চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

যেভাবে আপিল বিভাগ-চেম্বার আদালত ও হাইকোর্ট চলবে

দেশে করোনাভাইরাসের প্রার্দুভাবজনিত উদ্ভূত পরিস্থিতিতে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ, চেম্বার আদালত এবং হাইকোর্ট বিভাগের বিচারিক কার্যক্রম ভার্চুয়াল মাধ্যমে সীমিত পরিসরে চলবে বলে জানানো হয়েছে।

প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের আদেশক্রমে রোববার দেয়া বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত আগামী ১২ এপ্রিল থেকে আপিল বিভাগের (প্রধান বিচারপতি যে বেঞ্চে বসেন) ১ নম্বর কোর্টে প্রতি রবি, মঙ্গল ও বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৯টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত ভার্চুয়াল মাধ্যমে বিচারিক কার্যক্রম চলবে। এছাড়া ভার্চুয়াল মাধ্যমে আপিল বিভাগের চেম্বার আদালত প্রতি সপ্তাহে সোম ও বুধবার বেলা ১১টা থেকে অতি জরুরি বিষয়ে শুনানি করবেন।

অন্যদিকে, আগামী ১২ এপ্রিল থেকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত ভার্চুয়াল মাধ্যমে হাইকোর্টের চারটি বেঞ্চে বিচারিক কার্যক্রম চলবে। এই চারটি বেঞ্চের মধ্যে বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের সমন্বয়ে একটি, বিচারপতি এফ আর এম নাজমুল আহাসান ও বিচারপতি শাহেদ নূরউদ্দিনের সমন্বয়ে একটি এবং বিচারপতি জে বি এম হাসান ও বিচারপতি রাজিক আল জলিলের সমন্বয়ে অপর একটি দ্বৈত বেঞ্চ গঠন করে দেয়া হয়েছে। আর একটি একক বেঞ্চে বিচারিক কার্যক্রম পরিচালনা করবেন বিচারপতি মুহাম্মদ খুরশীদ আলম সরকার। হাইকোর্টের এই বেঞ্চগুলো গত ৫ এপ্রিল থেকে ১১ এপ্রিল পর্যন্ত ভার্চুয়াল মাধ্যমে বিচারিক কার্যক্রম পরিচালনা করেছেন।

বিজ্ঞাপন

এর আগে প্রধান বিচারপতির আদেশক্রমে দেয়া বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবজনিত উদ্ভুত পরিস্থিতিতে গত ৫ এপ্রিল থেকে ১১ এপ্রিল পর্যন্ত শুধুমাত্র ভার্চুয়াল উপস্থিতির মাধ্যমে মঙ্গল ও বৃহস্পতিবার সকাল ১১টা থেকে আপিল বিভাগের চেম্বার আদালতে জরুরি বিষয়ে শুনানি গ্রহণ করা হয়। এছাড়া ৫ এপ্রিল থেকে এফিডেভিটকৃত অতীব জরুরি বিষয়ে ৪ টি ভার্চুয়াল হাইকোর্ট বেঞ্চে বিচারিক কার্যক্রম চলে।

গত বছর দেশে করোনা সংক্রমণ ঝুঁকির প্রেক্ষাপটে আদালতগুলোতে টানা সাধারণ ছুটি চলার এক পর্যায়ে সুপ্রিম কোর্টের উভয় বিভাগের বিচারপতিদের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত ‘ফুল কোর্ট সভা’ থেকে ভার্চুয়াল আদালত পরিচালনা সংক্রান্ত অধ্যাদেশ জারির জন্য রাষ্ট্রপতিকে অনুরোধ জানানোর সিদ্ধান্ত হয়। পরবর্তীতে ভার্চুয়াল উপস্থিতিকে স্বশরীরে আদালতে উপস্থিতি হিসেবে গণ্য করে অধ্যাদেশ জারি করেন রাষ্ট্রপতি মো. আব্দুল হামিদ। সে অধ্যাদেশ জারির পর গত বছরের ১১ মে থেকে দেশে ভার্চুয়াল আদালতের যাত্রা শুরু হয়। প্রথমে দেশের অধস্তন আদালত, এরপর হাইকোর্ট এবং পরবর্তীতে সুপ্রিম কোর্টের চেম্বার আদালত ও আপিল বিভাগের বিচারিক কার্যক্রম চলতে থাকে ভার্চুয়াল মাধ্যমে। এরপর ভার্চুয়ালের পাশাপাশি শারীরিক উপস্থিততে আদালতের কার্যক্রম চলে।

বিজ্ঞাপন