চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

শ্বাসকষ্ট নিয়ে হাসপাতালে কিংবদন্তী অভিনেত্রী সন্ধ্যা রায়

উদ্বিগ্ন টলিউড:

জ্বর, শ্বাসকষ্ট নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের কিংবদন্তী অভিনেত্রী সন্ধ্যা রায়। 

মহামারীর কারণে বিপর্যস্ত ভারত। চারদিকে মৃত্যু মিছিল আর দুঃসংবাদ। এরমাঝেই শুক্রবার ‘মনিহার’ ছবির এই অভিনেত্রীর অসুস্থতার খবর সামনে আসে।

বিজ্ঞাপন

পারিবারিক সূত্রের বরাতে পশ্চিমবঙ্গের সংবাদমাধ্যমগুলো বলছে, সন্ধ্যা রায়কে বর্তমানে আর এন টেগর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তার শ্বাসকষ্টের সমস্যা রয়েছে। পাশাপাশি জ্বরও রয়েছে। সর্দির কারণেই বুকে কফ জমেছে।

বর্তমানে প্রবীণ অভিনেত্রীকে আইসোলেশন ওয়ার্ডে রাখা হয়েছে। কারণ তার করোনা উপসর্গ রয়েছে। ইতিমধ্যে বর্ষীয়াণ অভিনেত্রীর কোভিড পরীক্ষা করা হয়েছে। নমুনা পাঠানো হলেও রিপোর্ট এখনও আসেনি বলেই জানিয়েছেন ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস।

এদিকে বাংলা চলচ্চিত্র জগতের একসময়কার জনপ্রিয় অভিনেত্রীর অসুস্থ হওয়ার খবর প্রকাশ্যে আসতেই উদ্বিগ্ন টলিপাড়া। তার দ্রুত আরোগ্য কামনা করেছেন শিল্পী ও কলা-কুশলীরা।

তিনি পশ্চিমবঙ্গের নবদ্বীপে জন্মগ্রহণ করেন। এর কিছুদিন পর তিনি তার পরিবারের সাথে বাংলাদেশে চলে আসেন। সন্ধ্যা রায়ের পৈতৃক নিবাস যশোরের বেজপাড়াতে। তার দাদা ছিলেন একজন জমিদার। তিনি ৭ বছর বয়সে তার বাবাকে এবং ৯ বছর বয়সে মাকে হারান। তার একজন ভাই আছে। তার মা-বাবা মৃত্যুর পর তিনি তার মামার কাছে চলে যান এবং বিদ্যালয়ে ভর্তি হন। ১৯৫৭ সালে তিনি আবার ভারতে চলে যান।

সন্ধ্যা রায় অভিনীত প্রথম চলচ্চিত্র হল ‘মামলার ফল’ যেখানে সাবিত্রী চট্টোপাধ্যায় অভিনয় করেছিলেন। তার অসামান্য অভিনয় কৌশলের তিনি অনায়াসে যে কোন সিনেমার চরিত্রের সাথে সহজেই খাপ খাওয়াতে পারতেন। সমালোচক কর্তৃক প্রসংশিত সিনেমাগুলোর মধ্যে সত্যজিত রায়ের ‘অশনী সংকেত’ এবং তরুণ মজুমদারের ‘থাগিনি’ এবং পুরোদস্তুর বাণিজ্যিক চলচ্চিত্র যেমন ‘বাবা তারকনাথ’ বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।

তিনি বিশ্বজিৎ এবং সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের বিপরীতে রোমান্টিক সিনেমা ‘মনিহার’ এবং বিশ্বজিতের বিপরীতে থ্রিলার সিনেমা কুহেলি’তে অভিনয় করেন।

বিজ্ঞাপন