চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

মুক্তিযুদ্ধে মাগুরার ‘শ্রীপুর থানা’: একটি মুক্তাঞ্চলের গল্প

বিজ্ঞাপন

মুক্তিযুদ্ধের শত-সহস্র বিরোচিত ঘটনা ও গল্প অনাদরে অবহেলায় পড়ে আছে আমাদের গ্রামবাংলার বিভিন্ন পথ-প্রান্তরে। সেই ঘটনার অনেক কিছুই হয়ত মুক্তিযুদ্ধের রাজনৈতিক-সামাজিক ইতিহাসে সেভাবে ঠাঁই পায়নি। অনেক ঘটনাই আবার বিস্মৃতও হতে চলেছে। ২৫ মার্চের কালোরাত্রির পর সারাদেশেই পূর্ব-পরিকল্পনা মোতাবেক পাকবাহিনী বিভিন্ন ক্যান্টনমেন্ট থেকে বেরিয়ে মহকুমা শহর, থানা সদর এবং গ্রামগুলো পর্যায়ক্রমে দখলের অভিপ্রায় নিয়ে হত্যাযজ্ঞ ঘটাতে থাকে। বেশিরভাগ মহকুমা-থানা সদরে গিয়ে বিভিন্ন সরকারি অফিস, ডাকবাংলা, স্কুল-কলেজ, ক্লাব, ইউনিয়ন পরিষদেও কার্যালয় দখর করে পাকবাহিনী দ্রুত তাদের শক্তিশাহী ক্যাম্প গঠন করে। একই সাথে তাদের প্রত্যক্ষ সহযোগিতা ও মদদে দেশের বিভিন্ন প্রত্যন্ত অঞ্চলে রাজাকারবাহিনী ও ক্যাম্পও গড়ে উঠে। পাকসেনাদের গাড়ি গাড়ি-যানবাহন নিরাপদে চলাচলের স্বার্থে বিভিন্ন জায়গাতে ছোট ছোট ব্রীজ পাহারায় রাখা হয় রাজাকারদের। একই সাথে রাজাকাররা পাকহানাদারদের ক্যাম্পে মুক্তিযোদ্ধাদের তৎপরতা ও অবস্থানের খবরাখবর প্রদানে বড় ভূমিকা পালন করতে থাকে। রাজাকাররা পাকিবাহিনীর সাথে থেকে গ্রামে-গঞ্জে হামলা, লুন্ঠন, বাড়ি পুড়িয়ে দেওয়া, ধর্ষণ, মা বোনদের ধরে পাকসেনাদের হাতে তুলে দেওয়া এসব কাজগুলো করতে থাকে। বাংলাদেশের প্রায় প্রতিটি মহকুমা ও থানাতে এই চিত্র ছিল।

