চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

সফটওয়্যার প্রকৌশলী হতে আগ্রহী স্নাতকদের জন্য কোড স্প্রিন্ট

আইসিটি শিল্পে সফটওয়্যার প্রকৌশলী হতে আগ্রহী স্নাতকদের সফটওয়্যার ইন্ডাস্ট্রির চাহিদা, প্র্যাকটিস এবং প্রয়োজনীয় দক্ষতা সম্পর্কে জানানোর জন্য আগামী ১৫ ও ১৬ ফেব্রুয়ারি ঢাকায় আয়োজন করা হয়েছে ‘ফাল্গুনি কোড স্প্রিন্ট, ২০১৯’।

বাংলাদেশ ওপেন সোর্স নেটওয়ার্ক ও ইন্টারনেট সোসাইটি বাংলাদেশ চ্যাপ্টার যৌথভাবে এই আয়োজন করছে। ইউনিভার্সিটি অব লিবারেল আর্টস (ইউল্যাব)-এর ঝিগাতলা ক্যাম্পাসে দু’দিনব্যাপী এটি অনুষ্ঠিত হবে।

আয়োজকরা জানিয়েছেন, সদ্য বিশ্ববিদ্যালয় স্নাতকদের তত্ত্বীয় ভিত্তিটা খুব ভালো হয়। কিন্তু কখনো কখনো বাস্তব অভিজ্ঞতার অভাবে আরাদ্ধ জ্ঞান প্রয়োগে সীমাবদ্ধতা তৈরি হয়। এছাড়া পড়ার সময় ইন্ডাস্ট্রি এক্সপোজারের সুযোগও সবাই পায় না। ফলে কিছুটা ঘাটতি থেকেই যায়।

এই স্প্রিন্টের উদ্দেশ্যই হলো অংশগ্রহণকারীদের এই ঘাটতি দূর করতে সাহায্য করা এবং ইন্ডাস্ট্রির কিছু মৌলিক প্র্যাকটিসের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেওয়া।

বিশ্ববিদ্যালয় উত্তীর্ণ এবং আইটি ইন্ডাস্ট্রিতে সফটওয়্যার প্রকোশলী হিসাবে যোগ দিতে আগ্রহীদের জন্যই এই স্প্রিন্ট বলে জানিয়েছেন বিডিওএসএন’র স্নাতক কর্মসূচির সমন্বয়কারী মাহবুবা সুলতানা। তিনি জানান, এই স্প্রিন্ট থেকে নির্বাচিতদের পাঠাও, কোভ্যালেন্ট এআই, এসওএল শেয়ার, গেইজ টেকনোলজি, ব্যাকপ্যাকসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে ইন্টার্নশিপ ও ফেলোশিপের সুযোগ দেওয়া হবে।

এই আয়োজনের সঙ্গে যুক্ত ঢাকায় অফিস আছে এমন সিলিকনভ্যালি স্টার্টআপ কোভ্যালেন্ট এআই’র প্রধান কারিগরি কর্মকর্তা তারিক আদনান মুন তার ঢাকায় অফিস স্থাপনের অভিজ্ঞতা বর্ণণা করতে গিয়ে বলেন, ‘আমাদের দেশে মেধাবী সফটওয়্যার প্রকৌশলী রয়েছে। কিন্তু উচ্চ আইকিউ ও কারিগরি দক্ষতা থাকা সত্ত্বেও অনেকেরই প্রোডাক্ট ডেভেলপমেন্ট স্কিল ও সাইকেল সম্পর্ক ধারণা কম।’

তিনি মনে করেন এই আয়োজনটি স্থানীয় টেকি স্নাতকদের একটি সুযোগ করে দিচ্ছে। তিনি আরও জানান, এর মাধ্যমে নির্বাচিতদের কোভ্যালেন্ট আইটি একমাসের নিবিড় প্রশিক্ষণ দেবে এবং এরপর তাদের বিভিন্ন প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানে চাকরি পেতে সহায়তা করবে।

বাংলাদেশ ওপেন সোর্স নেটওয়ার্কের সাধারণ সম্পাদক মুনির হাসান বলেন, ‘আমাদের দেশে সফটওয়্যার ফিনিশিং স্কুলের ধারণাটি পোক্ত হয়নি। তাছাড়া পড়াশোনার সময় ইন্ডাস্ট্রির সঙ্গেও সে অর্থে সংশ্লিষ্টতা তৈরি হয় না। এই উদ্যোগটি সেই অভাব পূরণ করবে। তিনি আশা করেন, কারিগরি প্রতিষ্ঠানগুলো এগিয়ে এলে এ ধরনের আয়োজনকে আরও বড় আকারে ছড়িয়ে দেওয়া সম্ভব।

অংশগ্রহণে আগ্রহীরা বিস্তারিত জানতে পারবেন goo.gl/Ubi7yu এই ঠিকানায়।