চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

যুব বিশ্বকাপের নতুন চ্যাম্পিয়ন ওয়েস্ট ইন্ডিজ

ভারতকে হারিয়ে প্রথমবারের মতো অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপের শিরোপা জিতেছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ফাইনালে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের ম্যাচে ভারতকে ৫ উইকেটে হারায় ক্যারিবীয়রা।

প্রথম ব্যাট করে ১৪৫ রানে অলআউট হয় ভারত। জবাবে ৩ বল বাকি থাকতে ৫ উইকেটে হারিয়ে জয় তুলে নেয় ওয়েস্ট ইন্ডিজ।

ছোট টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে শুরুতে অস্বস্তিতে পড়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজও। দুই ওপেনারকে হারিয়ে কিছুটা চাপে পড়ে তারা। দলীয় ৫ রানে ৩ রান করে আবেশ খানের শিকার হয়েছেন ক্যারিবীয় ওপেনার গিডরন পোপ। আর দলীয় ২৮ রানের মাথায় খলিল আহমেদের বলে আউট হন টেভিন ইমলাস।

দুই ওপেনার ফেরার পর কেসি কারটিকে সঙ্গে নিয়ে ৩৯ রানের ‍জুটি গড়েন অধিনায়ক সিমরোন হেটমায়ার। কিন্তু ১০ রানের ব্যবধানে ৩ উইকেট হারিয়ে ফের বিপদে পড় ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ২৩ রান করে অধিনায়ক ফেরার পর দ্রুত আউট হন সামার স্পিরিংগার (৩) ও জায়েড গোলি (৩)।

Advertisement

তবে সতীর্থদের আসা-যাওয়ার মাঝেও একপাশ আগলে রাখেন কারটি। ৭৭ রানে পঞ্চম উইকেটের পতনের পর কিমো পলকে সঙ্গে নিয়ে ৭২ রানের জুটি গড়েন তিনি। শেষ পর্যন্ত ৫২ রানে অপরাজিত থেকে দল জিতিয়ে মাঠ ছাড়েন কারটি। তাকে দারুণ সঙ্গ দেন পল। তিনি অপরাজিত থাকেন ৪০ রানে।

ভারতের হয়ে ২৫ রান খরচায় ৩ ‍উইকেট নেন মায়ান্ক দাগার। একটি করে উইকেট নেন আবেশ খান ও খলিল আহমেদ।

এরআগে টস জিতে প্রথম ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত নেন ওয়েস্ট ইন্ডিজ অধিনায়ক হেটমায়ার। ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই ক্যারিবিয়ান বোলিং ঝড়ের মুখে বেকায়দায় পড়ে ভারত। স্কোর বোর্ডে মাত্র ২৭ রান তুলতেই তারা হারিয়ে ফেলে প্রথমসারির তিন  ব্যাটসম্যানকে। দলীয় ৩ রানে প্রথম, ৯ রানের দ্বিতীয় উইকেট হারানোর পর ২৭ তৃতীয় উইকেট হারায় ভারত।
পতন অব্যাহত রেখে ৪১ রানে সাজঘরে ফেরেন মিডল অর্ডার ব্যাটসম্যান ওয়াশিংটন সুন্দর। আর দলীয় ৫০ রানের পঞ্চম উইকেট হিসেবে আউট হন আরমান জাফর। দলীয় ৮৭ রানের ষষ্ঠ উইকেট হিসেবে শিকার হন মহিপাল লমরর।
কিছুটা থিতু হওয়ার চেষ্টা করেও ১১৬ রানের মাথায় আউট হন মায়ান্ক দাগার। চার রানের ব্যবধানে সাজঘরে ফেরেন একা হাতে ভারতীয় ইনিংস টানা সরফরাজ খান। ফেরার আগে তিনি করে দলীয় সর্বোচ্চ ৫১ রান। এরপরই ১ রান করে দলীয় ১২৩ রানে আউট হন আবেশ খান।

তিনটি উইকেট নেন ক্যারিবীয় পেসার আলজারি জোসেফ ও রায়ান জন। কিমো পল নেন দুটি উইকেট।  একটি করে উইকেট নিয়েছেন হোল্ডার ও সারমার স্পিংগার।