চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

ভ্যাকসিন নেবার পরেও দরকার আগেরমতো সাবধানতা

দেশে গত রবিবার পর্যন্ত ৩১ লাখ ১০ হাজার ৫২৫ জন করোনা ভ্যাকসিন নিয়েছেন, আর ভ্যাকসিন নিতে অনলাইনে নিবন্ধন করেছেন ৪৩ লাখ ১১ হাজার ৭০৮ জন। এই যখন ভ্যাকসিন প্রদান পরিস্থিতি, তখন সোমবার নতুন করে করোনায় শনাক্তের সংখ্যা গতদিনের তুলনায় বেড়েছে

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হিসেব মতে, সোমবার সকাল ৮টা পর্যন্ত শেষ ২৪ ঘণ্টায় (অ্যান্টিজেন টেস্টসহ) ১৩ হাজার ৫৭০টি নমুনা পরীক্ষায় ৫৮৫ জন এই ভাইরাসে আক্রান্ত শনাক্ত হয়েছেন। আর নতুন ৮ জনের মৃত্যুতে মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে আট হাজার ৪১৬ জনে। তবে সুস্থতার হার বেশ সন্তোষজনক, গত ২৪ ঘণ্টায় ৮৭৩ জনসহ মোট ৪ লাখ ৯৭ হাজার ৭৯৭ জন সুস্থ হয়েছেন। শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ৯১ দশমিক ০৪ শতাংশ।

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

বিশ্বের বহুদেশ এখনও করোনার কোনো ভ্যাকসিন দিতে পারেনি তাদের নাগরিকদের জন্য। সেখানে বাংলাদেশে প্রায় অর্ধ লাখের কাছাকাছি মানুষ ভ্যাকসিন নেবার প্রক্রিয়ায় নিবন্ধন করে বেশিরভাগই ভ্যাকসিন নিতে পেরেছেন। বিষয়টি খুবই ইতিবাচক। বাংলাদেশ সরকার ও ওষুধ ব্যবসায়ীদের দূরদর্শী সিদ্ধান্তে এই প্রাপ্তি।

ধীরে ধীরে দেশের বেশিরভাগ ঝুঁকিপূর্ণ ও কর্মমুখর মানুষরা ভ্যাকসিন কর্মসূছির আওতায় আসছে। তবে থেমে নেই করোনার নিরব বিস্তার। স্বাস্থ্যবিধি মেনে দেশের সব ধরণের প্রতিষ্ঠান খুলে গেছে গতবছর অক্টোবর থেকেই। আগামী ৩০ মার্চের পরে দেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো খুলে যাবার পরে দেশ পুরোপুরি আগের মতো স্বাভাবিক জীবনে ফিরে যাবে বললে ভুল হবে না।

জীবনযাত্রা স্বাভাবিক হবার সাথে সাথে জনগণের মধ্যে উদাসীনতা দেখা দিয়েছে মারাত্মক হারে, মাস্ক ব্যবহার না করাসহ হাত ধোয়া ও সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার অভ্যাস যেনো হারিয়ে যাচ্ছে। এই বিষয়ে জনগণের সচেতনতার পাশাপাশি প্রশাসনের পদক্ষেপও জরুরি। তাহলেই হয়তো দ্রুত করোনামুক্ত হবে দেশ।