চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

ভালোই হল উইন্ডিজের প্রস্তুতি

টেস্ট সিরিজ শুরুর আগে চট্টগ্রামে তিন দিনের প্রস্তুতি ম্যাচে ব্যাট-বলে দারুণ করেছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ব্যাটসম্যানরা রান পেয়েছেন, বোলাররা চাপে রেখেছেন বিসিবি একাদশকে। ম্যাচ ড্র হলেও ৩ ফেব্রুয়ারি টাইগারদের বিপক্ষে প্রথম টেস্টে লড়ার আত্মবিশ্বাস সঙ্গী করেছে ওয়ানডে সিরিজে বিধ্বস্ত হওয়া ক্যারিবীয়রা।

বুধবার বন্দরনগরীর জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে শুরু হবে বাংলাদেশ-উইন্ডিজ সিরিজের প্রথম টেস্ট। দ্বিতীয় ও শেষ টেস্ট ১১-১৫ ফেব্রুয়ারি মিরপুরে।

ওয়েস্ট ইন্ডিজ-২৫৭ ও ২৯১, বিসিবি একাদশ-১৬০ ও ৬৩/২ (ম্যাচ ড্র)

এমএ আজিজ স্টেডিয়ামে বিসিবি একাদশকে ৩৮৯ রানের বিশাল লক্ষ্য দিয়েছিল উইন্ডিজ। তৃতীয় দিনের বিকেলে তরুণদের নিয়ে গড়া স্বাগতিক দল ২ উইকেট হারিয়ে ৬৩ রান তোলার পর ড্র মেনে নেন দুদলের অধিনায়ক। দুটি উইকেটই নেন বাঁহাতি পেসার রেমন রেইফার।

বিসিবি একাদশ খেলেছে ২৯ ওভার। টেস্ট স্কোয়াডে থাকা সাদমান ইসলাম ও সাইফ হাসানের ধৈর্যের পরীক্ষা নিয়েছে প্রতিপক্ষ বোলাররা। ওপেনিং জুটি ১১.৩ ওভার উইকেটে থাকলেও রান আসে মাত্র ১৪। টিকে থাকার পরীক্ষায় সাদমান সফল হন। সাইফ ৩৩ বলে ৭ রান করে সাজঘরে ফেরেন।

৮১ বল মোকাবেলা করে ২৩ রানে অপরাজিত থাকেন সাদমান। প্রথম ইনিংসে সর্বোচ্চ ৪৫ রান করা নাঈম শেখ ফিরে যান রানের খাতা খোলার আগেই। টেস্ট দলে থাকা আরেক ব্যাটসম্যান ইয়াসির আলি ৩৩ রানে অপরাজিত থাকেন। ৫৬ বলের ইনিংসে ছিল পাঁচটি চার ও একটি ছয়ের মার।

৫ উইকেটে ১৭৯ রানে দ্বিতীয় দিন শেষ করা ক্যারিবীয়দের দ্বিতীয় ইনিংস শেষ হয় তিনশ’র কাছে গিয়ে।

বিজ্ঞাপন

বিসিবি একাদশকে ১৬০ রানে থামিয়ে প্রথম ইনিংসে ৯৭ রানের লিড নিয়েছিল উইন্ডিজ। দ্বিতীয় ইনিংসেও তারা করেছে দারুণ ব্যাটিং।

৮০ রানে অপরাজিত থেকে তৃতীয় দিন শুরু করা এনক্রুমা বোনার ফিরে যান সকালেই। রেইফার (৪৯*) ও জশুয়া ডি সিলভার (৪৬) প্রতিরোধে এগিয়ে যায় সফরকারীরা। আরেগদিন ফিফটি পান ক্যারিবীয় ওপেনার জন ক্যাম্পবেল (৬৮)।

বিসিবি একাদশের তরুণ পেসার মুকিদুল ইসলাম মুগ্ধ নিয়েছেন ৪ উইকেট। খালেদ আহমেদ ৩টি, সাইফ হাসান ২টি ও তৌহিদ হৃদয় নেন একটি উইকেট।

প্রথম ইনিংসে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ২৫৭ রানে অলআউট করে লিডের আশা জাগিয়েছিল বিসিবি একাদশ। কিন্তু রাকিম কর্নওয়ালের ঘূর্ণিতে সে আশায় গুঁড়েবালি। শেষ ৩০ রানে ৬ উইকেট হারিয়ে দেড়শ পেরিয়ে থেমে যায় নুরুল হাসান সোহানের দল।

দ্বিতীয় দিনের চা-বিরতির আগে ১৬০ রানে গুটিয়ে যায় একঝাঁক তরুণ নিয়ে গড়া দলটি। স্বাগতিকরা খেলতে পেরেছে মাত্র ৪৭.৪ ওভার।

বিসিবি একাদশের হয়ে সর্বোচ্চ ৪৫ রান করেন নাঈম শেখ। অধিনায়ক সোহানের ব্যাট থেকে আসে ৩০ রান। সাদমান ইসলাম ২২, সাইফ হাসান ১৫, শাহাদাত হোসেন দীপু করেন ১৩ রান। বাকিদের কেউই পারেননি দুঅঙ্ক ছুঁতে।

অফস্পিনার কর্নওয়াল ৪৭ রানে নেন ৫ উইকেট। বাঁহাতি স্পিনার জোমেল ওয়ারিকেনের ২৫ রানে শিকার ৩ উইকেট। পেসার কেমার রোচ ও আলঝারি জোসেফ নেন একটি করে উইকেট।

বিজ্ঞাপন