চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

সেন্সর বোর্ডে প্রশংশিত ‘দি আনওয়ান্টেড টুইন’

তরুণ নির্মাতা নানজীবা খান নির্মাণ করেছেন ‘দি আনওয়ান্টেড টুইন’। চলচ্চিত্রটি সম্প্রতি বিনা কর্তনে ছাড়পত্র পেয়েছে।

নির্মাতা জানান, গত ৪ ফেব্রুয়ারি সেন্সর বোর্ডে প্রদর্শিত হয়েছে। বোর্ড ছবিটিকে বিনা কর্তনে সেন্সর দিতে সম্মত হয়েছে। বোর্ডের ভাইস-চেয়ারম্যান মো জসীম উদ্দিন ‘দি আনওয়ান্টেড টুইন’-এর সেন্সর প্রাপ্তির খবরটি নিশ্চিত করেছেন।

নানজীবা খান জানান, মুশফিকুর রহমান গুলজার, ড্যানি সিদাক সহ বেশ কয়েকজন ফোন করে শুভ কামনা জানিয়েছেন। এটিই আমার জন্য অনেক বড় পাওয়া এবং সামনের দিকে এগিয়ে যাওয়ার অনুপ্রেরণা।

‘দি আনওয়ান্টেড টুইন’-কে পরীক্ষামূলক সিএসআর (কর্পোরেট সোশ্যাল রেসপন্সিবিলিটি) প্রকল্প বলছেন পরিচালক নানজীবা খান। যেখানে জাতিসংঘ ঘোষিত ১৭ টি এসডিজি (সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্ট গোল) কে কেন্দ্র করে ২০০ টি সামাজিক সমস্যা প্রামাণ্যচিত্র ও ফটোশুটের মাধ্যমে তুলে ধরা হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

এখানে ববি হক, ব্যারিস্টার তুরিন আফরোজ, জ ই মামুন, মারিয়া নূর, শিমুল মোস্তফা, শম্পা রেজা, প্রধানমন্ত্রীর ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি শাখাওয়াত মুন, জিতু আহসান, সানারাই দেবী সানু, অন্তু করিম, তৌহিদ আফ্রিদি, দেবাশিষ বিশ্বাস, তানজিব সারোয়ার, আরজে নীরবসহ দেশের বিভিন্ন অঙ্গনের ২০০ জন ব্যক্তি অংশ নিয়েছেন। এটি নানজীবা ব্যক্তি উদ্যোগে করা একটি প্রকল্প হলেও এর সঙ্গে ৪১টি কর্পোরেট প্রতিষ্ঠান নানাভাবে সহায়তা করেছে বলে জানিয়েছেন নানজীবা।

পরিচয়হীন শিশু ও বয়সন্ধিকালে নারী উন্নয়নের বিষয়টিকে কেন্দ্র করে নির্মিত চলচিত্রতে অভিনয় করেছেন কাজী নওশাবা আহমেদ, তানহা তাসনিয়া, ববি হক, শামস সুমন, আফসানা মিমি, দিলারা জামান, বন্য্যা মির্জা, ডঃ এনামুল হক, ওয়াহিদা মল্লিক জলি সহ একঝাঁক তারকা।

তিনি বলেন, প্রকল্পটির ‘দি আনওয়ান্টেড টুইন’ নামকরণের কারণে প্রথমেই মনে হয় এটি যমজ মানুষদের গল্প। কিন্তু এটা একদমই ভুল। আক্ষরিক অর্থে আনওয়ান্টেড মানে অবাঞ্ছিত। ‘দি আনওয়ান্টেড টুইন’ মানে মানুষের লুকায়িত ‘দ্বৈত সত্তা’। তাই আমরা চেহারা দুই ভাগ করে কাজ করছি। এতে ফেইস আর্ট, প্রপ্স ও গ্রাফিক্সের সহায়তায় ২০০টি ইস্যু তুলে ধরতে চেয়েছেন নানজীবা।

নির্মাতা জানান, অন্বেষা প্রকাশন ২০০ টি ছবির সংকলন আকারে একটি ম্যাগাজিন বের করবে। ছবিগুলো এ মাস থেকে ফেসবুকে প্রকাশ করা হবে। অন্যদিকে প্রামাণ্যচিত্রটি ‘সিনেম্যাকিং আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব’-এ ‘জুরি মেনশন ডকুমেন্টারি ফিল্ম’ হিসেবে পুরষ্কার পেয়েছে।

বিজ্ঞাপন