রাজশাহীতে আমবাগানের পোকা দমনে অনেক চাষী এবার ব্যবহার করছেন ফ্রুট ব্যাগিং পদ্ধতি। এতে কমে যাচ্ছে আম উৎপাদনের ব্যয়ও।
চাঁপাইনবাবগঞ্জ, নাটোর ও রাজশাহী জেলার বিভিন্ন এলাকার বাগানে বাগানে এবার ব্যবহার হচ্ছে ফ্রুট ব্যাগিং পদ্ধতি। এ অঞ্চলে প্রায় এক লাখ ৫০ হাজার আম ব্যাগিং করা হয়েছে।
একজন শ্রমিক প্রতিদিন চারশ’ থেকে সাড়ে চারশ’ আম ব্যাগিং করছেন। খিরশাপাত ও ল্যাংড়া আমের বাগানে ব্যাগিং করা হচ্ছে ৪৫ দিনের আম।
কিছুদিন পর শুরু হবে ফজলি ও আশ্বিনা আমে ব্যাগিং। ব্যাগিং করায় আমের উৎপাদন খরচ কম হচ্ছে। সে সঙ্গে এবার আমের দাম বেশী পাওয়া যাবে বলে আশা বাগান মালিকের।
রাজশাহীর আম চাষী ও গবেষক আনোয়ারুল হক বলেন, ব্যাগিং করায় আমের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে এছাড়াও বাগানের আম গুলো বিশুদ্ধ এবং পরিবেশের জন্য অনেক ভালো।
ব্যাগিং পদ্ধতিতে উৎপাদিত আম এবার বিদেশে রপ্তানীর পরিকল্পনা নিয়েছেন ব্যবসায়ী ও রপ্তানীকারকরা।
চাঁপাইনবাবগঞ্জের আঞ্চলিক উদ্যানতত্ত্ব গবেষণা কেন্দ্রের উর্ধ্বতণ বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. শরফ উদ্দিন বলেন, আমে ব্যাগ পড়ানোতে সবচেয়ে উপকার হলো আমে কোনো বালাই নাশকের প্রয়োজন হবে না। এবং সুন্দর রংয়ের একটি আম হবে।
তিনি আরও বলেন বিদেশে রপ্তানী করার জন্য আমে সুন্দর রং প্রয়োজন। আমাদের দেশে যেসব জাতের আম হয় সেসব আম ভালো রং হয় না। এই ব্যাগিং পদ্ধতিতে সব জাতের আমে সুন্দর একটা রং হয় এবং আমের স্বাদেরও কোনো পরিবর্তন হয় না।
আমে ফ্রুট ব্যাগিং পদ্ধতি ব্যবহার সর্বত্র ছড়িয়ে দেয়ার পরিকল্পনাও নিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।










