চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

ভার্চুয়াল মাধ্যমে সপ্তাহে ৫ দিনই বসবে সর্বোচ্চ আদালত

আগামি ১৯ জুলাই থেকে পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত সপ্তাহে ৫ দিনই ভার্চুয়াল মাধ্যমে দেশের সর্বোচ্চ আদালত সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের বিচারিক কার্যক্রম চলবে।

এর আগে গত রোববার দেয়া এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছিল ‘পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত প্রত্যেক সপ্তাহের সোমবার ও বৃহস্পতিবার সকাল ১০টা হতে বেলা ১টা ১৫ মিনিট পর্যন্ত আপিল বিভাগের ভার্চুয়াল কোর্টে শুনানি গ্রহণ করা হবে। তবে আজ সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের রেজিস্ট্রার মাে: বদরুল আলম ভূঞা স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ‘আগামি ১৯ জুলাই থেকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত সপ্তাহে রবিবার থেকে বৃহস্পতিবার সকাল ১০টা হতে বেলা ১টা ১৫ মিনিট পর্যন্ত আপিল বিভাগের ভার্চুয়াল কোর্টে শুনানি গ্রহণ করা হবে। এছাড়া কোর্ট চলাকালীন দিনগুলোতে সুপ্রিম কোর্টের দৈনন্দিন নিয়মিত স্বাভাবিক কার্যক্রম পরিচালিত হবে। আর আপিল বিভাগের ভার্চুয়াল কোর্টের জরুরী বিষয়ে শুনানী সংক্রান্ত মামলার কজলিস্ট যথারীতি সুপ্রিম কোর্টের (www.supremecourt.gov.bd) ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হবে। এবং ভার্চুয়াল শুনানি সংক্রান্ত যােগাযােগ ([email protected]) এই ই-মেইল থেকে জানা যাবে।’

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

করোনাভাইরাস সংক্রমণের প্রেক্ষাপটে টানা চার মাস পর গতকাল দেশের সর্বোচ্চ আদালত আপিল বিভাগের বিচারিক কার্যক্রম শুরু হয়। এইদিন মাইক্রোসফট টিমস অ্যাপের মাধ্যমে প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনসহ আপিল বিভাগের ছয়জন বিচারপতি নিজ নিজ বাসা থেকে বিচারকার্য পরিচালনা করেন। ভার্চুয়াল আপিল বেঞ্চে যুক্ত থাকা অপর পাচ বিচারপতি হলেন, বিচারপতি মোহাম্মদ ইমান আলী, বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী, বিচারপতি মির্জা হোসেইন হায়দার, বিচারপতি আবু বকর সিদ্দিকী ও বিচারপতি মো. নূরুজ্জামান। এইদিন কার্যতালিকায় থাকা ২০টি মামলার মধ্যে দুটির শুনানি নিয়ে আদেশ দেন সর্বোচ্চ আদালত। এসময় ভার্চুয়াল শুনানিতে যুক্ত হন রাষ্ট্রের প্রধান আইন কর্মকর্তা অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম ও সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতিসহ মামলা সংশ্লিষ্ট আইনজীবীরা।

গত ১১ মে দেশে প্রথম ভার্চুয়াল আদালতের কার্যক্রম শুরু হলে আপিল বিভাগের চেম্বার আদালত, হাইকোর্ট এবং অধস্তন আদালতগুলো ভার্চুয়াল মাধ্যমে বিচারকার্য শুরু করে। এরই ধারাবাহিতায় গত ৪০ কার্যদিবসে দেশের অধস্তন আদালতগুলো লক্ষাধিক আবেদন নিস্পত্তি করে, অর্ধলক্ষাধিক জামিন মঞ্জুর করেছে। যেখানে জামিনপ্রাপ্ত শিশু রয়েছেন ৬৫১ জন। ভার্চুয়াল আদালত পরিচালনার জন্য এর আগে আলাদা ‘প্র্যাকটিস নির্দেশনা’ জারি করা হয় এবং আইনজীবীদের জন্য প্রকাশ করা হয় ‘ভার্চুয়াল কোর্টরুম ম্যানুয়াল’। এছাড়া ভার্চুয়াল পদ্ধতিতে আসামি স্বচক্ষে দেখে করা হয়েছে রিমান্ড শুনানির ব্যবস্থা।