চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

সোহানের অন্যরকম লাগছে

খুলনা থেকে: ক্ষীণ আশা নিয়ে নিজেদের মাঠে শেষ রাউন্ডে নেমেছিল সাউথ জোন। নর্থ জোনকে হারালেই চলত না, পেতে হত বোনাস পয়েন্ট। আবার প্রতিপক্ষ দলকেও দেয়া যাবে না বোনাস পয়েন্টের সুযোগ। সব সমীকরণ মিলিয়েই বিসিএলের ষষ্ঠ আসরের শিরোপা জিতেছে নুরুল হাসান সোহানের সাউথ জোন। প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে প্রথমবার অধিনায়ক হয়েই শিরোপার স্বাদ। জানালেন, ভিন্ন এক অনুভূতি হচ্ছে তার।

‘অন্যরকম লাগছে। প্রিমিয়ার লিগেও এবার শেখ জামালের অধিনায়কত্ব করে রানার্সআপ হয়েছি। এক মৌসুমে এরকম দুইটা সাফল্যে খুব ভালো লাগছে। সিনিয়ররা যারা ছিলেন, অনেক সাহায্য করেছেন। উপভোগ করেছি।’

বিজ্ঞাপন

সোহান টিমমেট হিসেবে বিসিএলে পেয়েছেন আব্দুর রাজ্জাক, তুষার ইমরানদের মতো অভিজ্ঞদের। শেষ রাউন্ডে পেয়েছেন মাশরাফী বিন মোর্ত্তজাকেও। এত অভিজ্ঞদের পেয়ে মাঠের নেতৃত্বে তরুণ সোহান যে নির্ভারই থেকেছেন সেটি বলার অপেক্ষা রাখে না।

বিজ্ঞাপন

ম্যাচে মাত্র দুই পয়েন্ট পেয়েছে নর্থ জোন। সাউথ জিতে পেয়েছে ১০ পয়েন্ট। আর বোনাস থেকে ৮ পয়েন্ট। ৬ ম্যাচে চ্যাম্পিয়ন দলের অর্জন ৬৫ পয়েন্ট। ৬২ পয়েন্ট নিয়ে রানার্সআপ নর্থ।

শেষ রাউন্ড শুরুর আগে ১৩ পয়েন্টে পিছিয়ে ছিল মাশরাফী-সোহানদের সাউথ। কঠিন সমীকরণ যে মেলানো যাবে সেটি ভাবেননি সোহান। ম্যাচ শুরুর আগে বলেছিলেন, দ্বিতীয় স্থান ধরে রাখাই লক্ষ্য। তবে সব হিসেব ওলট-পালট করেছে রাজ্জাকের কীর্তিতে। বাঁহাতি এ স্পিনার ম্যাচে ১১ উইকেট নিয়ে গড়ে দিয়েছেন ব্যবধান।

‘আমাদের হারানোর কিছু ছিল না। তবে পাওয়ার অনেক কিছুই ছিল। পুরো বোনাস পয়েন্ট নিয়ে জিততে পারলেই আমরা চ্যাম্পিয়ন হবো। মিটিংয়ে ওটা নিয়েই কথা হয়েছে। একটা লক্ষ্যই ছিল। প্রথম থেকে আমরা সব ম্যাচ ড্র করেছি। লক্ষ্য ছিল একটা ম্যাচ অন্তত পুরো বোনাস পয়েন্ট নিয়ে জিতব। তাহলে অনেকখানি এগিয়ে যাবো। সেটাই হয়েছে।’