চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

‘ভিডিওর চাকচিক্য যেন গানকে ছাড়িয়ে না যায়’

২০০৮ সালে ‘চ্যানেল আই সেরা কণ্ঠ’-তে পঞ্চম স্থানে ছিলেন ইউসুফ আহমেদ খান। গান করেন সেমি ক্ল্যাসিক্যাল। তার বাবা ওস্তাদ ইয়াকুব আলী খান উচ্চাঙ্গ ও নজরুল সংগীত শিল্পী এবং প্রশিক্ষক এবং মা জোহরা হক। দুজনেই সংগীতের মানুষ। ছোটবেলা থেকে সুর-তালের সঙ্গে বেড়ে ওঠা ইউসুফ আহমেদ খানের।

আহমেদ ইমতিয়াজ বুলবুল, গাজী মাজহারুল আনোয়ার, শেখ সাদী খান, আলী আকবর রুকু, শাখাওয়াত হোসেন মারুফের মতো সংগীতবিজ্ঞদের সঙ্গে কাজ করেছেন। বর্তমানে গানের পাশাপাশি তিনি চ্যানেল আইয়ের উপস্থাপক হিসেবে কাজ করছেন। আজ (১২ অক্টোবর) গায়ক ও উপস্থাপক ইউসুফ আহমেদ খানের জন্মদিন। এবারে জন্মদিনে প্রথম প্রহরে শিল্পী ইউসুফ আহমেদ খান ছিলেন গানের মধ্যে।

একটি বেসরকারি চ্যানেলে সরাসরি গানের অনুষ্ঠানে গতরাতে তার জন্মদিনের কেট কাটা হয়। তিনি বলেন, জন্মদিনে নতুন করে কিছু চাওয়ার নেই। বাবা-মায়ের স্বপ্ন ছিল আমি বাংলাদেশের মূল ধারার সঙ্গে থেকে জীবনটা এগিয়ে নেব। সেই চেষ্টা করে যাচ্ছি। সবাই কাছে দোয়া চাই, আমি যেন আমার বাবা-মায়ের নাম উজ্জ্বল করতে পারি।

বিজ্ঞাপন

বর্তমানে গান ও উপস্থাপনা (গানে গানে সকাল শুরু) দুটো নিয়ে সময় কাটছে ইউসুফ আহমেদ খান। এই শিল্পী বলেন, বাবা-মায়ের পর যে কোনো অর্জন চ্যানেল আই এর জন্য। এটাই আমার প্রথম প্ল্যাটফর্ম। চ্যানেল আই সেরা কণ্ঠ থেকে বেরিয়ে অনেক সম্মান পেয়েছি। সম্মাননাও পেয়েছি। ‘লাক্স আরটিভি স্টার অ্যাওয়ার্ড ২০১৭’ সেরা গায়কের পুরস্কার পুরস্কার পেয়েছি।

একক ও মিশ্র একাধিক গানের অ্যালবাম হয়েছে শিল্পী ইউসুফ আহমেদ খানের। ‘একলা রাতের নদী’ নামে একটি একক অ্যালবাম প্রকাশ হয়েছে। এছাড়া বিষর্জনের ব্যথা, ফড়িং, রঙধনু এসব মিক্সড অ্যালবামেও গান করেছেন। কয়েকমাস আগে গাঙচিল থেকে মন খারাপের দিনে ও সকাল হলো না আমার নামে নতুন দুই গান প্রকাশ হয়েছে। এই গান দুটির মিউজিক ভিডিওর কাজ চলছে।

শিল্পী ইউসুফ আহমেদ খান বলেন, এখন অ্যালবামের কাজ কমিয়ে সিঙ্গেল কাজ বেশি হচ্ছে। সলো কাজ বেশি করছি। কিছুদিন আগে মারা গেছেন আলী আকবর রুকু স্যার। তার জীবনের শেষ কম্পোজিশন করা গানটি আমাকে দিয়ে গেছেন। ওসব গানের কাজ করছি। প্রিয়াঙ্কা গোপ, আবদুল হাদী স্যার এনাদের গানের সুর করার চেষ্টা করছি। পাশাপাশি স্টেজ শো করছি।

তিনি বলেন, এখন মিউজিক ভিডিও বেশি চলছে। গানের যে কোনো ধারাকে সম্মান করি। ইউটিউব, অনলাইনের গুরুত্ব এখন অনেক বেড়ে গেছে। গান শোনার পাশাপাশি দেখারও বিষয় হয়েছে। আগে ছিল শুধু অডিও মিডিয়া। এখন হয়েছে অডিও ভিউজুয়্যাল মিডিয়া। এতে একটা শিল্প দাঁড়াচ্ছে। এটিকে আমি ইতিবাচকভাবে দেখি। তবে গান যেন গানের মতো থাকে। ভিডিওর চাকচিক্য যেন গানকে ছাড়িয়ে না যায়।

বিজ্ঞাপন