চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

মন্ত্রণালয়কে ব্যাখ্যা দিলেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক

করোনাভাইরাস এর চিকিৎসায় অনিয়মের অভিযোগে বন্ধ করে দেওয়া রিজেন্ট হাসপাতালের সঙ্গে চুক্তি নিয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল কালাম আজাদ মন্ত্রণালয়কে নিজ বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিয়েছেন।

বুধবার বেলা সোয়া ১২টায় তিনি সচিবালয়ে স্বাস্থ্য সচিব আবদুল মান্নানের কাছে লিখিত ব্যাখ্যা জমা দেন। সেই সঙ্গে তিনি সংশ্লিষ্ট কিছু কাগজপত্রও জমা দিয়েছেন।

বিজ্ঞাপন

এ বিষয়ে স্বাস্থ্য সচিব আবদুল মান্নান গণমাধ্যমকে বলেন: স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের বক্তব্যের লিখিত জবাব আমরা পেয়েছি। সেই জবাবের সঙ্গে তিনি অনেক কাগজ সংযুক্তি দিয়েছেন। সেগুলো পর্যালোচনা করা হবে। আমরা দেখবো, তার কাছে যা জানতে চেয়েছি সেগুলো তার জবাবে আছে কিনা। জবাবে সন্তুষ্ট হলেও আমরা লিখিতভাবে জানাবো এবং সন্তুষ্ট না হলে ব্যবস্থা নেবো তা আপনারা জানবেন।

বিজ্ঞাপন

স্বাস্থ্য সচিব বলেন: আমরা ওনার (স্বাস্থ্যের ডিজি) কাছে জানতে চেয়েছিলাম রিজেন্টের সঙ্গে চুক্তির লিখিত আদেশ এই ব্যাখ্যার সঙ্গে সংযুক্ত রয়েছে কিনা। তিনি জানান, সেই চুক্তি করা হয়েছিল সাবেক স্বাস্থ্য সচিব আসাদুল ইসলামের মৌখিক নির্দেশে। যিনি বর্তমানে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

আবদুল মান্নান বলেন: সব বিস্তারিত জানার জন্যই আমরা তার কাছে ব্যাখ্যা চেয়েছিলাম। তার উত্তরের ব্যাখ্যা-বিশ্লেষণ চলছে। পরবর্তীতে নেয়া হবে ব্যবস্থা।

এর আগে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়: মার্চ মাসে যখন কোনো হাসপাতালে করোনা আক্রান্ত রোগী ভর্তি নিচ্ছিল না, তখন রিজেন্ট হাসপাতাল কোভিড ডেডিকেটেড হিসেবে চুক্তি করার আগ্রহ প্রকাশ করে। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে স্বাস্থ্য অধিদফতর সে সময় রিজেন্ট হাসপাতালের সঙ্গে চুক্তি করে। এই চুক্তির আগে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল কালাম আজাদ রিজেন্ট হাসপাতালের চেয়ারম্যান মো. সাহেদকে চিনতেন না, পরিচয় থাকা তো দূরের কথা।

এরপর গত ১২ জুলাই স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব শারমিন আকতার জাহান স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের কাছে ব্যাখ্যা চাওয়া হয়। এতে ‘স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ’ বলতে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক কী বোঝাতে চেয়েছেন সে বিষয়ে তার কাছে ব্যাখ্যা চাওয়া হয়।