কিন্তু মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন সময়ে ঠিক এর বিপরীত চিত্র ছিল তৎকালীন মাগুরা মহকুমার শ্রীপুর থানাতে। মুক্তিযুদ্ধের পুরো সময়টাতে এই থানার সর্বত্র বাংলাদেশের পতাকা উড়েছে। মুক্তিযোদ্ধারা দখলে রেখেছে পুরো জনপদ। কখনও কখনও পাকসেনারা এলেও স্থায়ী হতে পারেনি। আকবর বাহিনীর বিচ্ছুদের ভয়ে দ্রুত এলাকা ত্যাগ করতে হয়েছে। আর তাই ক্ষোভে-রাগে মুক্তিযুদ্ধের সশর্তকদের বাড়িঘর পুড়িয়ে দেওয়ার মতো ঘটনা ঘটিয়ে সটকে পড়তে হয়েছে। মুক্তিযুদ্ধের শুরুতেই তৎকালীন শ্রীপুর থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং একই সাথে শ্রীকোল ইউনিয়নের নির্বাচিত চেয়ারম্যান খামারপাড়ার আকবর হোসেনের নেতৃত্বে গড়ে ওঠা স্থানীয় ‘আকবরবাহিনী’ স্থানীয়ভাবে রাইফেল সংগ্রহ করে। এরপর রণকৌশল দিয়ে প্রথমেই থানার ১৬০টি গ্রামে নিজেদের প্রভাব বিস্তার করে এবং শত্রুমুক্ত রাখে। আকবর হোসেনের নেতৃত্বে তেজদীপ্ত-তুখোড় আওয়ামী লীগ নেতা বরিশালের মোল্লা নবুয়ত আলী, খামার পাড়ার সহোদর আওয়ামী লীগ নেতা সুজায়েত খোন্দকার, মৌলভী নাজায়েত খোন্দকার দ্রুতই স্থানীয় তরুণ-যুবকদের নিয়ে বাহিনী গড়ে তোলেন। দ্রুতই এই বাহিনীর পতাকাতলে সমবেত হোন বিভিন্ন ক্যান্টনমেন্ট, বর্ডার, থানা থেকে বিদ্রোহ করে আসা সেনাবাহিনী, ইপিআর, পুলিশ, আনসার-এর সদস্যরা।  আকবর হোসেনের দিকনির্দেশনায় বিদ্রোহ করে আসা ইপিআর, সেনাবাহিনী এবং পুলিশের কয়েকজেন জ্যোষ্ঠ সদস্য স্থানীয় তরুণ-যুবকদের অস্ত্র প্রশিক্ষণ দিতে শুরু করেন। এদিকে সু-সংগঠিত এই বাহিনীর বার্তা মাগুরা, ঝিনাইদাহ, রাজবাড়ী, ফরিদপুরের বিস্তীর্ণ এলাকাতে চারপাশে ছড়িয়ে পড়ে। এই বাহিনী গড়ে তুলতে এবং এগিয়ে নিতে আরও যারা বিশেষভাবে এগিয়ে আসেন- ন্যাপ নেতা মাস্টার কাজী ফয়জুর রহমান (তখলপুর), মো. শাহবুদ্দিন (নবগ্রাম), মোকাররম আলী চৌধুরী (সারঙ্গদিয়া), আব্দুর রশিদ মিয়া (বিলনাথর), আব্দুর রহিম জোয়ার্দ্দার (শ্রীপুর), শাহাদত মোল্লা (কাবিলপুর), নওশের আলী চৌধুরী (সারঙ্গদিয়া), শাহাবুদ্দিন খাঁ (দাইরপোল), আফম আব্দুল ফাত্তাহ (বেলনগর), আলী হোসেন মিয়া (খামারপাড়া), আবুল হোসেন (বড়তলা), ইন্তাজ বিশ্বাস (দ্বারিয়াপুর), তৈয়ব মাস্টার (চৌগাছী), হাফিজ মাস্টার (মহাম্মদপুর), সৈয়দ আলী মেম্বর (অলংকারপুর, ফরিদপুর), আব্দুল জলিল বিশ্বাস (বেলনগর), মমিন ফকির (খামারপাড়া), ডা. সন্তোষ কুমার (খামারপাড়া), ডাক্তার আলী আহমেদ (দাইরপোল), আলী হোসেন খাঁ (রামনগর-শ্রীকোল), আবু বক্কার (আলফাপুর), মাসুদুর রহমান (বরিশাট), কাজী ইউসুফ (আঠারোখাদা), খন্দকার আব্দুল মাজেদ (শিবরামপুর), চেয়ারম্যান ইয়ার উদ্দিন মোল্লা (নাড়–য়া, রাজবাড়ি), ডা. হায়াত (পাংশা)সহ আরও অনেকে।

pap-punno

যুদ্ধের মধ্যেই অধিনায়ক আকবর হোসেন এবং তার বাহিনীর সদস্যরা পুরো শ্রীপুর মুক্তাঞ্চল হিসেবে হিসেবে ঘোষণা করেন। কেউ যাতে ভীত না হোন সে কারণে বিভিন্ন ইউনিয়নে নিয়মিত সভার আয়োজনও করেন। তেজস্বী আওয়ামী লীগ নেতা মোল্লা নবুয়ত আলী বিভিন্ন গ্রামে গিয়ে সবাইকে মুক্তিযুদ্ধের সবাইকে উদ্বুদ্ধ করতে থাকেন।  এই বাহিনী শুরুতেই এলাকায় হিন্দু অধ্যুষিত গ্রামগুলোতে তুমুল বিশৃঙ্খলা তৈরি করা, লুটপাটকারী সামাজিক দৃর্বৃত্ত ও ডাকাতদের এই বলে সতর্ক সংকেত দেয় যে-তারা যেন কারো ক্ষতি না করে। জনমনে ভীতি তৈরি না করে। কিন্তু ডাকাতরা ডাকাতি ও দস্যুতা অব্যাহত রাখলে এই বাহিনীর সদস্যরা তাদের দমনে যথাযথ ব্যবস্থা নেন। দ্রুতই এলাকা ডাকাত ও দস্যুমুক্ত করেন।

