চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

মুকিদুলের ৬ উইকেট

রংপুর বিভাগের তরুণ পেসার মুকিদুল ইসলাম মুগ্ধ যেভাবে উইকেট নিচ্ছিলেন, অল্পতেই গুটিয়ে যেতে পারত খুলনা। তুষার ইমরানের প্রতিরোধ গড়া সেঞ্চুরি হালে পানি দিয়েছে দলটিকে।

জাতীয় ক্রিকেট লিগের দ্বিতীয় রাউন্ডের প্রথমদিন তুষারের ১১৬ রানের ইনিংসে ভর করে খুলনা অলআউট হওয়ার আগে করেছে ২২১ রান। জবাবে প্রথমদিনের খেলা শেষে ৩ উইকেটে ১০৩ রান তুলেছে রংপুর।

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

তানবীর হায়দার ২৯ ও নাসির হোসেন ১৯ রানে অপরাজিত আছেন।

রংপুর ক্রিকেট গার্ডেনে ম্যাচের প্রথম দুই বলে জোড়া সাফল্য পাওয়া মুকিদুল ৬৪ রানে নেন ৬ উইকেট। বোলিং করেছেন মাত্র ১৩.২ ওভার। রংপুর পেসারের এটিই ক্যারিয়ার সেরা বোলিং। ৩৭ রানে ৫ উইকেট ছিল আগের সেরা।

হোম গ্রাউন্ডে লিগের প্রথম রাউন্ডের ম্যাচে তুষার ৯৯ রানে হয়েছিলেন রানআউট। সেঞ্চুরির আক্ষেপ পরের ম্যাচেই মিটিয়ে ফেললেন খুলনার তারকা। লিগের দ্বিতীয় রাউন্ডে পূর্ণ করেন প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে নিজের ৩২তম সেঞ্চুরি।

বিজ্ঞাপন

১১৪ বলে ১৮টি চারে পৌঁছান তিনঅঙ্কে। শেষঅবধি ১৩৬ বলে ২১ চারে করে যান ১১৬। মুকিদুলের পঞ্চম শিকার হয়ে ফেরেন সাজঘরে। রানের ফল্গুধারা ছুটিয়ে কাঙ্ক্ষিত ১২ হাজার রানের দিকে ছুটছেন ৩৭ বছর বয়সী ক্রিকেটার। বর্তমানে তার রান ১১,৯২০।

তুষার ঘোষণা দিয়েছিলেন ১২ হাজার রানের মাইলফলক ছুঁয়ে ঘরোয়া ক্রিকেটকে বিদায় বলবেন। মাইলস্টোনের পথে খুব দ্রুতলয়ে এগিয়ে চলেছেন বলের সঙ্গে রানের ভারসাম্য ঠিক রেখে। সিলেটের বিপক্ষে আগের ম্যাচে ৯৯ রান করেছিলেন ১১৭ বলে। মেরেছিলেন ১৩ বাউন্ডারি।

প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ রান, সর্বোচ্চ সেঞ্চুরি-ফিফটি সব রেকর্ডই তুষারের দখলে। তার ধারেকাছে নেই কেউ।

প্রথম দুই বলে রবিউল ইসলাম রবি ও ইমরুল কায়েসকে আউট করে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনা জাগিয়েছিলেন মুকিদুল। দলের চার নম্বর ব্যাটসম্যান তুষারকে নামতে হয়েছিল প্রথম ওভারেই। সেখান থেকে হাল ধরে সেঞ্চুরি উপহার দেন তুষার।

দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৩১ রান করেন নুরুল হাসান সোহান, ২৯ করেন নাহিদুল ইসলাম। বাকিদের কেউ দুইঅঙ্ক স্পর্শ করতে পারেননি।