চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

ভারতে একদিনে মৃত্যু ও শনাক্তের নতুন রেকর্ড

একদিনে মৃত্যু ২৮০৬, শনাক্ত সাড়ে ৩ লাখ

ভারতে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন আরও দুই হাজার ৮০৬ জন। এটিই এখন পর্যন্ত দেশটিতে একদিনে সর্বোচ্চ মৃত্যু। করোনায় এ পর্যন্ত ভারতে মারা গেছেন ১ লাখ ৯৫ হাজার ১১৬ জন।   

একই সময়ে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত আরও ৩ লাখ ৫৪ হাজার ৫৩১ জনকে শনাক্ত করা হয়েছে। এটিই এখন পর্যন্ত দেশটিতে ও বিশ্বে একদিনে সর্বোচ্চ শনাক্ত। ভারতে মোট ১ কোটি ৭৩ লাখ ৬ হাজার ৩০০ জন শনাক্ত হয়েছেন। সংক্রমণের দিক থেকে বিশ্বে ভারতের অবস্থান বর্তমানে দ্বিতীয়। 

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

ভারতীয় গণমাধ্যমের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সংক্রমণ সবচেয়ে বেশি মহারাষ্ট্রে। এরপর রয়েছে কেরালা, কর্ণাটক, তামিল নাড়ু, উত্তর প্রদেশ, অন্ধ্রপ্রদেশ ও দিল্লি। গত ২৪ ঘণ্টায় মহারাষ্ট্রে শনাক্ত হয়েছেন ৭৮ হাজার ২৩৬ জন।

গতকালও ভারতে অতীতের রেকর্ড ভেঙে তিন লাখ ৪৯ হাজার ৩১৩ জনের করোনা শনাক্ত ও দুই হাজার ৭৬১ জনের মৃত্যু হয়। আজ সেই রেকর্ড ভেঙে নতুন রেকর্ড হলো।

গত ১৫ এপ্রিল থেকেই দেশটিতে দৈনিক দুই লাখের বেশি রোগী শনাক্ত হচ্ছে। এর মধ্যে আজ টানা ৫ম দিনের মতো দৈনিক শনাক্তের সংখ্যা তিন লাখেরও বেশি। তবে আজকে সেই রেকর্ডও ছাড়িয়ে গেছে।

বিজ্ঞাপন

ভারতে এখন পর্যন্ত প্রায় ১৪ কোটি মানুষকে ভ্যাকসিন দেওয়া হয়েছে বলে জানানো হয়েছে এনডিটিভির প্রতিবেদনে।

রয়টার্সের তথ্য অনুযায়ী, গত জানুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্রে একদিনে দুই লাখ ৯৭ হাজার ৪৩০ জন শনাক্ত হয়। এরপর আজ বিশ্বের মধ্যে ভারতে একদিনে সর্বোচ্চ সংখ্যক রোগী শনাক্ত হলো।

পরিসংখ্যান নিয়ে কাজ করা ওয়েবসাইট ওয়ার্ল্ডোমিটারের তথ্য অনুযায়ী, ভারতের মোট জনসংখ্যা ১৩৯ কোটির বেশি। সেখানে প্রতি ১০ লাখ মানুষের মধ্যে গড়ে এক লাখ ৯৭ হাজার ৩০৪টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়। আর বাংলাদেশে জনসংখ্যা ১৬ কোটি ৬০ লাখের বেশি। এখানে প্রতি ১০ লাখ মানুষের মধ্যে গড়ে ৩১ হাজার ৯৪৩টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়।

উল্লেখ্য, গত বছরের ৩০ জানুয়ারি ভারতে প্রথম করোনা আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়। জনস হপকিনস ইউনিভার্সিটির করোনাভাইরাস রিসোর্স সেন্টারের তথ্য অনুযায়ী, সংক্রমণের দিক থেকে বর্তমানে বিশ্বে ভারতের অবস্থান দুই নম্বরে। ভারতের আগে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও পরে ব্রাজিল।

জনস হপকিনস ইউনিভার্সিটির সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বব্যাপী করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ১৪ কোটি ৭৭ লাখ ৮৩ হাজার ৩৭৯ জন এবং মারা গেছেন ৩১ লাখ ২২ হাজার ৫৩৮ জন। এছাড়া সুস্থ হয়েছেন ১২ কোটি ৫৩ লাখ ২০ হাজার ৮৭৩ জন।

বিজ্ঞাপন