নিজ এলাকা হানাদার মুক্ত থাকার কারণে জুনে এই বাহিনী প্রথম অপারেশন করে নিজ এলাকার বাইরে। ৭১ সালের ৫ জুন শ্রীপুরের নিকটবর্তী গড়াই নদীর পাড়ে রাজবাড়ি মহকুমার বালিয়াকান্দি থানার রামদিয়াতে পাকবাহিনীর অন্যতম সহযোগী চাঁদ খাঁর বাড়িতে এই বাহিনীর অভিযান ছিল সর্বপ্রথম। ৭ জুন স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র থেকে এই বাহিনীর সফল অভিযানের খবরটি গুরুত্ব সহকারে প্রচার হয়। এরপর একের পর এই বাহিনী শৈলকূপা থানা, শ্রীপুর থানা আক্রমন করে দখলে নেন। আলফাপুরের যুদ্ধে অংশ নিয়ে পাক হানাদারদের পরাস্ত করেন। এছাড়াও ইছাখাদা রাজাকার ক্যাম্প, মাগুরা আনসার ক্যাম্পে হামলা চালিয়ে পাকসেনাদের পরাস্ত করেন। তবে অক্টোবরে মাগুরার মহম্মদপুর থানার বিনোপুরে রাজাকার ক্যাম্প উড়িয়ে দিতে গিয়ে এই বাহিনীর চৌকষ এবং সাহসী মুক্তিযোদ্ধা জহুরুল আলম মুকুল শহীদ হন। মুক্তাঞ্চল শ্রীপুর নিয়ে স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে রাজবাড়ী জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি এবং জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ফকির আব্দুল জব্বার বলেন, ‘যুদ্ধের সময় আমি রাজবাড়ী কলেজের ভিপি।  এলাকার ১১ জন মুক্তিযোদ্ধাকে নিয়ে ভারতে যাচ্ছিলাম। চারিদিকে পাকসেনাদের অত্যাচার বেড়েই চলেছে। আমরা বালিয়াকান্দি হয়ে নারুয়ার ঘাট পার হয়ে অধিনায়ক আকবর হোসেনের খামারপাড়ার ক্যাম্পের দিকে রওয়ানা হলাম। বেশ কয়েক মাইল পথ। দেখি মানুষের মধ্যে ভয়ভীতি কম। আমরা হাঁটতে হাঁটতে অধিনায়ক আকবর হোসেনের খামারপাড়ার ক্যাম্পে পৌঁছালাম। সেখানে গিয়ে দেখি বাংলাদেশের পতাকা উড়ছে। সত্যিই এতো মুক্তাঞ্চল, যেনো একখন্ড মুক্ত বাংলাদেশের স্বাদ পেলাম। আকবর ভাই-এর সাথে সেই স্মৃতির কথা কোনোদিন ভুলবনা।’

মুক্তিযুদ্ধে সত্যিকার অর্থেই এই অঞ্চলিক বাহিনী কিছু বিরল ঘটনার জন্ম দেয়-যা ইতিহাস হয়ে আছে।
প্রথমত: যুদ্ধের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত শ্রীপুর থানার গোটা অঞ্চল আকবরবাহিনীর সাহসী যোদ্ধারা পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে রাখেন।

দ্বিতীয়ত: এই বাহিনীর কারণে যুদ্ধকালীন পুরো সময়ে শ্রীপুর থানার কোনো গ্রামে স্থায়ী কোনো পাকহানাদার ও রাজাকার ক্যাম্প গড়ে উঠতে পারেনি। খুব সম্ভবত বৃহত্তর খুলনা বিভাগে এটিই ছিল ব্যতিক্রম ঘটনা। ফলে এটি ছিল মুক্তাঞ্চল।

Bkash May Banner

তৃতীয়ত: এই বাহিনী কর্তৃক শ্রীপুর থানাতে মুক্তিযোদ্ধা আকরাম হোসেনকে বাহিনী কর্তৃক ওসি হিসেবে নিয়োগ প্রদান করা।

চতুর্থত: বালিয়াকান্দি, পাংশা, রাজবাড়ী, বোয়ালমারী, ফরিদপুরসহ আশেপাশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে আসা সাধারণ মানুষের নিরাপদ স্থান ছিল শ্রীপুর। বহু পরিবার এসে তাই শ্রীপুরের বিভিন্ন গ্রামে নিরাপদ আশ্রয় গ্রহণ করে।

পঞ্চমত: শ্রীপুর থানা মুক্তাঞ্চল হওয়ার কারণে বিভিন্ন স্থানের শরনার্থীরা ভারতের বর্ডারে (বনগাঁও, করিমপুর, জাভা, গেদে) যাওয়ার জন্য শ্রীপুরের গ্রামগুলো নিরাপদ রুট হিসেবে ব্যবহার করতো। এই বাহিনীর মুক্তিযোদ্ধারা শরনার্থীদের নিরাপত্তা রক্ষা করতেন এবং নির্দিষ্ট স্থান পর্যন্ত এগিয়ে দিয়ে আসতেন।

