চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

সর্বোচ্চ আদালতের বিচারক হিসেবে শপথ নিলেন দুই বিচারপতি

দেশের সর্বোচ্চ আদালত সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের বিচারক হিসেবে শপথ নিয়েছেন বিচারপতি তারিক উল হাকিম এবং বিচারপতি ওবায়দুল হাসান।

সুপ্রিম কোর্টের জাজেজ লাউঞ্জে বৃহস্পতিবার বিকেল সাড়ে ৪টায় প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন এই দুই বিচারপতিকে শপথ বাক্য পাঠ করান। শপথ অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল মো. আলী আকবর।

বিজ্ঞাপন

এতদিন হাইকোর্ট বিভাগের বিচারক হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসা এই দুই বিচারককে বুধবার আপিল বিভাগের বিচারক হিসেবে নিয়োগ দেন রাষ্ট্রপতি। শপথ নেয়া এই দুই বিচারপতিকে নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভেগে এখন বিচারকের সংখ্যা হল আটজন।

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

১৯৫৩ সালের ২০ সেপ্টেম্বর জন্মগ্রহণ করা তারিক উল হাকিম লন্ডন ইউনিভার্সিটিতে আইন শাস্ত্রে স্নাতকোত্তর করেন। দেশে ফেরার পর ১৯৮৭ সালে জেলা বারে এবং দুই বছর পর সুপ্রিম কোর্টে আইনজীবী হিসাবে তালিকাভুক্ত হন তিনি। এরপর ২০০২ সালের ২৯ জুলাই হাইকোর্টের অস্থায়ী বিচারপতি হিসাবে নিয়োগ পান তারিক উল হাকিম এবং এর দুই বছর পর তিনি হাইকোর্টের স্থায়ী বিচারপতি হন। তারিক উল হাকিমের বাবা বিচারপতি মাকসুম উল হাকিম এক সময় হাইকোর্টের বিচারক ছিলেন, পরে তিনি রাষ্ট্রদূতের দায়িত্ব পালন করেন। আর তারিক উল হাকিমের নানা বিচারপতি আমিন আহমদ তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের প্রধান বিচারপতি ছিলেন।

১৯৫৯ সালের ১ নভেম্বর জন্মগ্রহণ করা ওবায়দুল হাসান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগ থেকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর এবং আইন বিভাগ থেকে এলএলবি ডিগ্রি নিয়ে ১৯৮৬ সালের মার্চে জেলা আদালতে আইনজীবী হিসেবে কাজ শুরু করেন। তার দুই বছর পর হাইকোর্ট বিভাগে এবং ২০০৫ সালে আপিল বিভাগের আইনজীবী হিসাবে তালিকাভুক্ত হন। এরপর ২০০৯ সালের ৩০ জুন হাইকোর্ট বিভাগের অতিরিক্ত বিচারপতি হিসাবে নিয়োগ পাওয়ার পর ২০১১ সালের ৬ জুন স্থায়ী বিচারপতি হন ওবায়দুল হাসান। এর পরের বছর তাকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে বিচারকের দায়িত্ব দেওয়া হয়। এরপর কিছুদিন তিনি আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান ছিলেন। ২০১৫ সালের সেপ্টেম্বরে ট্রাইব্যুনাল-২ এর কার্যক্রম বন্ধ হলে বিচারপতি ওবায়দুল হাসান আবার হাইকোর্ট বিভাগের বিচারক হিসেবে ফেরেন। ওবায়দুল হাসানের বাবা ছিলেন মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক ও সাবেক গণপরিষদ সদস্য ডা. আখলাকুল হোসাইন আহমদ।