হাইপারটেনশনের রোগী বেশি। তবে করোনার নতুন যে ধরণ এসেছে, তাতে তরুণরাও ব্যাপক হারে আক্রান্ত হচ্ছে। সুতরাং জটিল এই রোগে আক্রান্ত বা আক্রান্ত নয়, এটা দেখার কোনো সুযোগ নেই। সবাইকেই সচেতন হতে হবে। মাস্ক ও স্বাস্থ্যবিধিতে জোর দিতে হবে।

কোথায় সংক্রমিত বেশি হচ্ছে সেটা বের করতে হবে
রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (আইইডিসিআর) সাবেক প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ও উপদেষ্টা ড. মোশতাক হোসেন চ্যানেল আই অনলাইনকে বলেন, সুনিদিষ্ট টার্গেট করে, কোথায় কোথায় মানুষ সংক্রমিত বেশি হচ্ছে সেটা বের করতে হবে।

তিনি বলেন, আমাদের সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণের জন্য সব কিছু করা উচিত। এটা অসম্ভব না, তবে কষ্টকর। একটু কষ্ট করে যদি বাঁচার জন্য চেষ্টা করি তাহলেও সংক্রমণ অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে আসবে।