চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

মেসির সঙ্গে ‘যুদ্ধে’ জড়াবেন না বার্সা সভাপতি

ক্লাব অধিনায়ক লিওনেল মেসির সঙ্গে দ্বন্দ্বে জড়ানোর কোনো ইচ্ছে নেই জোসেপ মারিয়া বার্তেমেউয়ের। গত মাসে বার্সা ছাড়ার ইচ্ছার ঘোষণা দিয়েছিলেন ৩৩ বছর বয়সী ফরোয়ার্ড, সেটা ভুলে সবাইকে সামনে চলার আহ্বান জানিয়েছেন বার্সেলোনা সভাপতি।

গত আগস্টের শেষ নাগাদ বার্সা ছাড়তে চাওয়ার ঘোষণা দিয়েছিলেন মেসি। পরে বাই আউট ক্লজ নিয়ে দুপক্ষের রশি টানাটানির শেষে অন্তত আরেকটা মৌসুম ন্যু ক্যাম্পে থেকে যাওয়ার সিদ্ধান্তের কথা জানান আর্জেন্টাইন ফরোয়ার্ড। গোল ডটকমকে সাক্ষাৎকারে মেসি জানিয়েছেন, ক্লজ নিয়ে প্রিয় ক্লাবকে আদালতে তুলতে চান না বলেই থেকে যাচ্ছেন। ক্লাব প্রেসিডেন্টকে যে সহ্য হচ্ছে না সেটা জানাতেও তখন ভুল করেননি মেসি।

বিজ্ঞাপন

জবাবে টিভি-থ্রিকে বার্তেমেউ বলেছেন, ‘ক্লাব প্রেসিডেন্ট হিসেবে আমি কিছুতেই মেসির সঙ্গে দ্বন্দ্বে জড়াবো না। মেসি আমাদের অধিনায়ক, আমাদের নেতা। এই বিষয়টা এখন তুলে রাখা উচিৎ, মেসি যাই বলুক না কেনো!’

বিজ্ঞাপন

‘আমি কিছুতেই বিশ্বের সেরা খেলোয়াড়টিকে চলে যেতে দিতাম না। দলে তার প্রয়োজন আছে, সে সাফল্যের নিশ্চয়তা দেয়। এসব বিষয় ঘরে আলোচনা করতে হবে। তার দলের এবং খেলোয়াড়দের সমর্থন করা উচিৎ।’

‘মেসি যে শেষপর্যন্ত থেকে গেছে, সেজন্য তাকে আমাদের অভিবাদন দেয়া উচিৎ। সে নতুন কোচ কোম্যানের সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহী। সে বার্সার হয়ে খেলছে, এটাই গুরুত্বপূর্ণ। আমরা চাই সে এখান থেকেই অবসর নেবে।’

মেসি না হয় বার্সায় থেকে গেলেন, বার্তেমেউয়ের কী হবে? তাকে অনাস্থা ভোটের মাধ্যমে সরানোর জন্য এরইমধ্যে ২০ হাজারের বেশি স্বাক্ষর সংগ্রহ করে ফেলেছে ক্লাব সমর্থকরা। এসব স্বাক্ষর বৈধতা পেলে অনাস্থা ভোটে পড়বেন বার্তেমেউ, তাতে তার বিপক্ষে দুই-তৃতীয়াংশ ভোট পড়লে আগামী মার্চের নির্বাচনের আগেই ক্ষমতা ছাড়তে হবে।

যা কিছু হোক নির্ধারিত সময়ের আগে কিছুতেই গদি ছাড়বেন না বলে জানিয়েছেন কাতালান এ ব্যবসায়ী, ‘অন্তত এখন কেউ ক্ষমতা ছাড়ার কথা চিন্তা করছে না। ক্লাব কিছুতেই থামবে না। অনেকেই হয়তো স্বাক্ষরের পরিমাণ দেখে চমকে গেছে। কিন্তু আমরা গণতন্ত্র আর ক্লাবের আইনকে শ্রদ্ধা জানাই।’