চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

‘যে হাতের মুঠোয় বারবি ডল থাকার কথা সে হাতে ফাঁসির দাবী!’

সোমবার থেকে একদল শিক্ষার্থীদের একটি ছবি সোশাল মিডিয়ায় ভাইরাল। সেই ছবিতে দেখা যায়, রাস্তায় নেমেছেন কিছু ক্ষুদে শিক্ষার্থী। তাদের হাতে ধর্ষকের ফাঁসির দাবীর প্ল্যাকার্ড। মূলত তারা রাজধানীর পুরান ঢাকার ওয়ারীতে অবস্থিত ঐতিহ্যবাহী সিলভারডেল প্রিপারেটরি অ্যান্ড গার্লস হাইস্কুলের শিক্ষার্থী। ধর্ষণের পর নির্মম হত্যার শিকার সাত বছরের শিশু সামিয়া আক্তার সায়মার সহপাঠী তারা। সেই হত্যাকারীর ফাঁসির দাবি নিয়ে রাজপথে নেমেছে এই কোমলমতি শিশুরা।

চার দিন আগে ওয়ারীর নিজেদের বাসার উপরের ফ্ল্যাটে খেলতে গিয়ে শিশু সামিয়াকে ধর্ষণের পর হত্যার শিকার হয়। এই ঘটনায় সারাদেশের মানুষ ঘৃণা, ধিক্কার আর তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে। প্রতিবাদের ঢেউ উঠেছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও। সেই প্রতিবাদে শামিল হয়েছে সামিয়ার সহপাঠীরাও। ক্ষুদে এই শিক্ষার্থীদের প্রতিবাদ ছুঁয়ে গেছে দেশের প্রায় সব নাগরিককে, ছুঁয়ে গেছে অভিনেত্রী, নির্মাতা ও কণ্ঠশিল্পী মেহের আফরোজ শাওনকেও।

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

ক্ষুদে শিক্ষার্থীদের ভাইরাল হওয়া ছবিটি নিজের ফেসবুকে শেয়ার করে শাওন লিখলেন,

‘‘এই বাচ্চাগুলো ফাঁসি বোঝে? হত্যাকারী বোঝে? ধর্ষণ বোঝে? কী দূর্ভাগা বাবা মা আমরা! যে হাতের মুঠোয় বারবি ডল থাকার কথা সে হাতে ফাঁসির দাবী নিয়ে রাজপথে নামতে হয়েছে!

কন্যাশিশুর মা’য়েরা…
হাঁটতে শেখানোর পাশাপাশি আত্মরক্ষার জন্য কন্যাকে ‘তায়কোয়ান্ডো’, ‘কারাতে’, ‘কিকবক্সিং’, ‘জুডো’, ‘জিউ জিতসু’ এসব শেখান। অসৎ স্পর্শের ইঙ্গিত পেলেই যেন জায়গামতো মেরে তক্তা বানিয়ে দেয়।

এই ছবিটা গতকাল সারাদিন ফেসবুকে ঘুরেছে। আমি তাড়াতাড়ি স্ক্রল করে সরিয়ে ফেলেছিলাম। আজ খুঁজে বের করে নিজের দেয়ালে টাঙিয়ে রাখলাম। দুই হাত দিয়ে ‘সামিয়া’র নামের উপরের অংশটা শক্ত করে ধরা মাঝখানের বাচ্চাটার চোখগুলোর দিকে তাকিয়ে ছিলাম এতোক্ষণ…! এই দৃষ্টির কোনো জবাব কি আছে আইনের হাতে?’’