চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

ব্যাটিং নিয়ে কিছুটা দুশ্চিন্তা রয়েই গেল

চট্টগ্রাম থেকে: জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামের কিউরেটর বলছিলেন, গতানুগতিক ব্যাটিং উইকেটই বানানো হয়েছে। ম্যাচ শুরু হতেই দেখা গেল তার কথার প্রতিফলন। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ব্যাট হাতে ঝড় তুললেন ওপেনার লিটন দাস। তাতে জাগল বিশাল সংগ্রহের আশা। কিন্তু ত্রিদেশীয় টি-টুয়েন্টি সিরিজের ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে শেষমেশ বাংলাদেশ পেয়েছে ১৭৫ রানের পুঁজি!

বেশ কিছুদিন ধরেই বাংলাদেশকে ভোগাচ্ছে ব্যাটিং। বুধবার সুযোগ এসেছিল বড় সংগ্রহ গড়ে হারানো আত্মবিশ্বাস ফেরানোর। তবে ছন্দে ফেরার সুযোগ কাজে লাগাতে পেরেছেন কেবল মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ ও লিটন।

বিজ্ঞাপন

৪১ বলে ৬২ রানের ইনিংস খেলে দলকে টেনে নিয়েছেন মাহমুদউল্লাহ। অসাধারণ সব শটে ২২ বলে ৩৮ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলে দারুণ ভিত দিয়ে যান লিটন।

নিজের অভিষেক টি-টুয়েন্টিতে ওপেনিংয়ে নামা নাজমুল হোসেন শান্ত করতে পেরেছেন ৯ বলে ১১ রান। আউট হয়েছেন সাধারণ এক ডেলিভারিতে। তিনে নামা সাকিব আল হাসান বোলারকে উইকেট ‘উপহার’ দিয়ে এসেছেন। করেছেন ৯ বলে ১০ রান।

বিজ্ঞাপন

কিছুটা সময় নিয়ে খেলা মুশফিকুর রহিম ২৬ বলে করেছেন ৩২ রান। যখন চার-ছক্কা সময়ের দাবি আউট হয়েছেন তখনই।

জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে প্রথম ম্যাচে বাংলাদেশকে অসাধারণ এক জয় উপহার দেয়া আফিফ হোসেনের ব্যাটও হাসেনি। করেছেন ৮ বলে ৭ রান। শেষদিকে নেমে ৩ বলে ২ রান করে আউট হয়েছেন মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত।

২ বল খেলা মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন এক চারে ৬ রানে ছিলেন অপরাজিত। লেগ স্পিনিং অলরাউন্ডার হিসেবে অভিষিক্ত আমিনুল ইসলাম বিপ্লব স্ট্রাইক প্রান্তে যাওয়ার সুযোগই পাননি।

টি-টুয়েন্টিতে জিম্বাবুয়ের সঙ্গে ১৭৫ রান হয়ত জয়ের জন্য যথেষ্টই। তবে এদিনও বেশিরভাগ ব্যাটসম্যান হলেন ব্যর্থ! আর ব্যাটিং সহায়ক উইকেটে যেভাবে খেললে আত্মবিশ্বাস তুঙ্গে থাকতে পারত পরের ম্যাচে নামার আগে সেটি আর হল কই!

Bellow Post-Green View