চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

সংযত না হলে সামনে মহাবিপদ

এপ্রিলের দ্বিতীয় সপ্তাহ থেকে এখনও প্রতিদিনই প্রায় ১০০ এর আশে পাশে মৃত্যুর হচ্ছে করোনায়। দেখতে দেখতে করোনায় মৃত্যু ১১ হাজার ছাড়িয়েছে। এরইমধ্যে দেশজুড়ে চলা কড়াকড়ি আরও এক সপ্তাহ (৫ মে পর্যন্ত) বাড়ানো হয়েছে। কিন্তু সেইসঙ্গে দোকানপাট খুলে দেয়া হয়েছে।

নানা মিশ্র প্রতিক্রিয়ার পরে এবং দেশের অর্থনীতিকে সঠিক ধারায় রাখতে বলতে গেলে সরকার অনেকটাই চাপের মধ্যে দোকানপাট খোলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। যাতে করে ক্রেতা-বিক্রেতা উভয়েই তাদের একান্ত প্রয়োজন মেটাতে পারে। কিন্তু দোকান খোলার প্রথম দিনই যে চিত্র গণমাধ্যমে উঠে এসেছে, তা উদ্বেগজনক। স্বাস্থ্যবিধি মানার কথা বলা হলেও তা বেশিরভাগই উপেক্ষিত হয়েছে। মাস্ক নেই, থাকলেও থুতনির নীচে, গায়ে গা লাগিয়ে ভিড় করে থাকাসহ নানা নেতিবাচক চিত্র দেখা গেছে রাজধানীসহ সারাদেশের মার্কেটগুলোতে।

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

প্রতিবেশী দেশ ভারতে এই মুর্হূতে করোনার পরিস্থিতি সারাবিশ্বের মধ্যে সবচেয়ে খারাপ। নির্বাচন, ধর্মীয় জমায়েত ও অপ্রয়োজনীয় নানা কারণে সেদেশের সংক্রমণ মাত্রা ছাড়িয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। প্রতিদিন কয়েক হাজার মৃত্যু ও তিন লাখের বেশি আক্রান্ত হওয়া এক নারকীয় পরিবেশ তৈরি করেছে সেদেশে। যদিও কিছুদিন আগেও ভাল ছিল করোনা পরিস্থিতি। আমাদের দেশেও কী সেরকম পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে? অবহেলা আর অসচেতনতায় আমাদের সামনেও কি সেরকম বিপদ অপেক্ষা করছে?

করোনা থেকে বাঁচতে স্বাস্থ্যবিধি মানার বিকল্প একেবারেই নেই। ভ্যাকসিনকে সর্বশেষ ভরসা বলা হলেও ভ্যাকসিন স্বল্পতা ও অপ্রাপ্তি আরেক বিপদকে সামনে টেনে এনেছে। কাজেই অহেতুক ঘোরাঘুরি আর অসতর্ক না হয়ে প্রয়োজন সর্বোচ্চ সতর্কতা, নাহলে সামনে ভারতে মতো মহাবিপদ হয়তো অপেক্ষা করছে আমাদের জন্য।