মুজিবনগর সরকার এই বাহিনীকে যুদ্ধকালীন সময়েই স্বীকৃতি দেয়। মুক্তিযুদ্ধে এই বাহিনীর যুদ্ধ পরিচালনা এবং কৌশলের প্রতি আস্থা দেখিয়ে সেক্টর আট-এর সেনানায়ক মেজর আবুল মঞ্জুর সনদের মাধ্যমে এই বাহিনীকে ‘শ্রীপুরবাহিনী’ এবং মিয়া আকবর হোসেনকে বাহিনীর অধিনায়ক হিসেবে স্বীকৃতি দান করেন। শুধু এই নয়, সেক্টর আট-এর সেক্টর কমান্ডার মো. আবুল মঞ্জুর এবং এবং মেজর এমএন হুদা ব্যক্তিগতভাবে চিঠি প্রেরণ করে আকবর হাসেনের ভূয়ষী প্রশংসা করেন।

একাত্তরের ২৭ অক্টোবর মেজর এমএন হুদা চিঠিতে লেখেন- মি. আকবর. আপনাকে লিখতে পেরে আমি যারপরনাই আনন্দিত। কারণ আপনার দুঃসাহসিক বীরত্বে যে আঞ্চলিক বাহিনী সংগঠিত করেছেন এবং আমাদের উভয়ের চির শত্রুর সাথে যুদ্ধে লিপ্ত থাকায় আপনাকে উষ্ণ অভিনন্দন। আপনার গোলাবারুদের চাহিদা যথাসময়ে জেনেছি। মেজর মঞ্জুর এবং আমি উভয়েই অত্যন্ত গুরুত্ব সহকারে নিয়েছি। ইনশাল্লাহ্ অতি সত্বর আপনি আপনার চাহিদা ছাড়াও অধিক পাইবেন। গোপনীয়তার কারণে উপস্থিত এর চেয়ে বেশি কিছু বলতে পারছি না।  ইতোমধ্যে কিছু জরুরি প্রয়োজন মিটানোর মত গোলাবারুদ ও মাইন পাঠাচ্ছি, যাতে বিশেষ করে আমাদের ছেলেরা যুদ্ধ চালিয়ে যেতে পারে। আমাদের ছেলেরা যে প্রতিরোধ সৃষ্টি করেছে তা গত রাতে আমি জেনেছি। যেসব ছেলেরা এমন দুঃসাহসিক যুদ্ধ করেছে তাদের সবাইকে মোবারকবাদ জানাই। মেহেরবানি করে এর আগে যতগুলো প্রতিরোধ গড়ে তোলা হয়েছে, তার বিস্তারিত প্রতিবেদনও পাঠাবেন।  আরও খেয়াল রাখবেন, য সমস্ত ঘটনার বিবরণ আমারে কাছে পাঠানো হয়, তা যেন বিশ্বাসযোগ্য হয়। বিশেষ করে শত্রু সৈন্য হতাহতের ব্যাপারে। গণবাহিনীতে যেসব ছেলেদের পাঠানো হয়েছে, তারা খুবই তরুণ ও অপরিপক্ক। তাদেরকে কোন বড় ধরনের তৎপরতায় সম্পৃক্ত করা উচিত নয়, আমাদের মুক্তিফৌজ হিসেবে সুনামের ওপর খুবই মন্দ প্রভাব ফেলবে। এব্যাপারে আপনি বিশেষভাবে বোঝাবেন যে, তারা যেন অপারেশনের মিলিটারিদের ওপর নজর রাখে। বেসামরিক ব্যাপার তাদের সম্পৃক্ত করবেন না। আমাদের ছেলেরা যে মিলটিারি অপারেশনের ব্যাপারে ক্ষিপ্র গুরুত্বসম্পন্ন হয়। আক্রমণ করে এবং বুদ্ধি প্রয়োগের মাধ্যমে শত্রুদের নাজেহাল করে। তারা যেন সম্মুখ যুদ্ধে না যায়। তারা এ ধরনের যুদ্ধের জন্য প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত নয়, এছাড়া তারা উপযুক্ত অস্ত্রেও সজ্জিত নয়। তাদেরকে কেবল শত্রুর ওপর রেইড করার কাজে নিয়োগ করবেন। আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি যে, যদি গণবাহিনীর ছেলেরা এবং সৈনিকগণ দেশের অভ্যন্তরে তাদের কর্মতৎপরতা হাসিল করতে পারে তাহলে অতিসত্বর দেশ স্বাধীন হবে। মি. আকবর, সেদিন আর বেশি দূরে নয়, যেদিন আমরা আমাদের ঘৃণ্য শত্রুদেরকে নিপাত করতে ও অন্যায়-অবিচারের প্রতিশোধ গ্রহণে সমর্থ হব ইনশাল্লাহ।
আপনার বিশ্বস্ত, এমনএন হুদা মেজর।

(এ বিভাগে প্রকাশিত মতামত লেখকের নিজস্ব। চ্যানেল আই অনলাইন এবং চ্যানেল আই-এর সম্পাদকীয় নীতির সঙ্গে প্রকাশিত মতামত সামঞ্জস্যপূর্ণ নাও হতে পারে।)

বিজ্ঞাপন

Bellow Post-Green View
Bkash May offer