চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

যুক্তরাজ্যে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ, তিন স্তরের বিধিনিষেধ

বিশ্বজুড়ে ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্ত ৩ লাখ ১৫ হাজার

করোনাভাইরাস সংক্রমণের দ্বিতীয় ঢেউ (সেকেন্ড ওয়েভ) দেখছে যুক্তরাজ্য। দেশটির প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন বলেছেন, এমন কিছু যে ঘটবে তা অনিবার্য ছিল।

তারপরও আর বড় ধরনের লকডাউনে যেতে চান না জানিয়ে তিনি বলেন, তবে সামাজিক দূরত্বের নিয়মগুলি কঠোরভাবে পালনের প্রয়োজন হতে পারে।

বিজ্ঞাপন

‘‘পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে তাই তিন স্তরের নতুন বিধিনিষেধ বিবেচনা করা হচ্ছে। এই ব্যবস্থায় জাতীয় লকডাউন দেয়া হবে না কিন্তু এক বাড়ি থেকে অন্য বাড়িতে যোগাযোগ বন্ধ করা হবে।’’

বিজ্ঞাপন

সামাজিক দূরত্বকে মূল বিবেচনায় রেখে প্রথম স্তরটি এখন যুক্তরাজ্যের বেশ কিছু অংশে চালু রয়েছে।

দ্বিতীয় স্তরটি ইংল্যান্ডের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের কিছু এলাকায় আরোপিত হয়েছে। সেখানে খাওয়া দাওয়ার জায়গা এবং একবাড়ি থেকে অন্য বাড়িতে মেলামেশায় কারফিউ জারি করা হয়েছে। আর তৃতীয় স্তরে অনেক কঠোর লকডাউন ব্যবস্থা থাকবে।

বিজ্ঞাপন

যুক্তরাজ্যে এই ভাইরাসে মোট আক্রান্ত হয়েছে ৩ লাখ ৮৫ হাজারের বেশি মানুষ। প্রাণ হারিয়েছে ৪১ হাজার ৭০০ জন। একদিনে ৪ হাজার ৩০০ জনের বেশি আক্রান্ত হওয়ায় দুশ্চিন্তা বাড়ছে সেখানে।

লকডাউনে যাচ্ছে স্পেনের রাজধানী
যুক্তরাজ্য না গেলেও করোনাভাইরাসের সংক্রমণ এড়াতে লকডাউনে যাচ্ছে স্পেনের রাজধানী মাদ্রিদ। ইউরোপে সবচেয়ে বেশি আক্রান্তের সংখ্যা স্পেনে তার মধ্যে সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত মাদ্রিদ।

সোমবার থেকে ৮ লাখ ৫০ হাজার জনসংখ্যার দেশটি কঠোর লকডাউন দিতে যাচ্ছে। উত্তর গোলার্ধের এই দেশে শীত আসার সঙ্গে সঙ্গে দ্বিতীয় ঢেউয়ের আশঙ্কা করছে অনেকে। দেশটিতে বর্তমানে ৬ লাখের বেশি মানুষ এই ভাইরাসে আক্রান্ত। আর প্রাণ হারিয়েছে ৩০ হাজারের বেশি মানুষ।

শনাক্ত আরও ৩ লাখ
বিশ্বে এই ভাইরাসে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ৩ কোটি ৬ লাখ ৮৬ হাজার ছাড়িয়েছে। একদিনে এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে ৩ লাখ ১৫ হাজারের বেশি মানুষ। আর প্রাণ হারিয়েছে ৫ হাজার ৪০০ জনেরও বেশি মানুষ।

একদিনে সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত ও মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে ভারতে। সেখানে একদিনে আক্রান্ত ৯২ হাজারের বেশি মানুষ আর প্রাণ হারিয়েছে ১,২২১ জন। যুক্তরাষ্ট্রে এই সংখ্যা ৫১ হাজার আর মৃত ৯৫৮ জন। ব্রাজিলে একদিনে আক্রান্ত প্রায় ৪০ হাজার আর মৃত ৮২৬ জন।

গত বছরের ডিসেম্বরে চীনের উহান থেকে ছড়িয়ে পড়া এই ভাইরাসে এখন পর্যন্ত বিশ্বব্যাপী ৯ লাখ ৫৬ হাজারেরও বেশি মানুষ প্রাণ হারিয়েছে।