চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

সিনহা হত্যা মামলার বৈধতার শুনানি ১০ নভেম্বর

অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মোঃ রাশেদ খান হত্যার ঘটনায় তার বোন শারমিন শাহরিয়ারের দায়ের করা মামলার বৈধতার শুনানির জন্য আগামী ১০ নভেম্বর দিন ধার্য করেছেন আদালত।  

মঙ্গলবার দুপুরে কক্সবাজার জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মোহাম্মদ ইসমাইল বাদীর সময়ের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এই আদেশ দেন।

বিজ্ঞাপন

এর আগে পরিদর্শক লিয়াকতের পক্ষে সিনিয়র আইনজীবী অ্যাডভোকেট মাসুদ সালাহউদ্দিন মামলার বৈধতা নিয়ে সংক্ষিপ্ত শুনানি করেন।

পরে শারমিন শাহরিয়ারের পক্ষে শুনানির জন্য সময়ের আবেদন করা হয়। আগামী ১০ নভেম্বর বাদী শারমিন শাহরিয়ারের উপস্থিতিতে পূর্ণাঙ্গ শুনানির দিন ধার্য করেন আদালত।

শারমিন শাহরিয়ারের পক্ষে সিনিয়র আইনজীবী অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ মোস্তফা, পাবলিক প্রসিকিউটর পিপি ফরিদুল আলমসহ সিনিয়র আইনজীবীরা উপস্থিত ছিলেন।

গত ৪ অক্টোবর কক্সবাজার জেলা ও দায়রা জজ আদালতে মামলার প্রধান আসামি বরখাস্ত পুলিশ পরিদর্শক লিয়াকতের পক্ষে রিভিশন আবেদন করা হয়।

বিজ্ঞাপন

অ্যাডভোকেট মাসুদ সালাহউদ্দিন  জানান, গত ৫ আগস্ট কক্সবাজার সিনিয়র  জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে মেজর সিনহার বোন শারমিন শাহরিয়া ফেরদৌস বাদী হয়ে যে হত্যা মামলাটি দায়ের করেন। সেই মামলার আদেশের বিরুদ্ধে বৈধতা চ্যালেঞ্জ  করে রিভিশন করা হয়েছে। কারণ সিনহা হত্যার ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে ঘটনার পরপরই  আরো দুইটি মামলা দায়ের করেছিল।

গত ৩১ জুলাই রাতে টেকনাফের মেরিন ড্রাইভ রোডে  শামলাপুর চেকপোস্টে পুলিশের গুলিতে নিহত হন অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খান।

এরপর ৫ আগস্ট এ ঘটনায় ৯ জনের বিরুদ্ধে কক্সবাজার আদালতে মামলা করেন সিনহার বোন শারমিন শাহরিয়া ফেরদৌস। পরে মামলাটি র‌্যাবকে তদন্তভার দেয়া হয়।

পরের দিন ৬ আগস্ট আদালতে আত্মসমর্পণ করেন টেকনাফের থানার বরখাস্ত হওয়া ওসি প্রদীপ এবং বাহারছরা পুলিশ ফাড়ীর তৎকালীন ইনচার্জ বরখাস্ত হওয়া পরিদর্শক লিয়াকতসহ পুলিশের ৭ সদস্য।

এরপর র‌্যাব এপিবিএন’র ৩ সদস্য, পুলিশের মামলার ৩ সাক্ষী ও সর্বশেষ পুলিশের একজন কনস্টেবলকে গ্রেপ্তার করে।

মামলায় এখন মোট আসামীর সংখ্যা ১৪ জন। যাদের মধ্যে ১২ জন আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।