চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

মেসির সঙ্গে ‘প্যাঁচ’ লাগানো চাচা-এজেন্টকে ধুলেন গ্রিজম্যান

বার্সেলোনায় ভালো করতে না পারার দায়টা লিওনেল মেসির কাঁধে চাপিয়ে দিয়েছিলেন অ্যান্টনিও গ্রিজম্যানের চাচা এবং সাবেক এজেন্ট। বিষয়টা পছন্দ হয়নি ফরাসি ফরোয়ার্ডের, জোর দিয়েই বলেছেন বার্সা অধিনায়কের সঙ্গে দারুণ সম্পর্ক তার। উল্টো সাবেক এজেন্ট এরিক অলহাটসের বক্তব্যকে ভুলভাল আখ্যা দিয়ে কড়া ভাষায় সমালোচনা করেছেন।

মঙ্গলবার চ্যাম্পিয়ন্স লিগে মেসিকে ছাড়াই ডায়নামো কিয়েভের বিপক্ষে ৪-০ গোলের বড় জয় পেয়েছে বার্সা। ম্যাচে শেষ গোলটা গ্রিজম্যানের। আগেরদিন মুভিস্টারের সঙ্গে আলাপচারিতায় মেসির সঙ্গে নিজের সম্পর্কের বিষয়টি পরিষ্কার করেন ২০১৮ বিশ্বকাপজয়ী ফরোয়ার্ড।

বিজ্ঞাপন

২০১৮ সালে বার্সা তাকে দলে আনার চেষ্টা করলেও তখন প্রকাশ্যে সেই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছিলেন গ্রিজম্যান। বিষয়টি মেসির যে ভালো লাগেনি সেটা তখনই বুঝিয়ে দিয়েছিলেন আর্জেন্টাইন ফরোয়ার্ড।

তার ঠিক বছর পরেই ন্যু ক্যাম্পে আসেন গ্রিজম্যান। নতুন দলে এসে সমর্থকদের পাশাপাশি মূল তারকাকেও ঠাণ্ডা করতে হয়েছে ফরাসি তারকাকে, ‘ড্রেসিংরুম, সাংবাদিক, ভক্তদের- সব জায়গা থেকেই কথা আসছিল। যে কারণে আমি এসেই মাঠে সবার কাছে ক্ষমা চেয়েছি। কেউ যদি বেশি উত্তেজিত হয়ে পড়েন তাহলে মাঠে নিজের সেরাটা দিয়ে ক্ষমা চাইবো।’

বিজ্ঞাপন

‘আমি এসেই মেসির কাছে ক্ষমা চেয়েছি। আর সে আমাকে জানিয়েছিল আমি আগেরবার না বলায় ও খুব রেগে ছিল, কারণ সে আমাকে চেয়েছিল আর আমি প্রকাশ্যে না করেছি। কিন্তু আমরা এখন এক দলে আছি। যেখানে আমরা মৃত্যু পর্যন্ত লড়ে যাবো আর বিষয়টা আমি হৃদয় থেকে প্রতিদিন অনুভব করি।’

গ্রিজম্যানের পারফরম্যান্সের জন্য মেসিকে দোষ দেয়ায় গণমাধ্যমের সামনে বিরক্তি প্রকাশ করেছিলেন আর্জেন্টাইন অধিনায়ক। খেপেছেন গ্রিজম্যানও, ‘আমি আমার সাবেক এজেন্টের সঙ্গে কথা বলা বন্ধ করে দিয়েছি। কারণ তাকে আমার বিয়েতে দাওয়াত দিয়েছিলাম, কিন্তু তিনি আসেননি। এই কারণে তার সঙ্গে আমার কোনো সম্পর্ক নেই।’

‘তিনি (সাবেক এজেন্ট) কথা বলেছেন, কারণ আমার বাবা-বোন কেউই গণমাধ্যমের সামনে কথা বলতে চায়নি। তাই সাংবাদিকরা তার সঙ্গে কথা বলেছে। কিন্তু লিও ভালো করেই জানে তাকে কতটা শ্রদ্ধা আর প্রশংসা করি আমি।’

‘আর আমার চাচা ফুটবল সম্পর্কে কিছুই বোঝেন না। সাংবাদিকরা তাকে গিয়েই ধরেছে। আমি লিওকে বলেছি যে, তাদের সঙ্গে আমার কথাই হয় না। এমনকি আমার ফোনে আমার চাচার নাম্বার পর্যন্ত নেই!’