চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

শুকরানা মাহফিল সংবর্ধনা নয়, দোয়া: ওবায়দুল কাদের

কওমি শিক্ষার সর্বোচ্চ স্তর দাওরায়ে হাদিসের সনদকে মাস্টার্স ডিগ্রি সমমানের স্বীকৃতিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে সম্মাননা জানাতে আয়োজিত ‘শুকরানা মাহফিল’ সম্পর্কে সড়ক পরিবহন ও সেতু বিষয়ক মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, এটা সংবর্ধনা নয়, এটা দোয়া।

‘আমাদের সাথে যারা শরিক আছেন, এ ধরনের আক্রমণাত্মক ভাষা ব্যবহার থেকে দূরে থাকতে বলেছি। দলের সদস্যদের পাশাপাশি যারা মন্ত্রিসভায় আছেন তাদেরও প্রধানমন্ত্রী আহ্বান জানিয়েছেন,’ বলেন তিনি।

‘আল-হাইয়াতুল উলইয়া লিল জামিয়াতিল কওমিয়া বাংলাদেশ’ আয়োজিত শুকরানা মাহফিল সম্পর্কে সচিবালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার সাজার বিষয়ে আইনি লড়াই চালিয়ে যেতে দলটিকে আহ্বান জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘বেগম জিয়াকে আমরা শাস্তি দেইনি, তাকে মুক্তিও আমরা দিতে পারি না।’

বিজ্ঞাপন

‘মামলার সঙ্গে রাজনৈতিক বিষয় তথা নির্বাচনকে মেলানোর কোনো যুক্তি নেই। যে মামলায় দণ্ড হয়ে গেছে, তাতে জামিন হবে কিনা সেটা উচ্চ আদালতের ব্যাপার, তারা আইনি লড়াই করুক,’ বলেন তিনি।

ওবায়দুল কাদের বলেন, বেশ কিছু দাবি মেনে নেয়া হচ্ছে, সভা সমাবেশের অনুমতি দেয়ার পাশাপাশি, নির্বাচনকালীন সরকারি যে কোনো সুবিধা, প্রোটোকল, পতাকাবাহী গাড়ীসহ অনেক কিছুরই ব্যবস্থা করা হচ্ছে।

‘লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরির ব্যাপারে আন্তরিক আমরা। তফসিল ঘোষণার পর সব নিয়ন্ত্রণ নির্বাচন কমিশনের হাতে, বিদেশি পর্যবেক্ষক আনার বিষয়টিও কমিশনের। এখন পর্যন্ত যতটা সংলাপ হয়েছে, আমি মনে করি ফলপ্রসূ এবং সফল হয়েছে। একটি সংলাপের মধ্য দিয়েই এতদিনের বরফ গলে যাবে এটা ভাবা যাবে না। সংলাপ এবং আন্দোলন একসাথে চলে না,’ বলেন তিনি।

এবারও নির্বাচনকালীন মন্ত্রিসভা সাইজ ছোট হবে কি না, তা এখনো সিদ্ধান্ত হয়নি জানিয়ে কাদের বলেন, এখনো সংলাপ বাকি আছে, সেখানে আলাপ আলোচনা করা হবে।

‘নির্বাচন কমিশন সেটা স্বাধীনভাবে সিদ্ধান্ত নেবে। আমরা তাতে সহায়তা করব।’

বিজ্ঞাপন