চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

মহামারি আতঙ্ক নিয়েই ভারতের স্বাধীনতা দিবস উদযাপন

বিশ্ব মহামারীর করোনাভাইরাসে আক্রান্ত শীর্ষ তিনটি দেশের মধ্যে তৃতীয় ভারত। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশটিতে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে ৬৫ হাজারের অধিক মানুষ। দিন দিন বাড়ছে ভাইরাসের প্রকোপ। বাড়ছে আতঙ্কও।

এই ভাইরাসের আতঙ্ক নিয়েই এবার ১৫ আগস্ট স্বাধীনতা দিবস উদযাপন করছে ভারত।

বিজ্ঞাপন

স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে শনিবার স্বাস্থ্যবিধি মেনে দিল্লির লালকেল্লা থেকে জাতির উদ্দেশে ভাষণ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তার ভাষণের অনেকাংশই ছিলো করোনা পরিস্থিতি নিয়ে।

বক্তব্যে মোদি করোনাভাইরাস মহামারি রূপে দেখা দেওয়ার পর এর বিরুদ্ধে লড়াইয়ের অগ্রভাগে যে কোভিড যোদ্ধারা ছিলেন বা আছেন তাদের প্রণাম জানান।

নরেন্দ্র মোদি বলেন, আমরা এক অদ্ভুত সময়ের মধ্যেদিয়ে যাচ্ছি। এই মহামারির আতঙ্কেই আজ আমরা লালকেল্লার এই অনুষ্ঠানে কোনো শিশুকে দেখতে পাচ্ছি না। পুরো জাতির পক্ষ থেকে আমি সমস্ত করোনা যোদ্ধাদের তাদের প্রচেষ্টার জন্য ধন্যবাদ জানাতে চাই। স্বাস্থ্যকর্মী থেকে চিকিৎসক এবং নার্সরা, প্রত্যেকে জাতির সেবায় অক্লান্ত পরিশ্রম করেছেন।

বিজ্ঞাপন

তিনি বলেন, এই করোনা পরিস্থিতিতে অসংখ্য পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, বহু মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন, আমি জানি, ১৩০ কোটি ভারতীয়দের সংকল্পকে পাথেয় করে আমরা এই সংকটকে হারাবোই।

এসময় তিনি বলেন, বর্তমানে ভারতে তিনটি কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন নিয়ে কাজ চলছে, যা এখন বিভিন্ন পরীক্ষামূলক পর্যায়ে রয়েছে। একবার বিজ্ঞানীরা এবিষয়ে চূড়ান্ত ছাড়পত্র দিয়ে দিলেই আমরা এটি বিতরণের জন্য আমাদের রোডম্যাপ ঘোষণা করব।

বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী মোদি ভারতীয় সেনার সেই যোদ্ধাদের প্রতিও শ্রদ্ধা জানান যারা দেশের জন্য প্রাণ দিয়েছেন।

তিনি বলেন, আজ আমরা মুক্ত বায়ু নিতে পারছি, স্বাধীনভাবে সবকিছু করতে পারছি কারণ এর নেপথ্যে লক্ষাধিক মুক্তিযোদ্ধার আত্মবলিদান রয়েছে। বর্তমানেও আমাদের নিরাপত্তা বাহিনী, সেনাবাহিনী, পুলিশ বা অন্যান্য সুরক্ষা বাহিনীর জন্যই আমরা নিশ্চিন্তে রয়েছি।

এই নিয়ে সপ্তমবার দিল্লির লালকেল্লা থেকে স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে ভাষণ দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।