চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

ভাষা শহীদদের প্রতি যুবলীগের শ্রদ্ধা নিবেদন

মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে ৫২’র ভাষা শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন যুবলীগ।

রোববার আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে যুবলীগের চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস পরশ ও  সাধারণ সম্পাদক মোঃ মাইনুল হোসেন খান নিখিলের নেতৃত্বে কেন্দ্রীয় যুবলীগের নেতৃবৃন্দ শহীদ মিনারে ভাষা শহীদদের প্রতি পুষ্পস্তবক অর্পণ ও শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

ঢাকা মহানগর দক্ষিণ ও উত্তর আওয়ামী যুবলীগ শ্রদ্ধা নিবেদন করার পরে মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ যুবলীগের প্রতিটি ওয়ার্ডের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।

ভাষা শহীদদের প্রতি পুষ্পস্তবক অর্পণ করার সময় মহানগর নেতাকর্মীর মধ্যে উপস্থিত ছিলেন: ঢাকা মহানগর উত্তর যুবলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি জাকির হোসেন বাবুল, সাধারণ সম্পাদক ইসমাইল হোসেন, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মাইনউদ্দিন রানা, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিম রেজা ও সাংগঠনিক সম্পাদক গাজী সারোয়ার হোসেন বাবু।

বিজ্ঞাপন

শ্রদ্ধা নিবেদন শেষ আওয়ামী যুবলীগের চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস পরশ বলেন, ভাষা শহীদদের আত্মাত্যাগ ও দীর্ঘ আন্দোলনের সংগ্রামের বিনিময়ে আমাদের মাতৃভাষা অর্জিত হয়েছে। জাতির পিতার স্বপ্নের অসাম্প্রদায়িক গণতান্ত্রিক ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ বিনির্মাণে সকলকে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা উদ্ভুদ্ধ হয়ে কাজ করতে হবে।

তিনি বলেন, ঢাকায় জিন্নাহ উর্দুকে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা করার ঘোষণা দেবার পর বঙ্গবন্ধুই এর বিরুদ্ধে প্রথম প্রতিবাদ সভার ডাক দেন। এরপর থেকে ধীরে ধীরে ভাষা আন্দোলন আরো জোড়ালো হতে থাকে। ভাষা আন্দোলন করার জন্য তাকে কারাবরণ করতে হয় এবং সেখানেও তিনি অনশনের মাধ্যমে ভাষার জন্য আন্দোলন অব্যাহত রাখেন। মহান মাতৃভাষা আন্দোলনে জাতির পিতার অনবদ্য অবদানকে ঠিকভাবে তুলে ধরতে ইতিহাসের প্রতি আমরা দায়বদ্ধ।

সাধারণ সম্পাদক মোঃ মাইনুল হোসেন খান নিখিল বলেন, যারা দেশের জন্য জীবন দিয়ে গেছেন সেই সকল ভাষা শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানাই। স্বাধীনতার ও মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসকে নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে হবে। যুবলীগের প্রতিটা নেতাকর্মী স্বাধীনতার চেতনায় বঙ্গবন্ধুর আর্দশ ধারণ করে নতুন প্রজন্মকে উদ্ভুদ্ধ করতে।

শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে আজিমপুরে কবরস্থান গিয়ে ভাষা শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।

মাতৃভাষা রক্ষার দাবিতে ১৯৫২ সালের এই দিনে শাসকের রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে রাজপথে বুকের তাজা রক্ত ঢেলে দিয়েছিলেন রফিক, সালাম, বরকত, সফিউর, জব্বারসহ অনেক বাংলা মায়ের দামাল ছেলে। তাদের রক্তের দামে এসেছিল বাংলার স্বীকৃতি। আর তারই সিঁড়ি বেয়ে মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে অর্জিত হয় স্বাধীনতা।