চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

বৈশাখ-রমজান-লকডাউনে কেমন আছে সাধারণ মানুষ?

একইদিনে পহেলা বৈশাখ আর পবিত্র রমজানের প্রথম দিন, সেদিনই আবার দেশজুড়ে কঠোর লকডাউন শুরু। এতে এক অন্যরকম দিন দেখলো পুরো জাতি।

দেশব্যাপী করোনা সংক্রমণ ও মৃত্যুর হার বেড়ে যাওয়াতে সরকারকে দ্রুততার সঙ্গে জনজীবনে কঠোর নিষেধাজ্ঞা দিতে হয়েছে। গতবছর থেকে শুরু হওয়া করোনার প্রকোপ নিয়ন্ত্রণে অপ্রয়োজনীয় নানা কর্মকাণ্ডকে সীমিত করতে হয়েছে বৃহত্তর জনস্বার্থে। দূরপাল্লার যানবাহন বন্ধ করার পাশাপাশি প্রয়োজনীয় চলাচলে মুভমেন্ট পাস এর ব্যবস্থা করা হয়েছে। যদিও কিছু জায়গায় এই পাস নিয়ে হয়েছে ভোগান্তি। জরুরি সেবা-কার্যক্রমের আওতায় থাকা অনেক শ্রেণিপেশার মানুষকে জরিমানা ও অহেতুক হয়রানির খবর এসেছে গণমাধ্যম ও সামাজিক মাধ্যমে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এ বিষয়ে আরও দায়িত্বশীল হলে বিষয়গুলো এড়ানো যেতো।

বিজ্ঞাপন

করোনা নিয়ন্ত্রণে দেশের ভেতরে নেয়া নানা সিদ্ধান্ত ও পদক্ষেপে বিভিন্ন সংস্থা/কর্তৃপক্ষের মধ্যে সমন্বয় দূর্বলতা নতুন কিছু নয়, তারপরেও বিষয়গুলোতে আরও সাবধান হওয়া দরকার বলে আমরা মনে করি।

আরকেটি বিষয় না বললেই নয়, তা হচ্ছে দিনমজুর, রিকশাওয়ালা, ভ্রাম্যমান ফেরিওয়ালা থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষের প্রতিদিনের চাহিদা। তারা কে কী করছে, কী খাচ্ছে, কীভাবে আছে এই বিষয়গুলো দেখার দায়িত্ব কার? রমজান উপলক্ষে সব পরিবারেই বাড়তি প্রস্তুতি থাকে, তাদেরও আছে। কিন্তু তাদের তো নিয়মিত কর্মকাণ্ডই বন্ধ করোনা নিয়ন্ত্রণ নিষেধাজ্ঞাতে। এই বিষয়টি সরকারের অবশ্যই দেখা দরকার। শুধু বৃহৎ শিল্পের প্রণোদনা প্যাকেজ কর্মসূচি নিয়ে সাংবিধানিক দায়িত্ব শেষ হয় না, সমাজের শেষের সারিতে অবস্থান করা মানুষদের দিকেও নজর দিতে হবে। সেইসঙ্গে সমাজের প্রতিষ্ঠিত, অবস্থাবান মানুষদেরও এগিয়ে আসা উচিত, এগিয়ে আসা উচিত নানা সামাজিক সংগঠনের।

বৈশাখ-রমজানের এই সময়ে সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় সবার মুখে খাবার থাকুক, দূর হোক করোনা, এই আমাদের প্রত্যাশা।

বিজ্ঞাপন