চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

মা-বাবার সম্পর্কের অবনতির জন্য বিবিসিকে দায়ী করলেন প্রিন্স উইলিয়াম

মা প্রিন্সেস ডায়ানার বিড়ম্বনা এবং বাবা-মায়ের মধ্যে সম্পর্কের অবনতির জন্য বিবিসির সাক্ষাৎকারগ্রহণকেই দায়ী করেছেন ডিউক অব কেমব্রিজ প্রিন্স উইলিয়াম।

বিবিসি তার মানদণ্ডের নিচে নেমে গেছিলো বলেই তদন্তে উঠে এসেছে । এক ভিডিওবার্তায় প্রিন্স উইলিয়াম বলেন, তিনি বেশি দুঃখ পেয়েছিলেন যখন জেনেছেন ডায়ানা জানতেনই না যে তিনি প্রতারিত হচ্ছেন।

তিনি এও বলেন, মা শুধু ওই প্রতারক সাংবাদিকের কাছেই ব্যর্থ হননি বরং তার বসদের দ্বারাও হয়েছিলেন।

নিজের মায়ের মৃত্যুর জন্য বিষাক্ত গণমাধ্যম সংস্কৃতিকে দায়ী করেন প্রিন্স হ্যারিও। একটি আলাদা বিবৃতিতে তিনি বলেন, শোষণ এবং অনৈতিক চর্চা সংস্কৃতির ছোট ছোট প্রভাবই তার মায়ের জীবন নিয়েছে। বর্তমানেও এই ধরনের চর্চা বিস্তৃত আকারে আছে। সেটা একটা আউটলেট, একটা নেটওয়ার্ক অথবা একটা প্রকাশনার থেকে বড় আকারে আছে।

হ্যারি বলেন, এই জন্যই আমাদের মা প্রাণ হারালেন কিন্তু কিছুই বদলালো না। তার উত্তরাধিকার রক্ষা করে আমরা সবার জীবন রক্ষা করতে পারি এবং সেই মর্যাদাকে ধরে রাখতে পারি যেটার সাথে তিনি জীবন যাপন করেছেন।

১৯৯৫ সালে ডায়ানার ওই সাক্ষাৎকার নেন যুক্তরাজ্যে বিবিসির সুপরিচিত সাংবাদিক মার্টিন বাশির। এর দুই বছর পরই মাত্র ৩৬ বছর বয়সে গাড়ি দুর্ঘটনায় প্রাণ হারান প্রিন্সেস ডায়ানা। ওই সময়ে প্রিন্স উইলিয়াম ও প্রিন্স হ্যারি দুজনেই শিশু ছিলো।

একটি স্বতন্ত্র তদন্তে অবসরপ্রাপ্ত বিচারক লর্ড ডাইসন দেখিয়েছেন যে, ওই সাক্ষাৎকার গ্রহণকারী সাংবাদিক মার্টিন বাশির ‘প্রতারণামূলক’ আচরণ করেছেন এবং মিথ্যা তথ্য উপস্থাপন করেছেন সাক্ষাৎকার পাওয়ার জন্য।

বিবিসি ওই বিতর্কিত ইন্টারভিউয়ের জন্য নিঃশর্ত ক্ষমা চাওয়ার পরেই এমন বক্তব্য দিলেন প্রিন্স উইলিয়াম। ওই সাক্ষাৎকারে প্রিন্স চার্লসের সঙ্গে তার সম্পর্কের টানাপোড়েনের নানান দিক উঠে আসে।

এরপরে বিবিসি নিজে একটি তদন্ত পরিচালনা করেছিলো। কিন্তু লর্ড ডাইসন সেই তদন্তকে ত্রুটিযুক্ত বলেই উল্লেখ করেছেন।