চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

লিটনের মাথায় আঘাত নিয়ে ‘দুশ্চিন্তা’

ব্যাটসম্যানদের একের পর এক ব্যর্থতায় ধুঁকতে ধুঁকতে প্রথম সেশনের বিরতিতে গেছে বাংলাদেশ। টপাটপ ছয় উইকেট হারানোর পিঠে বাড়তি দুশ্চিন্তা হয়ে এসেছে লিটন দাসের মাথায় আঘাত পাওয়া।

ইনিংসের ২১তম ওভারের তৃতীয় বলে সামির বাউন্সারে হুক খেলতে গেলে বল সরাসরি লিটনের হেলমেটে আঘাত হানে। তাতে কপালের ডানঅংশ ফুলে যায় তার। ফিজিওর সাথে মাঠেই কিছুক্ষণ সময় কাটিয়ে তখন ব্যাটিং চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন ডানহাতি এ ব্যাটসম্যান।

বিজ্ঞাপন

কিন্তু ২২তম ওভারে যেয়ে অস্বস্তি বোধ করায় আম্পায়ারের কাছে আবেদন করেন আহত অবসরের। তখন লিটনের বিরতি অনুমোদন করার সাথে সাথেই প্রথম সেশনের বিরতিও ঘোষণা করেন মাঠ আম্পায়াররা।

আহত অবসরের সময় লিটনের নামের পাশে ২৪ রান। ইনিংসের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ। সর্বোচ্চ ২৯ করে ফিরেছেন ওপেনার সাদমান ইসলাম।

বাংলাদেশ-৭৩/৬ (২১.৪)

শুক্রবার ইডেন গার্ডেনসে টস জিতে ব্যাটিংয়ে নেমে ব্যাটসম্যানদের ধুঁকতে থাকার সময়ে নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারিয়েছে বাংলাদেশ। গোলাপি বলের দিন-রাতের টেস্টে ইমরুল কায়েসকে দিয়ে উইকেট পতনের শুরু।

বিজ্ঞাপন

পরে ঝটপট মুমিনুল হক, মোহাম্মদ মিঠুন, মুশফিকুর রহিম ফিরে যান রানের খাতা খুলতে না পেরেই। টাইগারদের বিপদ বাড়িয়ে এরপর মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ ও লড়তে থাকা সাদমানও সাজঘরে হাঁটা দেন।

বাংলাদেশ-ভারত দু’দেশেরই প্রথম দিন-রাতের টেস্ট এটি। যাতে টস জিতে আগে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন অধিনায়ক মুমিনুল। ইন্দোর টেস্টের মতো কলকাতায়ও অধিনায়কের সিদ্ধান্তের সুবিচার করতে পারেননি ইমরুল। টানা তিন ইনিংসে নামের পাশে দু-অঙ্কের সংগ্রহ জমানো সম্ভব হয়নি তার।

ইশান্তের করা ম্যাচের সপ্তম ওভারের প্রথম বলে ইমরুলকে আউট দিয়েছিলেন আম্পায়ার। ঝটপট রিভিউ নিয়ে নিজের ক্রিজে থাকা নিশ্চিত করেন তখন ৪ রানে থাকা বাঁহাতি ওপেনার। সেটি দুই বলের বেশি স্থায়ী হয়নি। ওই ওভারেরই চতুর্থ বলে অফস্টাম্পের অনেক বাহির থেকে ভেতরে ঢোকানো বলে তাকে এলবিডব্লিউ করেন ইশান্ত। এদফা রিভিউ নিয়েও বাঁচতে পারেননি তিনি।

পরের ওভারটি করতে আসেন মোহাম্মদ সামি। তার প্রথম ওভারের দ্বিতীয় বলে আবার রিভিউয়ের ব্যবহার। এবার আম্পায়ার সাদমান ইসলামকে আউট দেননি। সতীর্থদের সঙ্গে শলাপরামর্শ করে রিভিউ নিয়েছিলেন কোহলি। সেটি গেছে বিফলে। ইনিংসের অষ্টম ওভারের মধ্যে বাংলাদেশ-ভারত দুদলই একটি করে রিভিউ হারিয়েছে তাতে।

খানিক পর নিজের ব্যাটিং সিদ্ধান্তের প্রতি সুবিচার করতে পারেননি মুমিনুলও। উমেশ যাদবের বলে দ্বিতীয় স্লিপে দর্শনীয় এক ক্যাচে রোহিত প্রতিপক্ষ অধিনায়কের সাজঘরে ফেরা নিশ্চিত করেন। মুমিনুল তখন রানের খাতাই খুলতে পারেননি ৭ বল খেলে।

দুই বল খেলে রানের খাতা খুলতে পারেননি মোহাম্মদ মিঠুনও। যাদবের বলেই বোল্ড তিনি। মোহাম্মদ সামির বলে বোল্ড হয়ে নামের পাশে কোনো রান যোগ না করেই আউট হয়েছেন মুশফিকুর রহিমও। টিকতে পেরেছেন সবে ৪ বল।

মাহমুদউল্লাহ ২১ বল ছিলেন, যেতে পেরেছেন ৬ রান পর্যন্ত। ইশান্তের বলে উইকেটের পেছনে শাহার দারুণ এক ক্যাচে ফিরেছেন তিনি। তার আগেই লড়তে থাকা সাদমান থামেন। এ ওপেনারের ৫২ বলের ইনিংসটি ২৯ রানের।

Bellow Post-Green View